উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটি বাংলাদেশ। দেশটিতে পূর্বের তুলনায় মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর আর্থসামাজিক ও জনমিতিক জরিপ-২০১১- এর ফলাফলে দেখা গেছে, দেশে, শিশু, নবজাতক ও প্রসূতি মায়ের মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। বাংলাদেশে গত এক দশকে নবজাতকের মৃত্যু বছরে গড়ে ৪ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে। ১৯৮১ সালে গ্রামে মৃত্যুহার ছিল প্রতি হাজারে ১২.২ জন, সেখানে ২০২২ সালে তা হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ৫.১ জনে । অনুরূপভাবে শহরেও মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। একই সাথে। মৃত্যুহারও আগের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে।
এর কারণ হলো পরিবার পরিকল্পনা, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ, চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধি ইত্যাদি। দেশে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের সফলতার কারণে প্রসূতি মায়ের মৃত্যুহার কমার সাথে সাথে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের মৃত্যুহার অনেক কমেছে। এছাড়া শিক্ষার প্রসারে মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসুবিধা প্রাপ্তি সহজ হয়েছে, উন্নত চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে। ফলে মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। কর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়ন পুরুষ-নারী নির্বিশেষে সবার জীবনযাত্রার মান বাড়িয়েছে। ফলে মৃত্যুহার কমেছে।