উদ্দীপকে উল্লিখিত দূষণ হচ্ছে বায়ুদূষণ। বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট কারণে বায়ু প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে। এর মধ্যে মানবসৃষ্ট কারণে দূষণ কিছু আইনগত উপায়ে প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিচে আইনগতভাবে বায়ুদূষণ প্রতিরোধের উপায়গুলো ব্যাখ্যা করা হলো:
কোনো স্থানে শিল্পায়ন করতে হলে স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করতে হবে। শিল্পাঞ্চল, বসতি ও গ্রাম এবং স্পর্শকাতর অঞ্চলে পরিবেশন বায়ুর উৎকর্ষমানের সীমা নির্ধারণ করতে হবে। চারটি প্রধান দূষক SO₂, NO₂, CO এবং SPM- এর ঘনত্ব মানের ওপর বায়ুর উৎকর্ষের মান নির্ধারণ বাধ্যতামূলক করা উচিত। সচল এবং স্থির উৎস থেকে বায়ুতে নিক্ষিপ্ত দূষকের স্থানবিশেষ 'অনুমোদনযোগ্য সীমা' বা 'নিক্ষেপ মান' নির্ধারণ করতে হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানে, কারখানায় এবং অটোমোবাইল ইঞ্জিনে দূষণ নিয়ন্ত্রণ উপকরণের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে হবে। এক্ষেত্রে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পরিষদের তদারকি প্রয়োজন।
এভাবে সরকারি পর্যায়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করে বায়ুদূষণ প্রতিরোধ করা যায়।