উদ্দীপকে উল্লিখিত জনসংখ্যাসংক্রান্ত মডেলের দুটি পর্যায় ব্যাখ্যা করা হলো-
প্রথম পর্যায় / উচ্চ সম্ভাবনাময় প্রবৃদ্ধি: উচ্চ সম্ভাবনাময় প্রবৃদ্ধি স্তর প্রাক শিল্পায়ন বা অনুন্নত কৃষিপ্রধান ও আদিম সামাজিক স্তরের বৈশিষ্ট্য বহন করে। এ স্তরে জন্মহার ও মৃতুহার উভয়ই খুব উচ্চ থাকে। অপুষ্টি, মহামারি, দুর্ভিক্ষ, যুদ্ধ এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পায়।
দ্বিতীয় পর্যায় / প্রারম্ভিক পতন স্তর: এ স্তরে জনসংখ্যার জন্ম-মৃত্যুর মধ্যে একটি সমতা এসে যায়। যাকে নতুন স্থিতিবস্থা বলা হয়। এ স্তরে জনসংখ্যা প্রবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়। জন্মহার ধীরগতিতে বাড়ে বা স্থির থাকে ও মৃত্যুহার সর্বনিম্নস্তরে পৌঁছে। এ স্তরে জন্মহার ও মৃত্যুহার খুব কাছাকাছি অবস্থান করে। তৃতীয় পর্যায়ে যেসব দেশ পৌঁছে গেছে সেসব দেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে উন্নত ও জীবনযাত্রার মানও উন্নত। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক প্রভৃতি দেশ জনসংখ্যা পরিবর্তন স্তরের তৃতীয় স্তরে পড়ে।
সুতরাং বলা যায় যে, উক্ত দুটি পর্যায়ের জনসংখ্যার দুই ধরনের অবস্থা বিরাজ করে।