উদ্দীপকে তাসরীফের পুকুরে রাজপুঁটি মাছ ক্ষত রোগে আক্রান্ত হওয়ায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তাকে মাছের রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। নিচে মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করা হলো-
পুকুরে মাছ ভেসে উঠা এবং দেহে লাল দাগ ও ক্ষতের উপস্থিতি মাছের ক্ষত রোগের স্পষ্ট লক্ষণ। এ অবস্থায় তাসরীফ নিজের সিদ্ধান্তে কোনো ওষুধ ব্যবহার না করে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ গ্রহণ করে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উক্ত রোগের লক্ষণ পর্যালোচনার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে কার্যকর নির্দেশনা প্রদান করেন। মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় তাসরীফ আক্রান্ত মাছের যথাযথ চিকিৎসা করতে পেরেছেন। যার ফলে তার মাছ চাষের ওপর কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে নি এবং আর্থিকভাবে তেমনভাবে ক্ষতিগ্রস্তও হয় নি। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, রোগটি আর অন্য মাছে ছড়ায় নি। মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী তাসরীফ পুকুরে চুন প্রয়োগ, মাছের শোধন, ওষুধ প্রয়োগ ইত্যাদি কাজগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করে মাছের ক্ষত রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধ করতে সক্ষম হন।
তাই বলা যায়, মৎস্য কর্মকর্তার দায়িত্বপূর্ণ পরামর্শগুলো খুবই কার্যকর ও অত্যন্ত যৌক্তিক ছিল।