উদ্দীপকে জনসংখ্যার ট্রানজিশনাল মডেল দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশ এ মডেলের দ্বিতীয় পর্যায়ে রয়েছে। নিচে উদ্দীপকের মডেলের আলোকে বাংলাদেশের অবস্থান বর্ণনা করা হলো-
চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রভৃতি জনসংখ্যার ট্রানজিশনাল মডেলের দ্বিতীয় পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশ, ভারত, মিশর, ব্রাজিল ও পাকিস্তানসহ পৃথিবীর বহুদেশ এ পর্যায়ের রয়েছে। উচ্চ জন্মহার ও নিম্ন মৃত্যুহারের কারণে এখানে জনসংখ্যার বৃদ্ধি অনেক দ্রুত হয়। তাই এ স্তরকে জনসংখ্যার বৃদ্ধির স্তর বলে। এ স্তরটি একটি দেশে কত বছর স্থায়ী হয় তা নির্ভর করে ঐ দেশের অর্থনৈতিক সামাজিক, রাজনৈতিক ও সরকারি নীতি নির্ধারণীয় ওপর। যেমন বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে আগের চেয়ে উন্নত হওয়ায় এ দেশ ধীরে ধীরে তৃতীয় পর্যায়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে।