উদ্দীপকের শেষোক্ত বিষয়টি মালদ্বীপ এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আলোচনা কর।
উত্তর: উদ্দীপকের শেষের লাইনে বলা হয়েছে যে, একটি দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটলে তখন জনমিতিক ট্রানজিশনাল মডেলের একস্তর থেকে অন্যস্তরে অতিক্রম করতে সক্ষম। এরই ধারাবাহিকতায় মালদ্বীপ এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জনমিতিক ট্রানজিশনাল মডেল নিয়ে আলোচনা করা হলো- জনমিতিক ট্রানজিশনাল মডেলের ২য় স্তর / অবস্থান্তর প্রবৃদ্ধির আওতায় উক্ত দুটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে দুটি দেশের মধ্যে একই স্তরে মাত্র প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ এবং স্তরটি অতিক্রম করার পথে রয়েছে মালদ্বীপ। এস্তরে বলা হয়েছে যে, যে সমস্ত দেশে মৃত্যুহার কমতে শুরু করেছে কিন্তু জন্মহার প্রথম পর্যায়ে বা জন্মহার কমেছে কিন্তু তার গতি মৃত্যুহার হ্রাসের গতির তুলনায় যথেষ্ট কম এবং দেরিতে, সেসব দেশ জনসংখ্যার ট্রানজিশনাল স্তরে তথা ২য় স্তরে পৌছেছে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের কারণে মৃত্যুহার অনেকাংশে হ্রাস করতে সক্ষম। কিন্তু সেভাবে জন্মহার হ্রাস অনেক পরে হচ্ছে। ফলে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেমনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান। বাংলাদেশের জনগণের অসচেতনতা, ধর্মীয় কুসংস্কার প্রভৃতির কারণে জন্মহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে মালদ্বীপের জনসংখ্যার দিকে লক্ষ করলে বোঝা যায় যে, এখানে আর্থ-সামাজিক অবস্থার দ্রুত উন্নতির ফলে জন্মহার এবং মৃত্যুহার দ্রুতগতিতে হ্রাস পাচ্ছে। যেখানে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব ১২২৭ জন / বর্গকিলোমিটার সেখানে মালদ্বীপের জনসংখ্যার ঘনত্ব ১০৩৭ জন/ বর্গকিলোমিটার। সুতরাং বলা যায় যে, আর্থসামাজিক অবস্থার কারণে বাংলাদেশ ২য় স্তর অতিক্রম করতে সময় লাগছে। পক্ষান্তরে মালদ্বীপের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের কারণে ২য় স্তর অতিক্রম করার পর্যায়ে চলে এসেছে।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 2 : জনসংখ্যা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 2 : জনসংখ্যা · সৃজনশীল
উদ্দীপকের শেষোক্ত বিষয়টি মালদ্বীপ এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আলোচনা…
উদ্দীপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
২. মৃত্যুহার: প্রতি বছর মোট জনসংখ্যার কতজন মানুষ মৃত্যুবরণ করে তা নির্ণয় করে মৃত্যুর সংখ্যাকে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মাথাপিছু মৃত্যুর সংখ্যা পাওয়া যায়। তারপর উক্ত ভাগফলকে ১০০০ দ্বারা গুণ করলে প্রতি হাজারে মৃত্যুহার পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে জনসংখ্যার প্রকৃত অবস্থান জানা যায়।
৩. নারী-পুরুষ অনুপাত: মোট নারী ও মোট পুরুষের অনুপাত দ্বারা জনসংখ্যার লিঙ্গভিত্তিক কাঠামো বা গঠন নির্দেশ করা যেতে পারে।
জনসংখ্যার লিঙ্গভিত্তিক গঠন পৃথিবীর প্রতিটি দেশে নারী-পুরুষের জন্মহার, মৃত্যুহার এবং অভিগমন এ তিনটির ওপর নির্ভর করে।
৪. অভিগমন: অভিগমন বলতে মানুষের কোনো স্থানে বহুদিন বা স্থায়িভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে মানুষের একস্থান থেকে অন্যস্থানে গমনের প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এর ফলে জনসংখ্যার হ্রাস-বৃদ্ধি হয়।
৫.বৃদ্ধিহার: বিশ্বের জনসংখ্যা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক এক বছরে এক ধরনের হার হয়, যা জনসংখ্যার জনমিতিক বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন আনয়নে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
সুতরাং বলা যায় যে, উপরোল্লিখিত জনমিতিক বৈশিষ্ট্যের ৫টি উপাদানই একটি দেশের জনসংখ্যার প্রকৃত অবস্থান সম্পর্কে অবহিত করতে পারে।উত্তর


