উদ্দীপকে বাংলাদেশের মানচিত্র দেখানো হয়েছে। ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, মৃত্তিকা, পরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থা, শিল্প, ব্যবসা, বাণিজ্য প্রভৃতির ওপর নির্ভর করে জনবসতি গড়ে ওঠে। এসব উপাদানের প্রভাব বাংলাদেশের সর্বত্র সমান নয় বলে জনবসতির ঘনত্বের মধ্যে পার্থক্য হয়ে থাকে।
জনসংখ্যার ঘনত্ব অনুসারে বাংলাদেশের বসতি অঞ্চলকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়, যথা- ক. নিবিড় বসতি অঞ্চল ও খ. বিরল বসতি অঞ্চল। এরূপে সমগ্র বাংলাদেশকে কতিপয় শ্রেণিতে বিভক্ত করে জনসংখ্যার ঘনত্ব বা জনবসতি বণ্টন আলোচনা করা হলো।
ক. নিবিড় জনঘনত্ব বা ঘনবসতি অঞ্চল: বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে জনসংখ্যা প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০০০ জনের বেশি সেসব অঞ্চলকে নিবিড় বসতি অঞ্চল বলা হয়। নিবিড় বসতি অঞ্চলকে তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। যেমন— i. অতিনিবিড় বসতি অঞ্চল, ii. নিবিড় বসতি অঞ্চল ও iii. নাতি নিবিড় বসতি অঞ্চল।
খ. বিরল জনঘনত্ব বা বসতি অঞ্চল: বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০০০ জনের কম সেসব অঞ্চলকে বিরল বসতি অঞ্চল বলা হয়। এ অঞ্চলের জনবসতির ঘনত্ব আবার সর্বত্র সমান নয়। কোনো কোনো অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমটিারে ৫০১-১০০০ জন, আবার কোনো কোনো অঞ্চলে জনবসতির ঘনত্ব ০-৫০০ জন। তাই বিরল বসতি অঞ্চলকে তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়। যেমন- i. নাতি বিরল বসতি অঞ্চল, ii. বিরল বসতি অঞ্চল ও iii. অতি বিরল বসতি অঞ্চল।