উদ্দীপকে বর্ণিত নৃশংসতার মতো আস-সাফফা ক্ষমতা গ্রহণ করে নৃশংস হত্যাকাণ্ড এবং ব্যাপক নিষ্ঠুরতা চালান।
আবুল আব্বাস আস-সাফফাহ অত্যন্ত নিষ্ঠুর শাসক ছিলেন। সিংহাসনে আরোহণ করেই তিনি সকল বিদ্রোহী ও সন্দেহভাজনদের সমূলে ধ্বংস করেন। বিশেষত, তিনি ধৃত সকল উমাইয়াদের হত্যা করেন, এবং মৃত উমাইয়াদের মৃতদেহ কবর থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলেন। তাদের হাত থেকে সৌভাগ্যবশত মুয়াবিয়া (রা.) ও ধার্মিকর্তার জন্য উমর বিন আব্দুল আজিজের কবরটি রক্ষা পায়। নিষ্ঠুর এ শাসক বিরোধীদের দমন করার স্বার্থে আবুল আব্বাস 'আস-সাফফা' (রক্তপিপাসু) উপাধি ধারণ করেন। উমাইয়া ও বিরোধীদের প্রতি নিষ্ঠুর ও নির্মম আচরণের মাধ্যমে আবুল আব্বাস তার নিজ উপাধি 'আস-সাফফা' শব্দটিকে সার্থক করে তুলেছিলেন। খলিফার নির্দেশে দাউদ হেজাজে, সোলায়মান বসরায়, আব্দুল্লাহ সিরিয়ায়, আবু মুসলিম খোরাসানে এবং অন্যান্য প্রাদেশিক শাসনকর্তারা উমাইয়াদের পাইকারি হারে হত্যা করেন। খলিফার চাচা আব্দুল্লাহ প্যালেস্টাইনের আবু ফুট্রস নামক স্থানে দ্বিতীয় মারওয়ানের আত্মীয়স্বজনসহ ৮০ জন উমাইয়াদের ক্ষমা প্রদানের প্রতিশ্রুতিতে তাঁবুতে আহ্বান করেন এবং নির্মমভাবে হত্যা করেন। পথে, প্রান্তরে, পাহাড়ে, বন্দরে, উপত্যকা, জঙ্গলে, এমনকি কবরস্থানে পর্যন্ত উমাইয়াদের খুঁজে খুঁজে ধরা হয়।
পরিশেষে বলা যায়, আস-সাফফা ক্ষমতা গ্রহণ করে উমাইয়াদের ধ্বংস করতে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালিয়ে নৃশংসতার পরিচয় দেন।