উদ্দীপকে উল্লেখিত খাদ্যটি হচ্ছে মাছের সম্পূরক খাদ্য। নিয়ে সম্পূরক খাদ্যের প্রয়োগ পদ্ধতি বর্ণনা করা হলো-
১. দৈনিক একর প্রতি মোট সরবরাহকৃত খাদ্যের পরিমাণ ১৫ কেজির বেশি হওয়া উচিত নয়। সেকিডিস্ক পাঠ ২০ সে.মি. বা তার বেশি হলে খাবার প্রয়োগ সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে।
২. চিংড়ি নৈশভোজী বলে তাদের সন্ধ্যায় বা রাতে খাবার দিতে হবে। রুই জাতীয় মাছকে সকাল-বিকাল খাবার দিতে হবে।
৩. সাধারণত বুই জাতীয় মাছের জন্য মজুদ মাছের মোট ওজনের ২-৫% হারে বয়সভিত্তিক প্রতিদিন খাবার দিতে হবে। প্রতি ১৫ দিন অন্তর বা মাসে ১ বার মাছের নমুনা সংগ্রহ করে মাছের
দেহের ওজনের সাথে সঙ্গতি রেখে খাদ্য প্রয়োগের পরিমাণ
ঠিক করে নিতে হবে।
8 খাবার দেওয়ার সময় এক জায়গায় না দিয়ে পুকুরের ৪-৬টি নির্দিষ্ট জায়গায় ছিটিয়ে দিতে হবে।
৫. খাদ্য ২ ভাগ করে এক ভাগ সকালে ও এক ভাগ বিকালে দেওয়া উচিত। ৬. পুকুরের একস্থানে সব খাদ্য না দিয়ে বেশ কয়েকটি স্থানে খাদ্য
দিতে হবে।
৭. গ্রাসকার্প ও রাজপুঁটি নরম ঘাস খায়। তাই তাদের জন্য টোপাপানা, ক্ষুদিপানা, কলাপাতা জাতীয় খাবার প্রতিদিন সকাল- বিকাল পুকুরে সরবরাহ করতে হবে।
৮. সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যেন অতিরিক্ত খাদ্য পুকুরে থেকে না যায়।