দৃশ্যকল্প-২ এ A ও B অংশ দুটি নিয়মতান্ত্রিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির প্রকারভেদ প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ ও পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে নির্দেশ করে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ : প্রাকৃতিক পরিবেশের সংঘটিত কোনো ঘটনাকে অনুরূপভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলতে মূলত প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিকে বোঝানো হয়। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণে দুটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যথা-
১. পর্যবেক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে পরীক্ষণপাত্রের আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন।
২. পরীক্ষণ পাত্রের স্বাভাবিক আচরণ যাতে বিঘ্নিত না হয়, পর্যবেক্ষণকারী সেদিকে খেয়াল রাখেন।
প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ তখনই সর্বোত্তম পর্যবেক্ষণ হবে, যখন পরীক্ষণ পাত্র বুঝতে না পারে যে তাকে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণকারী স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রেখে প্রাণীর আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। যে সকল ঘটনাকে পরীক্ষাগারে তৈরি করা বা পুনরুৎপাদন করা যায় না, যেমন- বিবাহ বিচ্ছেদ, সামাজিক সংঘর্ষ, দুর্ভিক্ষ, দাঙ্গা ইত্যাদি ঘটনার কারণ নির্ধারণের জন্য মনোবিজ্ঞানী প্রকৃত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাকৃতিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির সাহায্যে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট শর্তাবলি খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন।
পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ : যখন কোনো পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাভাবিক পরিবেশে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তাকে পদ্ধতিগত পর্যবেক্ষণ বলে। এক্ষেত্রে ঘটনার কোন কোন উপাদান পর্যবেক্ষণ করতে হবে, কখন এবং কিভাবে করতে হবে, কি কি উপকরণ উপস্থাপন করতে হবে তা আগে থেকে নির্দিষ্ট করা থাকে।