উদ্দীপকে উল্লিখিত 'ক' ও 'খ' পর্যায় দুটি হলো যথাক্রমে জনমিতিক ট্রানজিমনাল মডেলের ২য় ও ১ম পর্যায়। দুটি পর্যায়ের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
i. জনমিতিক ট্রানজিশনাল মডেলের ১ম ধাপটি হলো ট্রানজিশনের পূর্বের সময়। যেখানে অনুন্নত দেশসমূহ অন্তর্ভুক্ত। এটি শিল্পায়নের পূর্বের সময়কে নির্দেশ করে। অপরদিকে মডেলের ২য় পর্যায়কে শিল্পধাপ বলা হয়। যেখানে উন্নয়নশীল দেশে শিল্পের প্রসার ঘটতে থাকে।
ii. এ মডলের ১ম ধাপে চিকিৎসা ববস্থার উন্নতি না হওয়ায় উচ্চ জন্মহারের পাশাপাশি উচ্চ মৃত্যুহারও দেখা যায়। অপরদিকে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি হয়ে ২য় ধাপে মৃত্যুহার হ্রাস পেলেও অধিক জন্মহার অব্যাহত দেখা যায়।
iii. ১ম ধাপে শিশু মৃত্যুর হার বেশি, জীবনযাত্রার নিম্নমান, অনুন্নত অর্থনীতি, শিক্ষার হার কম, খাদ্য ও চিকিৎসার অভাব প্রকট ছিল। অপরদিকে ২য় ধাপে নগরায়নের প্রসার, কৃষির উন্নয়ন, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন, যাতায়াত ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন প্রভৃতি বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়।
iv. অনুন্নত দেশ যেমন- বার্মা, ভুটান, পূর্ব ও পশ্চিম আফ্রিকা, মধ্য আমেরিকা ইত্যাদি দেশসমূহ ১ম পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। অপরদিকে, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, মেক্সিকো, দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশে ২য় অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।