উদ্দীপকে 'ক' উপাদানটি হলো জন্মহার। নিচে জন্মহার সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-
প্রতি এক হাজারে বছরে যতগুলো জীবিত শিশুর জন্ম হয় তাকে জন্মহার বলে। কোনো দেশে একটি নির্দিষ্ট বছরে জন্মগ্রহণকারী সন্তানের সংখ্যাকে উক্ত বছরে গণনাকৃত মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে ১০০০ দিয়ে গুণ করে জন্মহার নির্ণয় করা হয়।
অর্থাৎ, জন্মহার = (এক বছরে জন্মগ্রহণকারী জীবন্ত শিশুর সংখ্যা × দেশের মোট জনসংখ্যা) ÷ ১০০০
জন্মহার নির্ধারণের এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রজননশীলতা। কোনো কোনো দেশে প্রজননশীলতা বা বংশবৃদ্ধির যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। আবার কোনো কোনো দেশে বিপর্যয় ডেকে আনে। এ কারণে বলা যায় প্রজননহীনতা যেমন সমাজের অস্তিত্ব বিপন্ন করে তেমনি অতি প্রজননশীলতা সমাজের জন্য মারাত্মক বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। সুতরাং সামাজিক ও জনমিতিক পরিবর্তনে এ প্রক্রিয়ার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। জনমিতিতে প্রজননশীলতা পরিমাপ করার জন্য কিছু কিছু পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা হলো- স্কুল বা অশোধিত জন্মহার, স্বাভাবিক জন্মহার, বয়স নির্দিষ্ট জন্মহার, মোট জন্মহার, শিশু মাতা অনুপাত, সাধারণ জন্মহার, স্থূল প্রজনন হার এবং নীতি প্রজনন হার।