রাহাতের বাবা বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব গমন করে। এ ধরনের গমন হলো আন্তর্জাতিক অভিগমন। আন্তর্জাতিক অভিগমনের ফলে দুই দেশের উপরই প্রভাব পড়ে।
অভিগমনের স্বাভাবিক ফলাফল হচ্ছে জনসংখ্যার বণ্টন বা অবস্থানিক পরিবর্তন। অবস্থানগত পরিবর্তন ছাড়াও অভিবাসনের ফলে উভয় এলাকায় অর্থনৈতিক, সামাজিক ও জনবৈশিষ্ট্যগত যে পরিবর্তন হতে পারে তা আলোচনা করা হলো-
সামাজিক প্রভাব: সমাজের কোনো একটি অংশে অভিগমন করলে পুরো সমাজে তার প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। যেমন- অনেকে যদি যুক্তরাষ্ট্রে অভিগমন করে তাহলে সেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি হবে। কিন্তু দেশে জনসংখ্যা কমবে।
অর্থনৈতিক প্রভাব: অনেক সময় অভিগমনের ফলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। যেমন- উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি যুক্তরাষ্ট্রে অভিগমনের ফলে প্রতিবছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা দেশে প্রেরণ করছেন, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
জৈবিক প্রভাব: এক দেশ থেকে অন্য দেশে আবহাওয়ার ভিন্নতা রয়েছে। ফলে অভিবাসীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে।
সাংস্কৃতিক প্রভাব: এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অভিগমনের ফলে মানুষের সংস্কৃতিরও কিছু পরিবর্তন ঘটে। যেমন- ভাষা, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক, রীতিনীতির পরিবর্তন ইত্যাদি।
উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, আন্তর্জাতিক অভিগমনে উৎস ও গন্তব্যস্থলে জনবৈশিষ্ট্যগত ও আর্থ-সামাজিক এমন কী জৈবিক প্রভাব পড়ে।