উদ্দীপকে দেশ-২ এ ইঙ্গিতকৃত অভিগমনটি হলো আন্তর্জাতিক অভিগমন। নিচে আন্তর্জাতিক অভিগমনের প্রভাব বিশ্লেষণ করা হলো:
আন্তর্জাতিক অভিগমনের প্রভাব বিশেষ করে উৎস দেশ ও গন্তব্যস্থলের দেশের ওপর বর্তিত হয় যা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে আলোচনা করা হলো:
১. উৎস দেশের ওপর প্রভাব: বাস্তুত্যাগী দেশের ওপর আন্তর্জাতিক অভিগমনের প্রভাব সম্পর্কে নিচে উল্লেখ করা হলো:
i. বেকার সমস্যা হ্রাস পায়।
ii.. সম্পদের ওপর চাপ কমে যায়।
iii. শিক্ষা ও প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাব ঘটে।
iv. দক্ষ শ্রমশক্তির অভাব ঘটে।
V. নির্ভরশীলতার হার বৃদ্ধি পায়।
vi. মেধা চালানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে, যেমন- চিকিৎসা, গবেষণা, শিক্ষা, বিচারকার্য, প্রশাসনিক ইত্যাদি ক্ষেত্রে দৈন্যদশার ছাপ লক্ষ করা যায়।
২. গন্তব্যস্থলের দেশের ওপর প্রভাব: গন্তব্যস্থলের ওপর আন্তর্জাতিক অভিগমনের প্রভাব সম্পর্কে নিচে উল্লেখ করা হলো:
i. মানুষের জীবন চলার পথে বিভিন্ন সংস্কৃতির মিশ্রণ ঘটে।
ii. জ্ঞানসম্পন্ন মানুষের আগমনে মানব সম্পদের উন্নতি ঘটে।
iii. সমাজে বিভিন্ন জাতির মিশ্রণে সমাজব্যবস্থা ভালো হতে পারে আবার সমাজব্যবস্থায় অবনতি ঘটতে পারে।
iv. মেধাবী জনগণের আগমনে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে, যেমন': চিকিৎসা, পবেষণা, শিক্ষা প্রভৃতিতে ব্যাপক উন্নতিসাধিত হয়।
V. দক্ষ ও নিপুণ শ্রমিকের আগমনে দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়-বাণিজ্যের উন্নতি ঘটে।
vi. অতি মাত্রায় অভিবাসন ঘটলে জনসংখ্যার ওপর চাপ পড়ে।