উদ্দীপকে বর্ণিত দেশদ্বয়ের মডেলটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত দেশদ্বয় হলো বাংলাদেশ এবং নিউজিল্যান্ড যা ট্রানজিশনাল মডেলের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ স্তরে রয়েছে। জনসংখ্যর ট্রানজিশনাল মডেলের দ্বিতীয় ও চতুর্থ স্তরের মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত কিছু পার্থক্য রয়েছে। নিচে তা নিয়ে আলোচনা করা হলো- চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিশু মৃত্যুহার হ্রাস, অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রভৃতি জনসংখ্যার ট্রানজিশনাল মডেলের দ্বিতীয় পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশ, ভারত, মিশর, ব্রাজিল ও পাকিস্তানসহ পৃথিবীর বহুদেশ এ পর্যায়ের রয়েছে। উচ্চ জন্মহার ও নিম্ন মৃত্যুহারের কারণে এখানে জনসংখ্যার বৃদ্ধি অনেক দ্রুত হয়। তাই এ স্তরকে জনসংখ্যার বৃদ্ধির স্তর বলে। এ স্তরটি একটি দেশে কত বছর স্থায়ী হয় তা নির্ভর করে ঐ দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সরকারি নীতিনির্ধারণীর ওপর। যেমন বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে আগের চেয়ে উন্নত হওয়ায় এ দেশ ধীরে ধীরে তৃতীয় পর্যায়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। অন্যদিকে, চতুর্থ পর্যায়ে জনসংখ্যার পরিবর্তন স্থিতিশীল অবস্থা থেকে কমতে থাকে। জন্মহার ধীরে ধীরে এমনভাবে কমতে থাকে যে জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার শূন্যতে পৌঁছায় এবং সেই সাথে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ব্যাপক প্রসার ও জীবনমান উন্নত হওয়ায় মৃত্যুহারও কমতে থাকে, কিন্তু শূন্যতে পৌছানো সম্ভব নয় বিধায় মোট জনসংখ্যা কমতে শুরু করে। এর ফলে নির্ভরশীল জনসংখ্যার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। নিউজিল্যান্ড ও সুইডেনের মতো উন্নত দেশগুলোতে এই অবস্থা পরিলক্ষিত হয়। অতএব বলা যায়, বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড ট্রানজিশনাল মডেলের যে ভিন্ন দুটি পর্যায় রয়েছে তাদের মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত অনেক অমিল রয়েছে।
HSC Geography 2nd Paper Chapter 2 : জনসংখ্যা CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · Chapter 2 : জনসংখ্যা · সৃজনশীল
উদ্দীপকে বর্ণিত দেশদ্বয়ের মডেলটির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এম.এম) কলেজ, যশোর · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


