ঘউদ্দীপকে উল্লিখিত জনগোষ্ঠী অর্থাৎ মিয়ানমার থেকে মুসলিম রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারের উখিয়ায় অভিগমনের ফলে এসব অঞ্চলে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও জনবৈশিষ্ট্যগত পরিবর্তন সাধিত হবে।
অর্থনৈতিক পরিবর্তনের জন্যই মানুষ অভিবাসনে আগ্রহী হয়। রোহিঙ্গাদের আগমনের ফলে এসব অঞ্চলে ভূমি ও সম্পত্তির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, জীবনযাত্রার মান নিম্ন হয় এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়। এ অভিগমনের ফলে রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগই বেশি হয়।
রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে প্রবেশের ফলে এ অঞ্চলে সামাজিক ও আচার-আচরণের অনেক পরিবর্তন হবে। সামাজিক অনেক রীতিনীতি একদেশ থেকে অন্যদেশে স্থানান্তরিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন রোগের বিস্তার ঘটবে। অধিক হারে রোহিঙ্গাদের প্রবেশের ফলে এ অঞ্চলে ঐ দেশের সংস্কৃতি রপ্ত করার কারণে নিজের দেশের সামাজিক বৈশিষ্ট্য ক্ষুণ্ণ হবে।
রোহিঙ্গা মুসলমানরা এদেশে প্রবেশের ফলে তাদের মৌলিক চাহিদা সহজে মিটাতে পারে না। এমনকি তারা মানবেতর জীবনযাপন করে। খাদ্য, বস্তু, চিকিৎসা ব্যবস্থার অনুকূল পরিবেশ থেকে এরা বঞ্চিত হয়। ফলে রোগ-শোক, অভাব-অনটন এদেরকে গ্রাস করে ফেলে। সর্বোপরি বলা যায়, রোহিঙ্গা সমস্যা বর্তমান সময়ের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। কারণ এ সমস্যার জন্য সার্বিক পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে।