Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ Psychology 2nd Paper

HSC Psychology 2nd Paper এর Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৪৯৪

প্রশ্ন

Psychology 2nd Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২ : শিশুর আচরণ নিয়ে গবেষণার জন্য ডঃ শাকিল তাঁর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশের টেপরেকর্ডার ও ক্যামেরার ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন।

Jessore · 2025

প্রকল্প কী?

উত্তর

ওয়াইনি ওয়াইটেন এর মতে- "দুই বা ততোধিক চলের মধ্যকার সম্বন্ধ সম্পর্কিত আনুমানিক উক্তিই হলো প্রকল্প।”
পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তিতা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

পরীক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পুনরাবৃত্তি। কোন বিষয় বা ঘটনার উপর বারবার পরীক্ষণ কার্য পরিচালনা করাকে পর্যবেক্ষণের পুনরাবৃত্তি বলা হয়। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পূর্বে পরিক্ষিত কোনো বিষয়কে পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্বক গবেষণা কার্য পরিচালনা করা হয়। পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে একই। গবেষণা বারবার একইভাবে পরিচালনা করে তার ফলাফলের সত্যতা যাচাই করা হয়। তাই পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডঃ শাকিল তাঁর গবেষণায় যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ডা. শাকিল তার গবেষণায় যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- পর্যবেক্ষণ বা নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অনেক আগে থেকে গবেষণায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পরীক্ষণ পদ্ধতির পূর্বে যে পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হতো তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি। এমন কতগুলো ঘটনা রয়েছে যে ঘটনাগুলোকে গবেষণাগারে তৈরি করা যায় না সেসব আচরণ বা ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ বা পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি হলো এমন একটি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যেখানে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো বিষয় বা ঘটনার সামনে উপস্থিত হয়ে, প্রত্যক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, ডা. শাকিল শিশুর আচরণ নিয়ে গবেষণার জন্য পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশের টেপ রেকর্ডার এবং ক্যামেরা ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন। এক্ষেত্রে ডঃ শাকিল যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি।
দৃশ্যকল্প-১ এর ক্ষেত্রে 'AA^{\prime} ও 'BB^{\prime} চলের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A ও B অংশ যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীলচল। নিচে চল দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হলো- গবেষক প্রাণীর আচরণের উপর যে সকল চলের প্রভাব লক্ষ্য করেন সে সকল চলই হচ্ছে অনির্ভরশীল চল। গবেষক তার ইচ্ছা অনুসারে এ চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীগণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় সাধারণত অনির্ভরশীল চল হলো উদ্দীপক। অপরদিকে যে চলের উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অন্য কারো উপর বা অনির্ভরশীল চলের উপর নির্ভর করতে হয় তাকে নির্ভরশীল চল বলা' হয়। অনির্ভরশীল চল পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রাণের আচরণে যেসব পরিবর্তন ঘটে সেগুলোকে বলা হয় নির্ভরশীল চল। নির্ভরশীল চল অনির্ভরশীল চল কর্তৃক সৃষ্ট বা প্রভাবিত, পরিবর্তিত হয়ে থাকে। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় জীবের প্রতিক্রিয়া বা সাড়াই হলো নির্ভরশীল চল। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে ট্রাফিক মোড়ে লাল আলো দেখে একজন ড্রাইভার গাড়ি থামিয়ে ফেলে, এক্ষেত্রে লাল আলো হলো অনির্ভরশীল চল এবং ড্রাইভারের গাড়ি থামানো হলো নির্ভরশীল চল ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২ : শিশুর আচরণ নিয়ে গবেষণার জন্য ডঃ শাকিল তাঁর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশের টেপরেকর্ডার ও ক্যামেরার ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন।

Jessore · 2025

প্রকল্প কী?

উত্তর

ওয়াইনি ওয়াইটেন এর মতে- "দুই বা ততোধিক চলের মধ্যকার সম্বন্ধ সম্পর্কিত আনুমানিক উক্তিই হলো প্রকল্প।”
পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তিতা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

পরীক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পুনরাবৃত্তি। কোন বিষয় বা ঘটনার উপর বারবার পরীক্ষণ কার্য পরিচালনা করাকে পর্যবেক্ষণের পুনরাবৃত্তি বলা হয়। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পূর্বে পরিক্ষিত কোনো বিষয়কে পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্বক গবেষণা কার্য পরিচালনা করা হয়। পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে একই। গবেষণা বারবার একইভাবে পরিচালনা করে তার ফলাফলের সত্যতা যাচাই করা হয়। তাই পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডঃ শাকিল তাঁর গবেষণায় যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ডা. শাকিল তার গবেষণায় যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- পর্যবেক্ষণ বা নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অনেক আগে থেকে গবেষণায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পরীক্ষণ পদ্ধতির পূর্বে যে পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হতো তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি। এমন কতগুলো ঘটনা রয়েছে যে ঘটনাগুলোকে গবেষণাগারে তৈরি করা যায় না সেসব আচরণ বা ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ বা পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি হলো এমন একটি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যেখানে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো বিষয় বা ঘটনার সামনে উপস্থিত হয়ে, প্রত্যক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, ডা. শাকিল শিশুর আচরণ নিয়ে গবেষণার জন্য পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশের টেপ রেকর্ডার এবং ক্যামেরা ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন। এক্ষেত্রে ডঃ শাকিল যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি।
দৃশ্যকল্প-১ এর ক্ষেত্রে 'AA^{\prime} ও 'BB^{\prime} চলের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A ও B অংশ যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীলচল। নিচে চল দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হলো- গবেষক প্রাণীর আচরণের উপর যে সকল চলের প্রভাব লক্ষ্য করেন সে সকল চলই হচ্ছে অনির্ভরশীল চল। গবেষক তার ইচ্ছা অনুসারে এ চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীগণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় সাধারণত অনির্ভরশীল চল হলো উদ্দীপক। অপরদিকে যে চলের উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অন্য কারো উপর বা অনির্ভরশীল চলের উপর নির্ভর করতে হয় তাকে নির্ভরশীল চল বলা' হয়। অনির্ভরশীল চল পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রাণের আচরণে যেসব পরিবর্তন ঘটে সেগুলোকে বলা হয় নির্ভরশীল চল। নির্ভরশীল চল অনির্ভরশীল চল কর্তৃক সৃষ্ট বা প্রভাবিত, পরিবর্তিত হয়ে থাকে। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় জীবের প্রতিক্রিয়া বা সাড়াই হলো নির্ভরশীল চল। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে ট্রাফিক মোড়ে লাল আলো দেখে একজন ড্রাইভার গাড়ি থামিয়ে ফেলে, এক্ষেত্রে লাল আলো হলো অনির্ভরশীল চল এবং ড্রাইভারের গাড়ি থামানো হলো নির্ভরশীল চল ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

প্রকল্প কী?

উত্তর

ওয়াইনি ওয়াইটেন এর মতে- "দুই বা ততোধিক চলের মধ্যকার সম্বন্ধ সম্পর্কিত আনুমানিক উক্তিই হলো প্রকল্প।”
পরীক্ষণকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কেন?

উত্তর

মনোবিজ্ঞানে ব্যবহৃত পদ্ধতি সমূহের মধ্যে পরীক্ষণ পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি মনে করা হয় এবং মনোবিজ্ঞানীগণ অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে এ পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে থাকেন। পরীক্ষণ পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কারণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির যে সকল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন- কার্যকরী সংজ্ঞা প্রদান, বস্তুনিষ্ঠতা, নিয়ন্ত্রণ, পুনরাবৃত্তি, যথার্থতা প্রমাণ, প্রভৃতি সবই পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বর্তমান রয়েছে। মনোবিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক চরিত্র অর্জন করা সম্ভব হয়েছে এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাহায্যে। তাই পরীক্ষণ পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর ছকটি দ্বারা চল নিয়ন্ত্রণের কোন কৌশলটি নির্দেশ করে? বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর ছকটি দ্বারা চল নিয়ন্ত্রণের তুল্য মূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশলটি নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে তা বর্ণনা করা হলো- এমন কতগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয় একটি দলকে পরীক্ষণ দল অন্য দলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। এ দুটি দল সব শর্তের দিক থেকে সমান বা সমতুল্য থাকবে পার্থক্য শুধু এই যে পরীক্ষণ দলে অনির্ভরশীল চল প্রয়োগ করা হয় কিন্তু নিয়ন্ত্রিত দলে উক্ত চল প্রয়োগ করা হয় না। উদ্দীপকে দেখা যায় একটি পরীক্ষণের জন্য ২০ জন পুরুষ এবং ৩০ জন মহিলাকে পরীক্ষণপাত্র হিসেবে নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টির মাধ্যমে ২০ জন পুরুষকে দুটি দলে ১০ জন করে আবার ৩০ জন মহিলাকে পরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রিত দলে ১৫ জন করে ভাগ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চল নিয়ন্ত্রণের তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-২ এর A ও B বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ A ও B অংশ দুটি নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির প্রকারভেদ প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ ও পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ : প্রাকৃতিক পরিবেশের সংঘটিত কোনো ঘটনাকে অনুরূপভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলতে মূলত প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণে দুটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যথা- ১. পর্যবেক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে পরীক্ষণপাত্রের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। ২. পরীক্ষণ পাত্রের স্বাভাবিক আচরণ যাতে বিঘ্নিত না হয়, পর্যবেক্ষণকারী সেদিকে খেয়াল রাখেন। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ তখনই সর্বোত্তম পর্যবেক্ষণ হবে, যখন পরীক্ষণ পাত্র বুঝতে না পারে যে তাকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে প্রাণীর আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। যে সকল ঘটনাকে পরীক্ষাগারে তৈরি করা বা পুনরুৎপাদন করা যায় না, যেমন- বিবাহ বিচ্ছেদ, সামাজিক সংঘর্ষ, দুর্ভিক্ষ, দাঙ্গা ইত্যাদি ঘটনার কারণ নির্ধারণের জন্য মনোবিজ্ঞানী প্রকৃত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সাহায্যে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট শর্তাবলি খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন। পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ : যখন কোনো পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তাকে পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ বলে। এক্ষেত্রে ঘটনার কোন কোন উপাদান পর্যবেক্ষণ করতে হবে, কখন এবং কিভাবে করতে হবে, কি কি উপকরণ উপস্থাপন করতে হবে তা আগে থেকে নির্দিষ্ট করা থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

প্রকল্প কী?

উত্তর

ওয়াইনি ওয়াইটেন এর মতে- "দুই বা ততোধিক চলের মধ্যকার সম্বন্ধ সম্পর্কিত আনুমানিক উক্তিই হলো প্রকল্প।”
পরীক্ষণকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কেন?

উত্তর

মনোবিজ্ঞানে ব্যবহৃত পদ্ধতি সমূহের মধ্যে পরীক্ষণ পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি মনে করা হয় এবং মনোবিজ্ঞানীগণ অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে এ পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে থাকেন। পরীক্ষণ পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কারণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির যে সকল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন- কার্যকরী সংজ্ঞা প্রদান, বস্তুনিষ্ঠতা, নিয়ন্ত্রণ, পুনরাবৃত্তি, যথার্থতা প্রমাণ, প্রভৃতি সবই পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বর্তমান রয়েছে। মনোবিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক চরিত্র অর্জন করা সম্ভব হয়েছে এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাহায্যে। তাই পরীক্ষণ পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর ছকটি দ্বারা চল নিয়ন্ত্রণের কোন কৌশলটি নির্দেশ করে? বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর ছকটি দ্বারা চল নিয়ন্ত্রণের তুল্য মূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশলটি নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে তা বর্ণনা করা হলো- এমন কতগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয় একটি দলকে পরীক্ষণ দল অন্য দলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। এ দুটি দল সব শর্তের দিক থেকে সমান বা সমতুল্য থাকবে পার্থক্য শুধু এই যে পরীক্ষণ দলে অনির্ভরশীল চল প্রয়োগ করা হয় কিন্তু নিয়ন্ত্রিত দলে উক্ত চল প্রয়োগ করা হয় না। উদ্দীপকে দেখা যায় একটি পরীক্ষণের জন্য ২০ জন পুরুষ এবং ৩০ জন মহিলাকে পরীক্ষণপাত্র হিসেবে নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টির মাধ্যমে ২০ জন পুরুষকে দুটি দলে ১০ জন করে আবার ৩০ জন মহিলাকে পরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রিত দলে ১৫ জন করে ভাগ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চল নিয়ন্ত্রণের তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-২ এর A ও B বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ A ও B অংশ দুটি নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির প্রকারভেদ প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ ও পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ : প্রাকৃতিক পরিবেশের সংঘটিত কোনো ঘটনাকে অনুরূপভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলতে মূলত প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণে দুটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যথা- ১. পর্যবেক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে পরীক্ষণপাত্রের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। ২. পরীক্ষণ পাত্রের স্বাভাবিক আচরণ যাতে বিঘ্নিত না হয়, পর্যবেক্ষণকারী সেদিকে খেয়াল রাখেন। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ তখনই সর্বোত্তম পর্যবেক্ষণ হবে, যখন পরীক্ষণ পাত্র বুঝতে না পারে যে তাকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে প্রাণীর আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। যে সকল ঘটনাকে পরীক্ষাগারে তৈরি করা বা পুনরুৎপাদন করা যায় না, যেমন- বিবাহ বিচ্ছেদ, সামাজিক সংঘর্ষ, দুর্ভিক্ষ, দাঙ্গা ইত্যাদি ঘটনার কারণ নির্ধারণের জন্য মনোবিজ্ঞানী প্রকৃত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সাহায্যে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট শর্তাবলি খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন। পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ : যখন কোনো পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তাকে পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ বলে। এক্ষেত্রে ঘটনার কোন কোন উপাদান পর্যবেক্ষণ করতে হবে, কখন এবং কিভাবে করতে হবে, কি কি উপকরণ উপস্থাপন করতে হবে তা আগে থেকে নির্দিষ্ট করা থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি কী?

উত্তর

ক্রাইডার ও তার সহযোগীদের মতে, “বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো একটি সমস্যার সনাক্তকরণ, উপাত্ত সংগ্রহ করণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং এর সিদ্ধান্তের সত্যতা যাচাইকরণের একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।”
পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক কেন?

উত্তর

পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণ পাত্রের উপর একটি চল প্রয়োগ করা হয় এবং এর ফলে দ্বিতীয় চলে কোনো পরিবর্তন আসে কিনা তা যাচাই-বাছাই করা হয়। এক্ষেত্রে পরিবেশের নিয়ন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। নিয়ন্ত্রণ বলতে মূলত পরীক্ষানাধীন চলের কার্যকারিতাকে পারিপার্শ্বিক সকল অবস্থার প্রভাব থেকে মুক্ত রাখার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে সাধারণত অনির্ভরশীল চলের সঙ্গে নির্ভরশীল চলের সম্পর্ক সুস্পষ্টভাবে অনুধাবন করার উদ্দেশ্যে সব রকম অবাঞ্চিত চলকে ধ্রুব রেখে পরীক্ষণকার্য পরিচালনা করা হয়। তাই পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক।
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রে 'CC^{\prime} ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রের C অংশ মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চলকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চল অনির্ভরশীল চলের মধ্যে সংযোগ বা সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে। আমরা জানি, ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্যের ফলেও আচরণের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে যেসব চলের উদ্ভব হয় তাকে মধ্যবর্তী চল বলে। এটা অন্তবর্তী বা জৈবিক চল নামেও পরিচিত। যেমন- বয়স, লিঙ্গ, অভ্যাস, অভিজ্ঞতা, প্রেষণা ইত্যাদি মধ্যবর্তী চল। যেমন- কোনো বিষয়ে মুখস্থ করার ক্ষেত্রে লিঙ্গ ভেদে অর্থাৎ বালক ও বালিকার মুখস্ত করার সময় তারতম্য হতে পারে। এক্ষেত্রে লিঙ্গ মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চল হিসেবে কাজ করছে।
উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্রে 'AA^{\prime} এবং 'DD^{\prime} বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্রে A এবং D অংশ যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চলকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- অনির্ভরশীল চল: পরীক্ষণকারী পরীক্ষণ পাত্রের উপর যে চলের প্রভাব লক্ষ্য করেন তাই হলো অনির্ভরশীল চল। গবেষক তার ইচ্ছা অনুসারে অনির্ভরশীল চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় সাধারণত অনির্ভরশীল চল হলো উদ্দীপক। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় অনির্ভরশীল চল হলো প্রাকৃতিক উদ্দীপক যা ইন্দ্রিয় সমূহের উপর আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম। মনোবিজ্ঞানীরা এজন্য শব্দ, আলোকরশ্মি, বিদ্যুৎ প্রবাহ, ইত্যাদিকে উদ্দীপক বা অনির্ভরশীল চল হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। বাহ্যিক চল: বাহ্যিক পরিবেশ থেকে যে চলের উদ্ভব হয় তাকে বাহ্যিক চল বলা যেতে পারে। এটি পরিবেশগত চল নামেও পরিচিত। এ চলগুলো পরীক্ষণকারী কর্তৃক আরোপিত নয় অথচ এগুলো ঘটনাক্রমে পরীক্ষণের সাথে সম্পর্কিত হয়ে পড়ে এবং আচরণের উপর প্রভাব বিস্তার করে। যেমন- গবেষণাগারের তাপমাত্রা, পারিপার্শ্বিক এলাকার গোলমাল, মিছিলের স্লোগান প্রভৃতি বাহ্যিক চলের উদাহরণ

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি কী?

উত্তর

ক্রাইডার ও তার সহযোগীদের মতে, “বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো একটি সমস্যার সনাক্তকরণ, উপাত্ত সংগ্রহ করণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং এর সিদ্ধান্তের সত্যতা যাচাইকরণের একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।”
পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক কেন?

উত্তর

পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণ পাত্রের উপর একটি চল প্রয়োগ করা হয় এবং এর ফলে দ্বিতীয় চলে কোনো পরিবর্তন আসে কিনা তা যাচাই-বাছাই করা হয়। এক্ষেত্রে পরিবেশের নিয়ন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। নিয়ন্ত্রণ বলতে মূলত পরীক্ষানাধীন চলের কার্যকারিতাকে পারিপার্শ্বিক সকল অবস্থার প্রভাব থেকে মুক্ত রাখার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে সাধারণত অনির্ভরশীল চলের সঙ্গে নির্ভরশীল চলের সম্পর্ক সুস্পষ্টভাবে অনুধাবন করার উদ্দেশ্যে সব রকম অবাঞ্চিত চলকে ধ্রুব রেখে পরীক্ষণকার্য পরিচালনা করা হয়। তাই পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক।
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রে 'CC^{\prime} ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রের C অংশ মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চলকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চল অনির্ভরশীল চলের মধ্যে সংযোগ বা সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে। আমরা জানি, ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্যের ফলেও আচরণের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে যেসব চলের উদ্ভব হয় তাকে মধ্যবর্তী চল বলে। এটা অন্তবর্তী বা জৈবিক চল নামেও পরিচিত। যেমন- বয়স, লিঙ্গ, অভ্যাস, অভিজ্ঞতা, প্রেষণা ইত্যাদি মধ্যবর্তী চল। যেমন- কোনো বিষয়ে মুখস্থ করার ক্ষেত্রে লিঙ্গ ভেদে অর্থাৎ বালক ও বালিকার মুখস্ত করার সময় তারতম্য হতে পারে। এক্ষেত্রে লিঙ্গ মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চল হিসেবে কাজ করছে।
উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্রে 'AA^{\prime} এবং 'DD^{\prime} বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্রে A এবং D অংশ যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চলকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- অনির্ভরশীল চল: পরীক্ষণকারী পরীক্ষণ পাত্রের উপর যে চলের প্রভাব লক্ষ্য করেন তাই হলো অনির্ভরশীল চল। গবেষক তার ইচ্ছা অনুসারে অনির্ভরশীল চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় সাধারণত অনির্ভরশীল চল হলো উদ্দীপক। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় অনির্ভরশীল চল হলো প্রাকৃতিক উদ্দীপক যা ইন্দ্রিয় সমূহের উপর আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম। মনোবিজ্ঞানীরা এজন্য শব্দ, আলোকরশ্মি, বিদ্যুৎ প্রবাহ, ইত্যাদিকে উদ্দীপক বা অনির্ভরশীল চল হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। বাহ্যিক চল: বাহ্যিক পরিবেশ থেকে যে চলের উদ্ভব হয় তাকে বাহ্যিক চল বলা যেতে পারে। এটি পরিবেশগত চল নামেও পরিচিত। এ চলগুলো পরীক্ষণকারী কর্তৃক আরোপিত নয় অথচ এগুলো ঘটনাক্রমে পরীক্ষণের সাথে সম্পর্কিত হয়ে পড়ে এবং আচরণের উপর প্রভাব বিস্তার করে। যেমন- গবেষণাগারের তাপমাত্রা, পারিপার্শ্বিক এলাকার গোলমাল, মিছিলের স্লোগান প্রভৃতি বাহ্যিক চলের উদাহরণ

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২ : শিশুর আচরণ নিয়ে গবেষণার জন্য ডঃ শাকিল তাঁর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশের টেপরেকর্ডার ও ক্যামেরার ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন।

Jessore · 2025

প্রকল্প কী?

উত্তর

ওয়াইনি ওয়াইটেন এর মতে- "দুই বা ততোধিক চলের মধ্যকার সম্বন্ধ সম্পর্কিত আনুমানিক উক্তিই হলো প্রকল্প।”
পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তিতা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

পরীক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পুনরাবৃত্তি। কোন বিষয় বা ঘটনার উপর বারবার পরীক্ষণ কার্য পরিচালনা করাকে পর্যবেক্ষণের পুনরাবৃত্তি বলা হয়। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পূর্বে পরিক্ষিত কোনো বিষয়কে পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্বক গবেষণা কার্য পরিচালনা করা হয়। পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে একই। গবেষণা বারবার একইভাবে পরিচালনা করে তার ফলাফলের সত্যতা যাচাই করা হয়। তাই পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডঃ শাকিল তাঁর গবেষণায় যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ডা. শাকিল তার গবেষণায় যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- পর্যবেক্ষণ বা নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অনেক আগে থেকে গবেষণায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পরীক্ষণ পদ্ধতির পূর্বে যে পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হতো তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি। এমন কতগুলো ঘটনা রয়েছে যে ঘটনাগুলোকে গবেষণাগারে তৈরি করা যায় না সেসব আচরণ বা ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ বা পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি হলো এমন একটি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যেখানে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো বিষয় বা ঘটনার সামনে উপস্থিত হয়ে, প্রত্যক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, ডা. শাকিল শিশুর আচরণ নিয়ে গবেষণার জন্য পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশের টেপ রেকর্ডার এবং ক্যামেরা ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন। এক্ষেত্রে ডঃ শাকিল যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি।
দৃশ্যকল্প-১ এর ক্ষেত্রে 'AA^{\prime} ও 'BB^{\prime} চলের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A ও B অংশ যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীলচল। নিচে চল দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হলো- গবেষক প্রাণীর আচরণের উপর যে সকল চলের প্রভাব লক্ষ্য করেন সে সকল চলই হচ্ছে অনির্ভরশীল চল। গবেষক তার ইচ্ছা অনুসারে এ চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীগণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় সাধারণত অনির্ভরশীল চল হলো উদ্দীপক। অপরদিকে যে চলের উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অন্য কারো উপর বা অনির্ভরশীল চলের উপর নির্ভর করতে হয় তাকে নির্ভরশীল চল বলা' হয়। অনির্ভরশীল চল পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রাণের আচরণে যেসব পরিবর্তন ঘটে সেগুলোকে বলা হয় নির্ভরশীল চল। নির্ভরশীল চল অনির্ভরশীল চল কর্তৃক সৃষ্ট বা প্রভাবিত, পরিবর্তিত হয়ে থাকে। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় জীবের প্রতিক্রিয়া বা সাড়াই হলো নির্ভরশীল চল। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে ট্রাফিক মোড়ে লাল আলো দেখে একজন ড্রাইভার গাড়ি থামিয়ে ফেলে, এক্ষেত্রে লাল আলো হলো অনির্ভরশীল চল এবং ড্রাইভারের গাড়ি থামানো হলো নির্ভরশীল চল ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

দৃশ্যকল্প-১: question image দৃশ্যকল্প-২ : শিশুর আচরণ নিয়ে গবেষণার জন্য ডঃ শাকিল তাঁর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশের টেপরেকর্ডার ও ক্যামেরার ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন।

Jessore · 2025

প্রকল্প কী?

উত্তর

ওয়াইনি ওয়াইটেন এর মতে- "দুই বা ততোধিক চলের মধ্যকার সম্বন্ধ সম্পর্কিত আনুমানিক উক্তিই হলো প্রকল্প।”
পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তিতা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উত্তর

পরীক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পুনরাবৃত্তি। কোন বিষয় বা ঘটনার উপর বারবার পরীক্ষণ কার্য পরিচালনা করাকে পর্যবেক্ষণের পুনরাবৃত্তি বলা হয়। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পূর্বে পরিক্ষিত কোনো বিষয়কে পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্বক গবেষণা কার্য পরিচালনা করা হয়। পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে একই। গবেষণা বারবার একইভাবে পরিচালনা করে তার ফলাফলের সত্যতা যাচাই করা হয়। তাই পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ডঃ শাকিল তাঁর গবেষণায় যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ডা. শাকিল তার গবেষণায় যে পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- পর্যবেক্ষণ বা নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অনেক আগে থেকে গবেষণায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পরীক্ষণ পদ্ধতির পূর্বে যে পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হতো তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি। এমন কতগুলো ঘটনা রয়েছে যে ঘটনাগুলোকে গবেষণাগারে তৈরি করা যায় না সেসব আচরণ বা ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ বা পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি হলো এমন একটি অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যেখানে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোনো বিষয় বা ঘটনার সামনে উপস্থিত হয়ে, প্রত্যক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। উদ্দীপকে দেখা যায়, ডা. শাকিল শিশুর আচরণ নিয়ে গবেষণার জন্য পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশের টেপ রেকর্ডার এবং ক্যামেরা ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন। এক্ষেত্রে ডঃ শাকিল যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন তা হলো নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি।
দৃশ্যকল্প-১ এর ক্ষেত্রে 'AA^{\prime} ও 'BB^{\prime} চলের পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর A ও B অংশ যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীলচল। নিচে চল দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক বিশ্লেষণ করা হলো- গবেষক প্রাণীর আচরণের উপর যে সকল চলের প্রভাব লক্ষ্য করেন সে সকল চলই হচ্ছে অনির্ভরশীল চল। গবেষক তার ইচ্ছা অনুসারে এ চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীগণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় সাধারণত অনির্ভরশীল চল হলো উদ্দীপক। অপরদিকে যে চলের উপস্থিতি বা সৃষ্টির জন্য অন্য কারো উপর বা অনির্ভরশীল চলের উপর নির্ভর করতে হয় তাকে নির্ভরশীল চল বলা' হয়। অনির্ভরশীল চল পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রাণের আচরণে যেসব পরিবর্তন ঘটে সেগুলোকে বলা হয় নির্ভরশীল চল। নির্ভরশীল চল অনির্ভরশীল চল কর্তৃক সৃষ্ট বা প্রভাবিত, পরিবর্তিত হয়ে থাকে। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় জীবের প্রতিক্রিয়া বা সাড়াই হলো নির্ভরশীল চল। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে ট্রাফিক মোড়ে লাল আলো দেখে একজন ড্রাইভার গাড়ি থামিয়ে ফেলে, এক্ষেত্রে লাল আলো হলো অনির্ভরশীল চল এবং ড্রাইভারের গাড়ি থামানো হলো নির্ভরশীল চল ।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

প্রকল্প কী?

উত্তর

ওয়াইনি ওয়াইটেন এর মতে- "দুই বা ততোধিক চলের মধ্যকার সম্বন্ধ সম্পর্কিত আনুমানিক উক্তিই হলো প্রকল্প।”
পরীক্ষণকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কেন?

উত্তর

মনোবিজ্ঞানে ব্যবহৃত পদ্ধতি সমূহের মধ্যে পরীক্ষণ পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি মনে করা হয় এবং মনোবিজ্ঞানীগণ অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে এ পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে থাকেন। পরীক্ষণ পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কারণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির যে সকল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন- কার্যকরী সংজ্ঞা প্রদান, বস্তুনিষ্ঠতা, নিয়ন্ত্রণ, পুনরাবৃত্তি, যথার্থতা প্রমাণ, প্রভৃতি সবই পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বর্তমান রয়েছে। মনোবিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক চরিত্র অর্জন করা সম্ভব হয়েছে এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাহায্যে। তাই পরীক্ষণ পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর ছকটি দ্বারা চল নিয়ন্ত্রণের কোন কৌশলটি নির্দেশ করে? বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর ছকটি দ্বারা চল নিয়ন্ত্রণের তুল্য মূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশলটি নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে তা বর্ণনা করা হলো- এমন কতগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয় একটি দলকে পরীক্ষণ দল অন্য দলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। এ দুটি দল সব শর্তের দিক থেকে সমান বা সমতুল্য থাকবে পার্থক্য শুধু এই যে পরীক্ষণ দলে অনির্ভরশীল চল প্রয়োগ করা হয় কিন্তু নিয়ন্ত্রিত দলে উক্ত চল প্রয়োগ করা হয় না। উদ্দীপকে দেখা যায় একটি পরীক্ষণের জন্য ২০ জন পুরুষ এবং ৩০ জন মহিলাকে পরীক্ষণপাত্র হিসেবে নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টির মাধ্যমে ২০ জন পুরুষকে দুটি দলে ১০ জন করে আবার ৩০ জন মহিলাকে পরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রিত দলে ১৫ জন করে ভাগ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চল নিয়ন্ত্রণের তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-২ এর A ও B বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ A ও B অংশ দুটি নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির প্রকারভেদ প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ ও পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ : প্রাকৃতিক পরিবেশের সংঘটিত কোনো ঘটনাকে অনুরূপভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলতে মূলত প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণে দুটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যথা- ১. পর্যবেক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে পরীক্ষণপাত্রের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। ২. পরীক্ষণ পাত্রের স্বাভাবিক আচরণ যাতে বিঘ্নিত না হয়, পর্যবেক্ষণকারী সেদিকে খেয়াল রাখেন। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ তখনই সর্বোত্তম পর্যবেক্ষণ হবে, যখন পরীক্ষণ পাত্র বুঝতে না পারে যে তাকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে প্রাণীর আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। যে সকল ঘটনাকে পরীক্ষাগারে তৈরি করা বা পুনরুৎপাদন করা যায় না, যেমন- বিবাহ বিচ্ছেদ, সামাজিক সংঘর্ষ, দুর্ভিক্ষ, দাঙ্গা ইত্যাদি ঘটনার কারণ নির্ধারণের জন্য মনোবিজ্ঞানী প্রকৃত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সাহায্যে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট শর্তাবলি খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন। পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ : যখন কোনো পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তাকে পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ বলে। এক্ষেত্রে ঘটনার কোন কোন উপাদান পর্যবেক্ষণ করতে হবে, কখন এবং কিভাবে করতে হবে, কি কি উপকরণ উপস্থাপন করতে হবে তা আগে থেকে নির্দিষ্ট করা থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

প্রকল্প কী?

উত্তর

ওয়াইনি ওয়াইটেন এর মতে- "দুই বা ততোধিক চলের মধ্যকার সম্বন্ধ সম্পর্কিত আনুমানিক উক্তিই হলো প্রকল্প।”
পরীক্ষণকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কেন?

উত্তর

মনোবিজ্ঞানে ব্যবহৃত পদ্ধতি সমূহের মধ্যে পরীক্ষণ পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি মনে করা হয় এবং মনোবিজ্ঞানীগণ অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে এ পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে থাকেন। পরীক্ষণ পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয় কারণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির যে সকল বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেমন- কার্যকরী সংজ্ঞা প্রদান, বস্তুনিষ্ঠতা, নিয়ন্ত্রণ, পুনরাবৃত্তি, যথার্থতা প্রমাণ, প্রভৃতি সবই পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বর্তমান রয়েছে। মনোবিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক চরিত্র অর্জন করা সম্ভব হয়েছে এই বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাহায্যে। তাই পরীক্ষণ পদ্ধতিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলা হয়।
দৃশ্যকল্প-১ এর ছকটি দ্বারা চল নিয়ন্ত্রণের কোন কৌশলটি নির্দেশ করে? বর্ণনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-১ এর ছকটি দ্বারা চল নিয়ন্ত্রণের তুল্য মূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশলটি নির্দেশ করা হয়েছে। নিচে তা বর্ণনা করা হলো- এমন কতগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয় একটি দলকে পরীক্ষণ দল অন্য দলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। এ দুটি দল সব শর্তের দিক থেকে সমান বা সমতুল্য থাকবে পার্থক্য শুধু এই যে পরীক্ষণ দলে অনির্ভরশীল চল প্রয়োগ করা হয় কিন্তু নিয়ন্ত্রিত দলে উক্ত চল প্রয়োগ করা হয় না। উদ্দীপকে দেখা যায় একটি পরীক্ষণের জন্য ২০ জন পুরুষ এবং ৩০ জন মহিলাকে পরীক্ষণপাত্র হিসেবে নেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টির মাধ্যমে ২০ জন পুরুষকে দুটি দলে ১০ জন করে আবার ৩০ জন মহিলাকে পরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রিত দলে ১৫ জন করে ভাগ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চল নিয়ন্ত্রণের তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।
দৃশ্যকল্প-২ এর A ও B বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ A ও B অংশ দুটি নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির প্রকারভেদ প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ ও পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ : প্রাকৃতিক পরিবেশের সংঘটিত কোনো ঘটনাকে অনুরূপভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলতে মূলত প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণে দুটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যথা- ১. পর্যবেক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে পরীক্ষণপাত্রের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। ২. পরীক্ষণ পাত্রের স্বাভাবিক আচরণ যাতে বিঘ্নিত না হয়, পর্যবেক্ষণকারী সেদিকে খেয়াল রাখেন। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ তখনই সর্বোত্তম পর্যবেক্ষণ হবে, যখন পরীক্ষণ পাত্র বুঝতে না পারে যে তাকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে প্রাণীর আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। যে সকল ঘটনাকে পরীক্ষাগারে তৈরি করা বা পুনরুৎপাদন করা যায় না, যেমন- বিবাহ বিচ্ছেদ, সামাজিক সংঘর্ষ, দুর্ভিক্ষ, দাঙ্গা ইত্যাদি ঘটনার কারণ নির্ধারণের জন্য মনোবিজ্ঞানী প্রকৃত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সাহায্যে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট শর্তাবলি খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন। পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ : যখন কোনো পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তাকে পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ বলে। এক্ষেত্রে ঘটনার কোন কোন উপাদান পর্যবেক্ষণ করতে হবে, কখন এবং কিভাবে করতে হবে, কি কি উপকরণ উপস্থাপন করতে হবে তা আগে থেকে নির্দিষ্ট করা থাকে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি কী?

উত্তর

ক্রাইডার ও তার সহযোগীদের মতে, “বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো একটি সমস্যার সনাক্তকরণ, উপাত্ত সংগ্রহ করণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং এর সিদ্ধান্তের সত্যতা যাচাইকরণের একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।”
পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক কেন?

উত্তর

পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণ পাত্রের উপর একটি চল প্রয়োগ করা হয় এবং এর ফলে দ্বিতীয় চলে কোনো পরিবর্তন আসে কিনা তা যাচাই-বাছাই করা হয়। এক্ষেত্রে পরিবেশের নিয়ন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। নিয়ন্ত্রণ বলতে মূলত পরীক্ষানাধীন চলের কার্যকারিতাকে পারিপার্শ্বিক সকল অবস্থার প্রভাব থেকে মুক্ত রাখার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে সাধারণত অনির্ভরশীল চলের সঙ্গে নির্ভরশীল চলের সম্পর্ক সুস্পষ্টভাবে অনুধাবন করার উদ্দেশ্যে সব রকম অবাঞ্চিত চলকে ধ্রুব রেখে পরীক্ষণকার্য পরিচালনা করা হয়। তাই পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক।
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রে 'CC^{\prime} ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রের C অংশ মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চলকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চল অনির্ভরশীল চলের মধ্যে সংযোগ বা সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে। আমরা জানি, ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্যের ফলেও আচরণের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে যেসব চলের উদ্ভব হয় তাকে মধ্যবর্তী চল বলে। এটা অন্তবর্তী বা জৈবিক চল নামেও পরিচিত। যেমন- বয়স, লিঙ্গ, অভ্যাস, অভিজ্ঞতা, প্রেষণা ইত্যাদি মধ্যবর্তী চল। যেমন- কোনো বিষয়ে মুখস্থ করার ক্ষেত্রে লিঙ্গ ভেদে অর্থাৎ বালক ও বালিকার মুখস্ত করার সময় তারতম্য হতে পারে। এক্ষেত্রে লিঙ্গ মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চল হিসেবে কাজ করছে।
উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্রে 'AA^{\prime} এবং 'DD^{\prime} বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্রে A এবং D অংশ যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চলকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- অনির্ভরশীল চল: পরীক্ষণকারী পরীক্ষণ পাত্রের উপর যে চলের প্রভাব লক্ষ্য করেন তাই হলো অনির্ভরশীল চল। গবেষক তার ইচ্ছা অনুসারে অনির্ভরশীল চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় সাধারণত অনির্ভরশীল চল হলো উদ্দীপক। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় অনির্ভরশীল চল হলো প্রাকৃতিক উদ্দীপক যা ইন্দ্রিয় সমূহের উপর আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম। মনোবিজ্ঞানীরা এজন্য শব্দ, আলোকরশ্মি, বিদ্যুৎ প্রবাহ, ইত্যাদিকে উদ্দীপক বা অনির্ভরশীল চল হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। বাহ্যিক চল: বাহ্যিক পরিবেশ থেকে যে চলের উদ্ভব হয় তাকে বাহ্যিক চল বলা যেতে পারে। এটি পরিবেশগত চল নামেও পরিচিত। এ চলগুলো পরীক্ষণকারী কর্তৃক আরোপিত নয় অথচ এগুলো ঘটনাক্রমে পরীক্ষণের সাথে সম্পর্কিত হয়ে পড়ে এবং আচরণের উপর প্রভাব বিস্তার করে। যেমন- গবেষণাগারের তাপমাত্রা, পারিপার্শ্বিক এলাকার গোলমাল, মিছিলের স্লোগান প্রভৃতি বাহ্যিক চলের উদাহরণ

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 2nd Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি কী?

উত্তর

ক্রাইডার ও তার সহযোগীদের মতে, “বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হলো একটি সমস্যার সনাক্তকরণ, উপাত্ত সংগ্রহ করণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং এর সিদ্ধান্তের সত্যতা যাচাইকরণের একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।”
পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক কেন?

উত্তর

পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণ পাত্রের উপর একটি চল প্রয়োগ করা হয় এবং এর ফলে দ্বিতীয় চলে কোনো পরিবর্তন আসে কিনা তা যাচাই-বাছাই করা হয়। এক্ষেত্রে পরিবেশের নিয়ন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। নিয়ন্ত্রণ বলতে মূলত পরীক্ষানাধীন চলের কার্যকারিতাকে পারিপার্শ্বিক সকল অবস্থার প্রভাব থেকে মুক্ত রাখার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে সাধারণত অনির্ভরশীল চলের সঙ্গে নির্ভরশীল চলের সম্পর্ক সুস্পষ্টভাবে অনুধাবন করার উদ্দেশ্যে সব রকম অবাঞ্চিত চলকে ধ্রুব রেখে পরীক্ষণকার্য পরিচালনা করা হয়। তাই পরীক্ষণে নিয়ন্ত্রণ অত্যাবশ্যক।
উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রে 'CC^{\prime} ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্রের C অংশ মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চলকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চল অনির্ভরশীল চলের মধ্যে সংযোগ বা সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে। আমরা জানি, ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্যের ফলেও আচরণের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে যেসব চলের উদ্ভব হয় তাকে মধ্যবর্তী চল বলে। এটা অন্তবর্তী বা জৈবিক চল নামেও পরিচিত। যেমন- বয়স, লিঙ্গ, অভ্যাস, অভিজ্ঞতা, প্রেষণা ইত্যাদি মধ্যবর্তী চল। যেমন- কোনো বিষয়ে মুখস্থ করার ক্ষেত্রে লিঙ্গ ভেদে অর্থাৎ বালক ও বালিকার মুখস্ত করার সময় তারতম্য হতে পারে। এক্ষেত্রে লিঙ্গ মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চল হিসেবে কাজ করছে।
উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্রে 'AA^{\prime} এবং 'DD^{\prime} বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত চিত্রে A এবং D অংশ যথাক্রমে অনির্ভরশীল চল ও বাহ্যিক চলকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- অনির্ভরশীল চল: পরীক্ষণকারী পরীক্ষণ পাত্রের উপর যে চলের প্রভাব লক্ষ্য করেন তাই হলো অনির্ভরশীল চল। গবেষক তার ইচ্ছা অনুসারে অনির্ভরশীল চলকে হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা করেন। এজন্য মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় সাধারণত অনির্ভরশীল চল হলো উদ্দীপক। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় অনির্ভরশীল চল হলো প্রাকৃতিক উদ্দীপক যা ইন্দ্রিয় সমূহের উপর আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম। মনোবিজ্ঞানীরা এজন্য শব্দ, আলোকরশ্মি, বিদ্যুৎ প্রবাহ, ইত্যাদিকে উদ্দীপক বা অনির্ভরশীল চল হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। বাহ্যিক চল: বাহ্যিক পরিবেশ থেকে যে চলের উদ্ভব হয় তাকে বাহ্যিক চল বলা যেতে পারে। এটি পরিবেশগত চল নামেও পরিচিত। এ চলগুলো পরীক্ষণকারী কর্তৃক আরোপিত নয় অথচ এগুলো ঘটনাক্রমে পরীক্ষণের সাথে সম্পর্কিত হয়ে পড়ে এবং আচরণের উপর প্রভাব বিস্তার করে। যেমন- গবেষণাগারের তাপমাত্রা, পারিপার্শ্বিক এলাকার গোলমাল, মিছিলের স্লোগান প্রভৃতি বাহ্যিক চলের উদাহরণ

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো