Chapter 1 : মনোবিজ্ঞান পরিচিতি Psychology 1st Paper

HSC Psychology 1st Paper এর Chapter 1 : মনোবিজ্ঞান পরিচিতি অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৪৫৬

প্রশ্ন

Psychology 1st Paper

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

আচরণ কাকে বলে?

উত্তর

কোনো বস্তু বা বিষয়ের সঙ্গে ইন্দ্রিয়ের সংযোগ ঘটলে মায়ুতন্ত্র উদ্দীপিত হয়, ফলে দেহে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই প্রতিক্রিয়াই হলো আচরণ।
আবেগ মানসিক প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত কেন?

উত্তর

মানসিক প্রক্রিয়া বলতে আবেগ, চিন্তন, স্বপ্ন, বিশ্বাস, প্রেষণা, স্মৃতি, প্রত্যক্ষণ প্রভৃতি প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অভাব অনটন যেমন গরিবকে ভাগিয়ে তোলে প্রাচুর্যের আতিশয্যও তেমনি ধনীর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্লাসে প্রথম হবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা ছাত্রের চোখের ঘুম কেড়ে নেয়, আর নাওয়া খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে বিজ্ঞানী সদা ব্যস্ত থাকেন তার নিত্য নতুন আবিষ্কারের সাধনায়। এমনই করে নিরন্তর চলছে মানসিক প্রক্রিয়ার কার্যকলাপ। অর্থাৎ মানসিক প্রক্রিয়া বলতে এরূপ সকল মানসিক কার্যকলাপকে বোঝায় যেগুলো সরাসরি বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। আবেগ এমন মানসিক কার্যকলাপ যা বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, আবেগ একটি মানসিক প্রক্রিয়া।
মনোবিজ্ঞানের পরিধি হিসেবে 'গ' ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মনোবিজ্ঞানের পরিধি হিসেবে উদ্দীপকের "গ" অংশটি জৈব সামাজিক প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। নিচে জৈব সামাজিক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো- মানুষ বা প্রাণী জৈবিক ঘটনাবলি দ্বারা প্রভাবিত। প্রাণীর জৈবিক ঘটনাবলি যেমন- শারীরিক গঠন, জৈব-রাসায়নিক উপাদান, প্রভৃতি এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেহের অভ্যন্তরে এমন কতগুলো গ্রন্থি আছে যেগুলো দেহের গঠন, বুদ্ধির বিকাশ, দেহের সুস্থতা, কার্যক্ষমতা এবং আমাদের ব্যক্তিত্বের উপর বিশেষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। আমাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থিগুলো শরীরের বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ, ব্যক্তিত্বের বিকাশ প্রভৃতি প্রয়োজনীয় কাজ করে। আবার অন্যদিকে মানুষ সামাজিক জীব। মানুষ সমাজে বসবাস করে। একজন মানুষের আচরণ যেমন অন্য জনের আচরণকে প্রভাবিত করে তেমনি অন্যের আচরণ দ্বারাও সে প্রভাবিত হয়। কোনো সমাজের রীতিনীতি, কৃষ্টি ও অর্থ- সামাজিক অবস্থা সে সমাজের মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করে। জৈবিক ঘটনাবলি মানব আচরণ নিয়ন্ত্রণে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তেমনি সামাজিক রীতিনীতি, কৃষ্টি প্রভৃতির ভূমিকা কোনো অংশে কম নয়। তাই বলা যায় মনোবিজ্ঞানের পরিধিতে জৈব সামাজিক প্রক্রিয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
'ক' ও 'খ' এর তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ “ক” ও “খ” আচরণের প্রকারভেদ সামগ্রিক আচরণ ও খণ্ডিত আচরণ এবং ঐচ্ছিক আচরণ ও অনৈচ্ছিক আচরণকে নির্দেশ করে। নিচে এগুলোর তুলনামূলক আলোচনা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সামগ্রিক আচরণ ও খণ্ডিত আচরণ: আচরণকে আমরা সামগ্রিকভাবে দেখে থাকি আবার খণ্ডিত বা বিচ্ছিন্নভাবেও দেখে থাকি। সামগ্রিক আচরণের ক্ষেত্রে একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণকে বিশ্লেষণের একক হিসেবে ধরা হয়। আর খণ্ডিত বা আণবিক আচরণের ক্ষেত্রে আচরণকে খণ্ড খণ্ড উপাদানে বিশ্লেষণ করা হয়। যেমন- নেতার ভাষণ একটি সামগ্রিক আচরণ, আবার তার হাত নাড়ানো, কথা বলা, ঠোঁটের অঙ্গভঙ্গি, চোখের পলক পড়া, নড়াচড়া করা ইত্যাদি খণ্ডিত আচরণ। ২. ঐচ্ছিক আচরণ ও অনৈচ্ছিক আচরণ: যেসব আচরণ ব্যক্তি সচেতন ভাবে করে অর্থাৎ যে সকল আচরণ ব্যক্তির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে সেগুলোকে ঐচ্ছিক আচরণ বলে। যেমন- কথা বলা, হাঁটা, খাবার খাওয়া ইত্যাদি। আবার কতগুলো আচরণ আছে যেগুলো ব্যক্তির ঐচ্ছিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে সেসব আচরণকে অনৈচ্ছিক আচরণ বলে। যেমন- হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস প্রভৃতি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

আচরণ কাকে বলে?

উত্তর

কোনো বস্তু বা বিষয়ের সঙ্গে ইন্দ্রিয়ের সংযোগ ঘটলে মায়ুতন্ত্র উদ্দীপিত হয়, ফলে দেহে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই প্রতিক্রিয়াই হলো আচরণ।
আবেগ মানসিক প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত কেন?

উত্তর

মানসিক প্রক্রিয়া বলতে আবেগ, চিন্তন, স্বপ্ন, বিশ্বাস, প্রেষণা, স্মৃতি, প্রত্যক্ষণ প্রভৃতি প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অভাব অনটন যেমন গরিবকে ভাগিয়ে তোলে প্রাচুর্যের আতিশয্যও তেমনি ধনীর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্লাসে প্রথম হবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা ছাত্রের চোখের ঘুম কেড়ে নেয়, আর নাওয়া খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে বিজ্ঞানী সদা ব্যস্ত থাকেন তার নিত্য নতুন আবিষ্কারের সাধনায়। এমনই করে নিরন্তর চলছে মানসিক প্রক্রিয়ার কার্যকলাপ। অর্থাৎ মানসিক প্রক্রিয়া বলতে এরূপ সকল মানসিক কার্যকলাপকে বোঝায় যেগুলো সরাসরি বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। আবেগ এমন মানসিক কার্যকলাপ যা বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, আবেগ একটি মানসিক প্রক্রিয়া।
মনোবিজ্ঞানের পরিধি হিসেবে 'গ' ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মনোবিজ্ঞানের পরিধি হিসেবে উদ্দীপকের "গ" অংশটি জৈব সামাজিক প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। নিচে জৈব সামাজিক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো- মানুষ বা প্রাণী জৈবিক ঘটনাবলি দ্বারা প্রভাবিত। প্রাণীর জৈবিক ঘটনাবলি যেমন- শারীরিক গঠন, জৈব-রাসায়নিক উপাদান, প্রভৃতি এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেহের অভ্যন্তরে এমন কতগুলো গ্রন্থি আছে যেগুলো দেহের গঠন, বুদ্ধির বিকাশ, দেহের সুস্থতা, কার্যক্ষমতা এবং আমাদের ব্যক্তিত্বের উপর বিশেষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। আমাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থিগুলো শরীরের বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ, ব্যক্তিত্বের বিকাশ প্রভৃতি প্রয়োজনীয় কাজ করে। আবার অন্যদিকে মানুষ সামাজিক জীব। মানুষ সমাজে বসবাস করে। একজন মানুষের আচরণ যেমন অন্য জনের আচরণকে প্রভাবিত করে তেমনি অন্যের আচরণ দ্বারাও সে প্রভাবিত হয়। কোনো সমাজের রীতিনীতি, কৃষ্টি ও অর্থ- সামাজিক অবস্থা সে সমাজের মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করে। জৈবিক ঘটনাবলি মানব আচরণ নিয়ন্ত্রণে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তেমনি সামাজিক রীতিনীতি, কৃষ্টি প্রভৃতির ভূমিকা কোনো অংশে কম নয়। তাই বলা যায় মনোবিজ্ঞানের পরিধিতে জৈব সামাজিক প্রক্রিয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
'ক' ও 'খ' এর তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ “ক” ও “খ” আচরণের প্রকারভেদ সামগ্রিক আচরণ ও খণ্ডিত আচরণ এবং ঐচ্ছিক আচরণ ও অনৈচ্ছিক আচরণকে নির্দেশ করে। নিচে এগুলোর তুলনামূলক আলোচনা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সামগ্রিক আচরণ ও খণ্ডিত আচরণ: আচরণকে আমরা সামগ্রিকভাবে দেখে থাকি আবার খণ্ডিত বা বিচ্ছিন্নভাবেও দেখে থাকি। সামগ্রিক আচরণের ক্ষেত্রে একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণকে বিশ্লেষণের একক হিসেবে ধরা হয়। আর খণ্ডিত বা আণবিক আচরণের ক্ষেত্রে আচরণকে খণ্ড খণ্ড উপাদানে বিশ্লেষণ করা হয়। যেমন- নেতার ভাষণ একটি সামগ্রিক আচরণ, আবার তার হাত নাড়ানো, কথা বলা, ঠোঁটের অঙ্গভঙ্গি, চোখের পলক পড়া, নড়াচড়া করা ইত্যাদি খণ্ডিত আচরণ। ২. ঐচ্ছিক আচরণ ও অনৈচ্ছিক আচরণ: যেসব আচরণ ব্যক্তি সচেতন ভাবে করে অর্থাৎ যে সকল আচরণ ব্যক্তির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে সেগুলোকে ঐচ্ছিক আচরণ বলে। যেমন- কথা বলা, হাঁটা, খাবার খাওয়া ইত্যাদি। আবার কতগুলো আচরণ আছে যেগুলো ব্যক্তির ঐচ্ছিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে সেসব আচরণকে অনৈচ্ছিক আচরণ বলে। যেমন- হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস প্রভৃতি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

পরীক্ষণ মনোবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর

পরীক্ষণ মনোবিজ্ঞানের জনক উইলহেম উন্ড।
সামগ্রিক আচরণ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

স্বাভাবিকভাবে প্রাণী যা কিছু করে তাই আচরণ। অন্যভাবে বল যায় বাইরের পরিবেশ থেকে কোনো উদ্দীপক যখন আমাদের ইন্দ্রিয়ে আঘাত করে তখন আমরা ঐ উদ্দীপকের প্রতি একটি নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয় করি, এ প্রতিক্রিয়াই হলো আচরণ। আচরণকে বিভিন্নভাবে ভাগ কর যেতে পারে যার মধ্যে একটি ভাগ হলো সামগ্রিক আচরণ। আচরণকে আমরা কখনো সামগ্রিকভাবে দেখে থাকি আবার কখনো বিচ্ছিন্নভাবেও দেখে থাকি। কোন আচরণকে যখন একটি পূর্ণাঙ্গ এককে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন তাকে সামগ্রিক আচরণ বলা হয়। অপরদিকে সেই আচরণকে যখন খণ্ড খণ্ড আকারে বিশ্লেষণ করা হয় তখন আমরা তাকে খণ্ডিত আচরণ বলি। যেমন- নেতার ভাষণ একটি সামগ্রিক আচরণ। নেতার ভাষণকে যখন কথা বলা, ঠোঁটের অঙ্গভঙ্গি, নড়াচড়া, তাকানো, হাত নাড়ানো প্রভৃতি খণ্ডে খন্ডে বিভক্ত করি তখন সেগুলো হবে খণ্ডিত আচরণ।
উদ্দীপকে প্রদত্ত 'AA^{\prime} চিহ্নিত স্থানটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত A চিহ্নিত স্থানটি বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো বিষয় বিজ্ঞান হতে হলে অবশ্যই তার বিষয়বস্তু থাকতে হবে। শুধুমাত্র বিষয়বস্তু থাকলেই হবে না, বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর কতগুলি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যথা- ১. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু পর্যবেক্ষণযোগ্য হবে, ২. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু সম্বন্ধে গবেষকগণ একে অপরের সাথে ভাষার সাহায্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, ৩. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুকে প্রমাণযোগ্য হতে হবে। মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু হলো আচরণ। মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ খুব ভালোভাবেই পূর্ণ করে, আর সেজন্যই বিষয়বস্তুর দিক থেকে মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলা যায়।
উদ্দীপকে প্রদত্ত 'CC^{\prime} ও 'DD^{\prime} চিহ্নিত স্থান দু'টির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত C ও D চিহ্নিত স্থান দুটি যথাক্রমে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রয়োগশীলতাকে নির্দেশ করে। নিচে এদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি বলতে বোঝায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা বহির্ভূত জ্ঞানকে আঁকড়ে ধরে না থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে বিষয়বস্তু হিসেবে গ্রহণ করার মনোভাব পোষণ করা। এতে তত্ত্ব ও তথ্যের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে গ্রহণ করার দৃষ্টিভঙ্গি বিজ্ঞানের থাকতে হবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে মনোবিজ্ঞানীগণ পুরাতনকে বর্জন করে নিত্য নতুন তথ্য আহরণে সদা নিয়োজিত। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে মনোবিজ্ঞানকে আত্মা বা মনের বিজ্ঞান বলা হলেও বর্তমানে মনোবিজ্ঞানকে আচরণ ও মানসিক প্রক্রিয়ার বিজ্ঞান হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিজ্ঞানের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রয়োগশীলতা। যে জিনিস বা বিষয়কে বাস্তবে প্রয়োগ বা ব্যবহার করা যায় না তাকে বিজ্ঞান বলা যায় না। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য বা সূত্র জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকরী ভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাই প্রয়োগশীলতার দিক থেকে মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলা যায়। পরিশেষে বলা যায়, কোন বিষয় বিজ্ঞান হওয়ার জন্য চারটি শর্ত পূরণ করতে হয়- বিষয়বস্তু, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রয়োগশীলতা। এ চারটি বিষয়ের দিক থেকেই মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান হিসেবে অভিহিত করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

পরীক্ষণ মনোবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর

পরীক্ষণ মনোবিজ্ঞানের জনক উইলহেম উন্ড।
সামগ্রিক আচরণ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

স্বাভাবিকভাবে প্রাণী যা কিছু করে তাই আচরণ। অন্যভাবে বল যায় বাইরের পরিবেশ থেকে কোনো উদ্দীপক যখন আমাদের ইন্দ্রিয়ে আঘাত করে তখন আমরা ঐ উদ্দীপকের প্রতি একটি নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয় করি, এ প্রতিক্রিয়াই হলো আচরণ। আচরণকে বিভিন্নভাবে ভাগ কর যেতে পারে যার মধ্যে একটি ভাগ হলো সামগ্রিক আচরণ। আচরণকে আমরা কখনো সামগ্রিকভাবে দেখে থাকি আবার কখনো বিচ্ছিন্নভাবেও দেখে থাকি। কোন আচরণকে যখন একটি পূর্ণাঙ্গ এককে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন তাকে সামগ্রিক আচরণ বলা হয়। অপরদিকে সেই আচরণকে যখন খণ্ড খণ্ড আকারে বিশ্লেষণ করা হয় তখন আমরা তাকে খণ্ডিত আচরণ বলি। যেমন- নেতার ভাষণ একটি সামগ্রিক আচরণ। নেতার ভাষণকে যখন কথা বলা, ঠোঁটের অঙ্গভঙ্গি, নড়াচড়া, তাকানো, হাত নাড়ানো প্রভৃতি খণ্ডে খন্ডে বিভক্ত করি তখন সেগুলো হবে খণ্ডিত আচরণ।
উদ্দীপকে প্রদত্ত 'AA^{\prime} চিহ্নিত স্থানটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত A চিহ্নিত স্থানটি বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো বিষয় বিজ্ঞান হতে হলে অবশ্যই তার বিষয়বস্তু থাকতে হবে। শুধুমাত্র বিষয়বস্তু থাকলেই হবে না, বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর কতগুলি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যথা- ১. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু পর্যবেক্ষণযোগ্য হবে, ২. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু সম্বন্ধে গবেষকগণ একে অপরের সাথে ভাষার সাহায্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, ৩. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুকে প্রমাণযোগ্য হতে হবে। মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু হলো আচরণ। মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ খুব ভালোভাবেই পূর্ণ করে, আর সেজন্যই বিষয়বস্তুর দিক থেকে মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলা যায়।
উদ্দীপকে প্রদত্ত 'CC^{\prime} ও 'DD^{\prime} চিহ্নিত স্থান দু'টির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত C ও D চিহ্নিত স্থান দুটি যথাক্রমে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রয়োগশীলতাকে নির্দেশ করে। নিচে এদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি বলতে বোঝায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা বহির্ভূত জ্ঞানকে আঁকড়ে ধরে না থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে বিষয়বস্তু হিসেবে গ্রহণ করার মনোভাব পোষণ করা। এতে তত্ত্ব ও তথ্যের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে গ্রহণ করার দৃষ্টিভঙ্গি বিজ্ঞানের থাকতে হবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে মনোবিজ্ঞানীগণ পুরাতনকে বর্জন করে নিত্য নতুন তথ্য আহরণে সদা নিয়োজিত। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে মনোবিজ্ঞানকে আত্মা বা মনের বিজ্ঞান বলা হলেও বর্তমানে মনোবিজ্ঞানকে আচরণ ও মানসিক প্রক্রিয়ার বিজ্ঞান হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিজ্ঞানের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রয়োগশীলতা। যে জিনিস বা বিষয়কে বাস্তবে প্রয়োগ বা ব্যবহার করা যায় না তাকে বিজ্ঞান বলা যায় না। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য বা সূত্র জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকরী ভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাই প্রয়োগশীলতার দিক থেকে মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলা যায়। পরিশেষে বলা যায়, কোন বিষয় বিজ্ঞান হওয়ার জন্য চারটি শর্ত পূরণ করতে হয়- বিষয়বস্তু, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রয়োগশীলতা। এ চারটি বিষয়ের দিক থেকেই মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান হিসেবে অভিহিত করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রবিন এ বছর বুয়েট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে। কোথায় ভর্তি হবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। পরিশেষে একজন মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শে সে ভর্তি হলো। রাকিব সাহেবের শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক-কর্মচারী সুসম্পর্ক বজায় থাকলেও প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে তাঁর পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির এস. এস. সি পরীক্ষার ফল আগের মতো ভালো হচ্ছে না।

Dhaka · 2025

মনোবিজ্ঞান কোন ধরনের বিজ্ঞান?

উত্তর

মনোবিজ্ঞান একটি জৈব-সামাজিক বিজ্ঞান।
চিন্তনকে মানসিক প্রক্রিয়া বলা হয় কেন?

উত্তর

মানসিক প্রক্রিয়া বলতে আবেগ, চিন্তন, স্বপ্ন, বিশ্বাস, প্রেষণা, স্মৃতি, প্রত্যক্ষণ প্রভৃতি প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অভাব অনটন যেমন গরিবকে ভাগিয়ে তোলে প্রাচুর্যের আতিশয্যও তেমনি ধনীর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্লাসে প্রথম হবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা ছাত্রের চোখের ঘুম কেড়ে নেয়, আর নাওয়া খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে বিজ্ঞানী সদা ব্যস্ত থাকেন তার নিত্য নতুন আবিষ্কারের সাধনায়। এমনই করে নিরন্তর চলছে মানসিক প্রক্রিয়ার কার্যকলাপ। অর্থাৎ মানসিক প্রক্রিয়া বলতে এরূপ সকল মানসিক কার্যকলাপকে বোঝায় যেগুলো সরাসরি বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। চিন্তা বা চিন্তন প্রাণীর এমন মানসিক কার্যকলাপ যা বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, চিন্তন একটি মানসিক প্রক্রিয়া'।
উদ্দীপকে বর্ণিত রবিনের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মনোবিজ্ঞানের শাখাটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত রবিনের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মনোবিজ্ঞানের শাখাটি হলো নির্দেশনা মনোবিজ্ঞান। নিচে শাখাটি বর্ণনা করা হলো - দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হই। যদি এই সমস্যাগুলো সঠিকভাবে সমাধান করতে না পারি তাহলে আমাদের মধ্যে দেখা দেয় হতাশা। তখন আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। এমনিতর মৃদু আচরণ সমস্যার সমাধানের নিমিত্তে গড়ে উঠেছে নির্দেশনা মনোবিজ্ঞান। নির্দেশনা হলো একটি সেবামূলক প্রক্রিয়া। জীবন ধারণের জন্য যে সকল বিষয়গুলো প্রয়োজন তা নির্ধারণের জন্য নির্দেশনার প্রয়োজন। শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে নির্দেশনা গভীরভাবে সম্পর্কিত। কোনো একজন শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার ক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে অগ্রসর হলে সাফল্য লাভ করবে তা নির্ধারণের জন্য নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা উদ্দীপকে দেখতে পাই রবিন বুয়েট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে, সে কোথায় ভর্তি হবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। পরিশেষে একজন মনোবিজ্ঞানের পরামর্শে সে ভর্তি হলো। এক্ষেত্রে রবিন যে মনোবিজ্ঞানের পরামর্শ গ্রহণ করেছে তিনি একজন নির্দেশনা মনোবিজ্ঞানী। কেননা একজন নির্দেশনা মনোবিজ্ঞানী ব্যক্তিকে এ সকল সমস্যার সমাধানের সহায়তা করে থাকে।
রাকিব এবং তার বাবার বিষয়গুলো মনোবিজ্ঞানের একাধিক শাখায় আলোচিত হয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

রাকিব ও তার বাবার বিষয়গুলো মনোবিজ্ঞানের একাধিক শাখায় আলোচিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- রাকিবের বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান, অপরদিকে তার বাবার বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শাখায় আলোচিত হয়। মনোবিজ্ঞানের একটি অতীব জরুরি শাখা হলো শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান। শিল্প কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য মনোবিজ্ঞানের এ শাখার উদ্ভব হয়েছে। শিল্প কারখানায় কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী উপযুক্ত লোক নির্বাচন, তাদের প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি ও মূল্যায়ন প্রভৃতি শিল্প মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু। এছাড়াও উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে কর্মচারীদের দক্ষতা, মনোবল ও কর্ম সন্তুষ্টি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক-কর্মচারী, শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নতিকরণে শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান কাজ করে থাকে। অপরদিকে মনোবিজ্ঞানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞান। মানুষের শিক্ষা সংক্রান্ত আচরণের এই বিজ্ঞানই হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞান। মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা শাখায় মানুষের শিক্ষা সম্পর্কিত আচরণের বিভিন্ন সমস্যার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং এগুলোর সমাধানে মনোবিজ্ঞানের মূলনীতিসমূহ কীভাবে প্রয়োগ করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। উদ্দীপকে দেখা যায় রাকিব সাহেবের শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক কর্মচারী সুসম্পর্ক বজায় থাকলেও প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। তার শিল্প প্রতিষ্ঠানের এ বিষয়টি শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান, অপরদিকে তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির এসএসসি পরীক্ষার ফল আগের মতো ভালো হচ্ছে না, এ বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শাখার সাথে সম্পর্কিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রবিন এ বছর বুয়েট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে। কোথায় ভর্তি হবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। পরিশেষে একজন মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শে সে ভর্তি হলো। রাকিব সাহেবের শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক-কর্মচারী সুসম্পর্ক বজায় থাকলেও প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে তাঁর পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির এস. এস. সি পরীক্ষার ফল আগের মতো ভালো হচ্ছে না।

Dhaka · 2025

মনোবিজ্ঞান কোন ধরনের বিজ্ঞান?

উত্তর

মনোবিজ্ঞান একটি জৈব-সামাজিক বিজ্ঞান।
চিন্তনকে মানসিক প্রক্রিয়া বলা হয় কেন?

উত্তর

মানসিক প্রক্রিয়া বলতে আবেগ, চিন্তন, স্বপ্ন, বিশ্বাস, প্রেষণা, স্মৃতি, প্রত্যক্ষণ প্রভৃতি প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অভাব অনটন যেমন গরিবকে ভাগিয়ে তোলে প্রাচুর্যের আতিশয্যও তেমনি ধনীর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্লাসে প্রথম হবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা ছাত্রের চোখের ঘুম কেড়ে নেয়, আর নাওয়া খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে বিজ্ঞানী সদা ব্যস্ত থাকেন তার নিত্য নতুন আবিষ্কারের সাধনায়। এমনই করে নিরন্তর চলছে মানসিক প্রক্রিয়ার কার্যকলাপ। অর্থাৎ মানসিক প্রক্রিয়া বলতে এরূপ সকল মানসিক কার্যকলাপকে বোঝায় যেগুলো সরাসরি বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। চিন্তা বা চিন্তন প্রাণীর এমন মানসিক কার্যকলাপ যা বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, চিন্তন একটি মানসিক প্রক্রিয়া'।
উদ্দীপকে বর্ণিত রবিনের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মনোবিজ্ঞানের শাখাটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত রবিনের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মনোবিজ্ঞানের শাখাটি হলো নির্দেশনা মনোবিজ্ঞান। নিচে শাখাটি বর্ণনা করা হলো - দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হই। যদি এই সমস্যাগুলো সঠিকভাবে সমাধান করতে না পারি তাহলে আমাদের মধ্যে দেখা দেয় হতাশা। তখন আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। এমনিতর মৃদু আচরণ সমস্যার সমাধানের নিমিত্তে গড়ে উঠেছে নির্দেশনা মনোবিজ্ঞান। নির্দেশনা হলো একটি সেবামূলক প্রক্রিয়া। জীবন ধারণের জন্য যে সকল বিষয়গুলো প্রয়োজন তা নির্ধারণের জন্য নির্দেশনার প্রয়োজন। শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে নির্দেশনা গভীরভাবে সম্পর্কিত। কোনো একজন শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার ক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে অগ্রসর হলে সাফল্য লাভ করবে তা নির্ধারণের জন্য নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা উদ্দীপকে দেখতে পাই রবিন বুয়েট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে, সে কোথায় ভর্তি হবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। পরিশেষে একজন মনোবিজ্ঞানের পরামর্শে সে ভর্তি হলো। এক্ষেত্রে রবিন যে মনোবিজ্ঞানের পরামর্শ গ্রহণ করেছে তিনি একজন নির্দেশনা মনোবিজ্ঞানী। কেননা একজন নির্দেশনা মনোবিজ্ঞানী ব্যক্তিকে এ সকল সমস্যার সমাধানের সহায়তা করে থাকে।
রাকিব এবং তার বাবার বিষয়গুলো মনোবিজ্ঞানের একাধিক শাখায় আলোচিত হয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

রাকিব ও তার বাবার বিষয়গুলো মনোবিজ্ঞানের একাধিক শাখায় আলোচিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- রাকিবের বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান, অপরদিকে তার বাবার বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শাখায় আলোচিত হয়। মনোবিজ্ঞানের একটি অতীব জরুরি শাখা হলো শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান। শিল্প কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য মনোবিজ্ঞানের এ শাখার উদ্ভব হয়েছে। শিল্প কারখানায় কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী উপযুক্ত লোক নির্বাচন, তাদের প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি ও মূল্যায়ন প্রভৃতি শিল্প মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু। এছাড়াও উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে কর্মচারীদের দক্ষতা, মনোবল ও কর্ম সন্তুষ্টি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক-কর্মচারী, শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নতিকরণে শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান কাজ করে থাকে। অপরদিকে মনোবিজ্ঞানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞান। মানুষের শিক্ষা সংক্রান্ত আচরণের এই বিজ্ঞানই হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞান। মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা শাখায় মানুষের শিক্ষা সম্পর্কিত আচরণের বিভিন্ন সমস্যার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং এগুলোর সমাধানে মনোবিজ্ঞানের মূলনীতিসমূহ কীভাবে প্রয়োগ করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। উদ্দীপকে দেখা যায় রাকিব সাহেবের শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক কর্মচারী সুসম্পর্ক বজায় থাকলেও প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। তার শিল্প প্রতিষ্ঠানের এ বিষয়টি শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান, অপরদিকে তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির এসএসসি পরীক্ষার ফল আগের মতো ভালো হচ্ছে না, এ বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শাখার সাথে সম্পর্কিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

আচরণ কাকে বলে?

উত্তর

কোনো বস্তু বা বিষয়ের সঙ্গে ইন্দ্রিয়ের সংযোগ ঘটলে মায়ুতন্ত্র উদ্দীপিত হয়, ফলে দেহে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই প্রতিক্রিয়াই হলো আচরণ।
আবেগ মানসিক প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত কেন?

উত্তর

মানসিক প্রক্রিয়া বলতে আবেগ, চিন্তন, স্বপ্ন, বিশ্বাস, প্রেষণা, স্মৃতি, প্রত্যক্ষণ প্রভৃতি প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অভাব অনটন যেমন গরিবকে ভাগিয়ে তোলে প্রাচুর্যের আতিশয্যও তেমনি ধনীর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্লাসে প্রথম হবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা ছাত্রের চোখের ঘুম কেড়ে নেয়, আর নাওয়া খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে বিজ্ঞানী সদা ব্যস্ত থাকেন তার নিত্য নতুন আবিষ্কারের সাধনায়। এমনই করে নিরন্তর চলছে মানসিক প্রক্রিয়ার কার্যকলাপ। অর্থাৎ মানসিক প্রক্রিয়া বলতে এরূপ সকল মানসিক কার্যকলাপকে বোঝায় যেগুলো সরাসরি বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। আবেগ এমন মানসিক কার্যকলাপ যা বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, আবেগ একটি মানসিক প্রক্রিয়া।
মনোবিজ্ঞানের পরিধি হিসেবে 'গ' ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মনোবিজ্ঞানের পরিধি হিসেবে উদ্দীপকের "গ" অংশটি জৈব সামাজিক প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। নিচে জৈব সামাজিক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো- মানুষ বা প্রাণী জৈবিক ঘটনাবলি দ্বারা প্রভাবিত। প্রাণীর জৈবিক ঘটনাবলি যেমন- শারীরিক গঠন, জৈব-রাসায়নিক উপাদান, প্রভৃতি এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেহের অভ্যন্তরে এমন কতগুলো গ্রন্থি আছে যেগুলো দেহের গঠন, বুদ্ধির বিকাশ, দেহের সুস্থতা, কার্যক্ষমতা এবং আমাদের ব্যক্তিত্বের উপর বিশেষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। আমাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থিগুলো শরীরের বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ, ব্যক্তিত্বের বিকাশ প্রভৃতি প্রয়োজনীয় কাজ করে। আবার অন্যদিকে মানুষ সামাজিক জীব। মানুষ সমাজে বসবাস করে। একজন মানুষের আচরণ যেমন অন্য জনের আচরণকে প্রভাবিত করে তেমনি অন্যের আচরণ দ্বারাও সে প্রভাবিত হয়। কোনো সমাজের রীতিনীতি, কৃষ্টি ও অর্থ- সামাজিক অবস্থা সে সমাজের মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করে। জৈবিক ঘটনাবলি মানব আচরণ নিয়ন্ত্রণে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তেমনি সামাজিক রীতিনীতি, কৃষ্টি প্রভৃতির ভূমিকা কোনো অংশে কম নয়। তাই বলা যায় মনোবিজ্ঞানের পরিধিতে জৈব সামাজিক প্রক্রিয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
'ক' ও 'খ' এর তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ “ক” ও “খ” আচরণের প্রকারভেদ সামগ্রিক আচরণ ও খণ্ডিত আচরণ এবং ঐচ্ছিক আচরণ ও অনৈচ্ছিক আচরণকে নির্দেশ করে। নিচে এগুলোর তুলনামূলক আলোচনা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সামগ্রিক আচরণ ও খণ্ডিত আচরণ: আচরণকে আমরা সামগ্রিকভাবে দেখে থাকি আবার খণ্ডিত বা বিচ্ছিন্নভাবেও দেখে থাকি। সামগ্রিক আচরণের ক্ষেত্রে একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণকে বিশ্লেষণের একক হিসেবে ধরা হয়। আর খণ্ডিত বা আণবিক আচরণের ক্ষেত্রে আচরণকে খণ্ড খণ্ড উপাদানে বিশ্লেষণ করা হয়। যেমন- নেতার ভাষণ একটি সামগ্রিক আচরণ, আবার তার হাত নাড়ানো, কথা বলা, ঠোঁটের অঙ্গভঙ্গি, চোখের পলক পড়া, নড়াচড়া করা ইত্যাদি খণ্ডিত আচরণ। ২. ঐচ্ছিক আচরণ ও অনৈচ্ছিক আচরণ: যেসব আচরণ ব্যক্তি সচেতন ভাবে করে অর্থাৎ যে সকল আচরণ ব্যক্তির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে সেগুলোকে ঐচ্ছিক আচরণ বলে। যেমন- কথা বলা, হাঁটা, খাবার খাওয়া ইত্যাদি। আবার কতগুলো আচরণ আছে যেগুলো ব্যক্তির ঐচ্ছিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে সেসব আচরণকে অনৈচ্ছিক আচরণ বলে। যেমন- হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস প্রভৃতি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Chittagong · 2025

আচরণ কাকে বলে?

উত্তর

কোনো বস্তু বা বিষয়ের সঙ্গে ইন্দ্রিয়ের সংযোগ ঘটলে মায়ুতন্ত্র উদ্দীপিত হয়, ফলে দেহে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই প্রতিক্রিয়াই হলো আচরণ।
আবেগ মানসিক প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত কেন?

উত্তর

মানসিক প্রক্রিয়া বলতে আবেগ, চিন্তন, স্বপ্ন, বিশ্বাস, প্রেষণা, স্মৃতি, প্রত্যক্ষণ প্রভৃতি প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অভাব অনটন যেমন গরিবকে ভাগিয়ে তোলে প্রাচুর্যের আতিশয্যও তেমনি ধনীর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্লাসে প্রথম হবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা ছাত্রের চোখের ঘুম কেড়ে নেয়, আর নাওয়া খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে বিজ্ঞানী সদা ব্যস্ত থাকেন তার নিত্য নতুন আবিষ্কারের সাধনায়। এমনই করে নিরন্তর চলছে মানসিক প্রক্রিয়ার কার্যকলাপ। অর্থাৎ মানসিক প্রক্রিয়া বলতে এরূপ সকল মানসিক কার্যকলাপকে বোঝায় যেগুলো সরাসরি বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। আবেগ এমন মানসিক কার্যকলাপ যা বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, আবেগ একটি মানসিক প্রক্রিয়া।
মনোবিজ্ঞানের পরিধি হিসেবে 'গ' ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

মনোবিজ্ঞানের পরিধি হিসেবে উদ্দীপকের "গ" অংশটি জৈব সামাজিক প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। নিচে জৈব সামাজিক প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হলো- মানুষ বা প্রাণী জৈবিক ঘটনাবলি দ্বারা প্রভাবিত। প্রাণীর জৈবিক ঘটনাবলি যেমন- শারীরিক গঠন, জৈব-রাসায়নিক উপাদান, প্রভৃতি এক বিশেষ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেহের অভ্যন্তরে এমন কতগুলো গ্রন্থি আছে যেগুলো দেহের গঠন, বুদ্ধির বিকাশ, দেহের সুস্থতা, কার্যক্ষমতা এবং আমাদের ব্যক্তিত্বের উপর বিশেষভাবে প্রভাব বিস্তার করে। আমাদের আচরণ নিয়ন্ত্রণে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থিগুলো শরীরের বৃদ্ধি, মানসিক বিকাশ, ব্যক্তিত্বের বিকাশ প্রভৃতি প্রয়োজনীয় কাজ করে। আবার অন্যদিকে মানুষ সামাজিক জীব। মানুষ সমাজে বসবাস করে। একজন মানুষের আচরণ যেমন অন্য জনের আচরণকে প্রভাবিত করে তেমনি অন্যের আচরণ দ্বারাও সে প্রভাবিত হয়। কোনো সমাজের রীতিনীতি, কৃষ্টি ও অর্থ- সামাজিক অবস্থা সে সমাজের মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করে। জৈবিক ঘটনাবলি মানব আচরণ নিয়ন্ত্রণে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তেমনি সামাজিক রীতিনীতি, কৃষ্টি প্রভৃতির ভূমিকা কোনো অংশে কম নয়। তাই বলা যায় মনোবিজ্ঞানের পরিধিতে জৈব সামাজিক প্রক্রিয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
'ক' ও 'খ' এর তুলনামূলক আলোচনা কর।

উত্তর

দৃশ্যকল্প-২ এ “ক” ও “খ” আচরণের প্রকারভেদ সামগ্রিক আচরণ ও খণ্ডিত আচরণ এবং ঐচ্ছিক আচরণ ও অনৈচ্ছিক আচরণকে নির্দেশ করে। নিচে এগুলোর তুলনামূলক আলোচনা বিশ্লেষণ করা হলো- ১. সামগ্রিক আচরণ ও খণ্ডিত আচরণ: আচরণকে আমরা সামগ্রিকভাবে দেখে থাকি আবার খণ্ডিত বা বিচ্ছিন্নভাবেও দেখে থাকি। সামগ্রিক আচরণের ক্ষেত্রে একটি পূর্ণাঙ্গ আচরণকে বিশ্লেষণের একক হিসেবে ধরা হয়। আর খণ্ডিত বা আণবিক আচরণের ক্ষেত্রে আচরণকে খণ্ড খণ্ড উপাদানে বিশ্লেষণ করা হয়। যেমন- নেতার ভাষণ একটি সামগ্রিক আচরণ, আবার তার হাত নাড়ানো, কথা বলা, ঠোঁটের অঙ্গভঙ্গি, চোখের পলক পড়া, নড়াচড়া করা ইত্যাদি খণ্ডিত আচরণ। ২. ঐচ্ছিক আচরণ ও অনৈচ্ছিক আচরণ: যেসব আচরণ ব্যক্তি সচেতন ভাবে করে অর্থাৎ যে সকল আচরণ ব্যক্তির ইচ্ছার উপর নির্ভর করে সেগুলোকে ঐচ্ছিক আচরণ বলে। যেমন- কথা বলা, হাঁটা, খাবার খাওয়া ইত্যাদি। আবার কতগুলো আচরণ আছে যেগুলো ব্যক্তির ঐচ্ছিক নিয়ন্ত্রণের বাইরে সেসব আচরণকে অনৈচ্ছিক আচরণ বলে। যেমন- হৃৎপিন্ডের ক্রিয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস প্রভৃতি।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

পরীক্ষণ মনোবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর

পরীক্ষণ মনোবিজ্ঞানের জনক উইলহেম উন্ড।
সামগ্রিক আচরণ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

স্বাভাবিকভাবে প্রাণী যা কিছু করে তাই আচরণ। অন্যভাবে বল যায় বাইরের পরিবেশ থেকে কোনো উদ্দীপক যখন আমাদের ইন্দ্রিয়ে আঘাত করে তখন আমরা ঐ উদ্দীপকের প্রতি একটি নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয় করি, এ প্রতিক্রিয়াই হলো আচরণ। আচরণকে বিভিন্নভাবে ভাগ কর যেতে পারে যার মধ্যে একটি ভাগ হলো সামগ্রিক আচরণ। আচরণকে আমরা কখনো সামগ্রিকভাবে দেখে থাকি আবার কখনো বিচ্ছিন্নভাবেও দেখে থাকি। কোন আচরণকে যখন একটি পূর্ণাঙ্গ এককে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন তাকে সামগ্রিক আচরণ বলা হয়। অপরদিকে সেই আচরণকে যখন খণ্ড খণ্ড আকারে বিশ্লেষণ করা হয় তখন আমরা তাকে খণ্ডিত আচরণ বলি। যেমন- নেতার ভাষণ একটি সামগ্রিক আচরণ। নেতার ভাষণকে যখন কথা বলা, ঠোঁটের অঙ্গভঙ্গি, নড়াচড়া, তাকানো, হাত নাড়ানো প্রভৃতি খণ্ডে খন্ডে বিভক্ত করি তখন সেগুলো হবে খণ্ডিত আচরণ।
উদ্দীপকে প্রদত্ত 'AA^{\prime} চিহ্নিত স্থানটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত A চিহ্নিত স্থানটি বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো বিষয় বিজ্ঞান হতে হলে অবশ্যই তার বিষয়বস্তু থাকতে হবে। শুধুমাত্র বিষয়বস্তু থাকলেই হবে না, বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর কতগুলি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যথা- ১. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু পর্যবেক্ষণযোগ্য হবে, ২. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু সম্বন্ধে গবেষকগণ একে অপরের সাথে ভাষার সাহায্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, ৩. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুকে প্রমাণযোগ্য হতে হবে। মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু হলো আচরণ। মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ খুব ভালোভাবেই পূর্ণ করে, আর সেজন্যই বিষয়বস্তুর দিক থেকে মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলা যায়।
উদ্দীপকে প্রদত্ত 'CC^{\prime} ও 'DD^{\prime} চিহ্নিত স্থান দু'টির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত C ও D চিহ্নিত স্থান দুটি যথাক্রমে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রয়োগশীলতাকে নির্দেশ করে। নিচে এদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি বলতে বোঝায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা বহির্ভূত জ্ঞানকে আঁকড়ে ধরে না থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে বিষয়বস্তু হিসেবে গ্রহণ করার মনোভাব পোষণ করা। এতে তত্ত্ব ও তথ্যের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে গ্রহণ করার দৃষ্টিভঙ্গি বিজ্ঞানের থাকতে হবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে মনোবিজ্ঞানীগণ পুরাতনকে বর্জন করে নিত্য নতুন তথ্য আহরণে সদা নিয়োজিত। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে মনোবিজ্ঞানকে আত্মা বা মনের বিজ্ঞান বলা হলেও বর্তমানে মনোবিজ্ঞানকে আচরণ ও মানসিক প্রক্রিয়ার বিজ্ঞান হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিজ্ঞানের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রয়োগশীলতা। যে জিনিস বা বিষয়কে বাস্তবে প্রয়োগ বা ব্যবহার করা যায় না তাকে বিজ্ঞান বলা যায় না। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য বা সূত্র জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকরী ভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাই প্রয়োগশীলতার দিক থেকে মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলা যায়। পরিশেষে বলা যায়, কোন বিষয় বিজ্ঞান হওয়ার জন্য চারটি শর্ত পূরণ করতে হয়- বিষয়বস্তু, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রয়োগশীলতা। এ চারটি বিষয়ের দিক থেকেই মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান হিসেবে অভিহিত করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

question image

Dhaka · 2025

পরীক্ষণ মনোবিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তর

পরীক্ষণ মনোবিজ্ঞানের জনক উইলহেম উন্ড।
সামগ্রিক আচরণ বলতে কী বোঝায়?

উত্তর

স্বাভাবিকভাবে প্রাণী যা কিছু করে তাই আচরণ। অন্যভাবে বল যায় বাইরের পরিবেশ থেকে কোনো উদ্দীপক যখন আমাদের ইন্দ্রিয়ে আঘাত করে তখন আমরা ঐ উদ্দীপকের প্রতি একটি নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয় করি, এ প্রতিক্রিয়াই হলো আচরণ। আচরণকে বিভিন্নভাবে ভাগ কর যেতে পারে যার মধ্যে একটি ভাগ হলো সামগ্রিক আচরণ। আচরণকে আমরা কখনো সামগ্রিকভাবে দেখে থাকি আবার কখনো বিচ্ছিন্নভাবেও দেখে থাকি। কোন আচরণকে যখন একটি পূর্ণাঙ্গ এককে বিশ্লেষণ করা হয়, তখন তাকে সামগ্রিক আচরণ বলা হয়। অপরদিকে সেই আচরণকে যখন খণ্ড খণ্ড আকারে বিশ্লেষণ করা হয় তখন আমরা তাকে খণ্ডিত আচরণ বলি। যেমন- নেতার ভাষণ একটি সামগ্রিক আচরণ। নেতার ভাষণকে যখন কথা বলা, ঠোঁটের অঙ্গভঙ্গি, নড়াচড়া, তাকানো, হাত নাড়ানো প্রভৃতি খণ্ডে খন্ডে বিভক্ত করি তখন সেগুলো হবে খণ্ডিত আচরণ।
উদ্দীপকে প্রদত্ত 'AA^{\prime} চিহ্নিত স্থানটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত A চিহ্নিত স্থানটি বিষয়বস্তুকে নির্দেশ করে। নিচে তা ব্যাখ্যা করা হলো- কোনো বিষয় বিজ্ঞান হতে হলে অবশ্যই তার বিষয়বস্তু থাকতে হবে। শুধুমাত্র বিষয়বস্তু থাকলেই হবে না, বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর কতগুলি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যথা- ১. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু পর্যবেক্ষণযোগ্য হবে, ২. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তু সম্বন্ধে গবেষকগণ একে অপরের সাথে ভাষার সাহায্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে, ৩. বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুকে প্রমাণযোগ্য হতে হবে। মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু হলো আচরণ। মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু বিজ্ঞানের বিষয়বস্তুর উল্লেখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ খুব ভালোভাবেই পূর্ণ করে, আর সেজন্যই বিষয়বস্তুর দিক থেকে মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলা যায়।
উদ্দীপকে প্রদত্ত 'CC^{\prime} ও 'DD^{\prime} চিহ্নিত স্থান দু'টির তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদত্ত C ও D চিহ্নিত স্থান দুটি যথাক্রমে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রয়োগশীলতাকে নির্দেশ করে। নিচে এদের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হলো- বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি বলতে বোঝায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা বহির্ভূত জ্ঞানকে আঁকড়ে ধরে না থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে বিষয়বস্তু হিসেবে গ্রহণ করার মনোভাব পোষণ করা। এতে তত্ত্ব ও তথ্যের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়কে গ্রহণ করার দৃষ্টিভঙ্গি বিজ্ঞানের থাকতে হবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে মনোবিজ্ঞানীগণ পুরাতনকে বর্জন করে নিত্য নতুন তথ্য আহরণে সদা নিয়োজিত। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে মনোবিজ্ঞানকে আত্মা বা মনের বিজ্ঞান বলা হলেও বর্তমানে মনোবিজ্ঞানকে আচরণ ও মানসিক প্রক্রিয়ার বিজ্ঞান হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বিজ্ঞানের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রয়োগশীলতা। যে জিনিস বা বিষয়কে বাস্তবে প্রয়োগ বা ব্যবহার করা যায় না তাকে বিজ্ঞান বলা যায় না। মনোবিজ্ঞানের গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য বা সূত্র জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকরী ভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাই প্রয়োগশীলতার দিক থেকে মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলা যায়। পরিশেষে বলা যায়, কোন বিষয় বিজ্ঞান হওয়ার জন্য চারটি শর্ত পূরণ করতে হয়- বিষয়বস্তু, বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রয়োগশীলতা। এ চারটি বিষয়ের দিক থেকেই মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান হিসেবে অভিহিত করা যায়।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রবিন এ বছর বুয়েট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে। কোথায় ভর্তি হবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। পরিশেষে একজন মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শে সে ভর্তি হলো। রাকিব সাহেবের শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক-কর্মচারী সুসম্পর্ক বজায় থাকলেও প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে তাঁর পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির এস. এস. সি পরীক্ষার ফল আগের মতো ভালো হচ্ছে না।

Dhaka · 2025

মনোবিজ্ঞান কোন ধরনের বিজ্ঞান?

উত্তর

মনোবিজ্ঞান একটি জৈব-সামাজিক বিজ্ঞান।
চিন্তনকে মানসিক প্রক্রিয়া বলা হয় কেন?

উত্তর

মানসিক প্রক্রিয়া বলতে আবেগ, চিন্তন, স্বপ্ন, বিশ্বাস, প্রেষণা, স্মৃতি, প্রত্যক্ষণ প্রভৃতি প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অভাব অনটন যেমন গরিবকে ভাগিয়ে তোলে প্রাচুর্যের আতিশয্যও তেমনি ধনীর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্লাসে প্রথম হবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা ছাত্রের চোখের ঘুম কেড়ে নেয়, আর নাওয়া খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে বিজ্ঞানী সদা ব্যস্ত থাকেন তার নিত্য নতুন আবিষ্কারের সাধনায়। এমনই করে নিরন্তর চলছে মানসিক প্রক্রিয়ার কার্যকলাপ। অর্থাৎ মানসিক প্রক্রিয়া বলতে এরূপ সকল মানসিক কার্যকলাপকে বোঝায় যেগুলো সরাসরি বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। চিন্তা বা চিন্তন প্রাণীর এমন মানসিক কার্যকলাপ যা বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, চিন্তন একটি মানসিক প্রক্রিয়া'।
উদ্দীপকে বর্ণিত রবিনের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মনোবিজ্ঞানের শাখাটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত রবিনের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মনোবিজ্ঞানের শাখাটি হলো নির্দেশনা মনোবিজ্ঞান। নিচে শাখাটি বর্ণনা করা হলো - দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হই। যদি এই সমস্যাগুলো সঠিকভাবে সমাধান করতে না পারি তাহলে আমাদের মধ্যে দেখা দেয় হতাশা। তখন আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। এমনিতর মৃদু আচরণ সমস্যার সমাধানের নিমিত্তে গড়ে উঠেছে নির্দেশনা মনোবিজ্ঞান। নির্দেশনা হলো একটি সেবামূলক প্রক্রিয়া। জীবন ধারণের জন্য যে সকল বিষয়গুলো প্রয়োজন তা নির্ধারণের জন্য নির্দেশনার প্রয়োজন। শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে নির্দেশনা গভীরভাবে সম্পর্কিত। কোনো একজন শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার ক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে অগ্রসর হলে সাফল্য লাভ করবে তা নির্ধারণের জন্য নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা উদ্দীপকে দেখতে পাই রবিন বুয়েট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে, সে কোথায় ভর্তি হবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। পরিশেষে একজন মনোবিজ্ঞানের পরামর্শে সে ভর্তি হলো। এক্ষেত্রে রবিন যে মনোবিজ্ঞানের পরামর্শ গ্রহণ করেছে তিনি একজন নির্দেশনা মনোবিজ্ঞানী। কেননা একজন নির্দেশনা মনোবিজ্ঞানী ব্যক্তিকে এ সকল সমস্যার সমাধানের সহায়তা করে থাকে।
রাকিব এবং তার বাবার বিষয়গুলো মনোবিজ্ঞানের একাধিক শাখায় আলোচিত হয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

রাকিব ও তার বাবার বিষয়গুলো মনোবিজ্ঞানের একাধিক শাখায় আলোচিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- রাকিবের বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান, অপরদিকে তার বাবার বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শাখায় আলোচিত হয়। মনোবিজ্ঞানের একটি অতীব জরুরি শাখা হলো শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান। শিল্প কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য মনোবিজ্ঞানের এ শাখার উদ্ভব হয়েছে। শিল্প কারখানায় কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী উপযুক্ত লোক নির্বাচন, তাদের প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি ও মূল্যায়ন প্রভৃতি শিল্প মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু। এছাড়াও উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে কর্মচারীদের দক্ষতা, মনোবল ও কর্ম সন্তুষ্টি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক-কর্মচারী, শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নতিকরণে শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান কাজ করে থাকে। অপরদিকে মনোবিজ্ঞানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞান। মানুষের শিক্ষা সংক্রান্ত আচরণের এই বিজ্ঞানই হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞান। মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা শাখায় মানুষের শিক্ষা সম্পর্কিত আচরণের বিভিন্ন সমস্যার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং এগুলোর সমাধানে মনোবিজ্ঞানের মূলনীতিসমূহ কীভাবে প্রয়োগ করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। উদ্দীপকে দেখা যায় রাকিব সাহেবের শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক কর্মচারী সুসম্পর্ক বজায় থাকলেও প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। তার শিল্প প্রতিষ্ঠানের এ বিষয়টি শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান, অপরদিকে তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির এসএসসি পরীক্ষার ফল আগের মতো ভালো হচ্ছে না, এ বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শাখার সাথে সম্পর্কিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCPsychology 1st Paperসৃজনশীল

উদ্দীপক

রবিন এ বছর বুয়েট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে। কোথায় ভর্তি হবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। পরিশেষে একজন মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শে সে ভর্তি হলো। রাকিব সাহেবের শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক-কর্মচারী সুসম্পর্ক বজায় থাকলেও প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে তাঁর পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির এস. এস. সি পরীক্ষার ফল আগের মতো ভালো হচ্ছে না।

Dhaka · 2025

মনোবিজ্ঞান কোন ধরনের বিজ্ঞান?

উত্তর

মনোবিজ্ঞান একটি জৈব-সামাজিক বিজ্ঞান।
চিন্তনকে মানসিক প্রক্রিয়া বলা হয় কেন?

উত্তর

মানসিক প্রক্রিয়া বলতে আবেগ, চিন্তন, স্বপ্ন, বিশ্বাস, প্রেষণা, স্মৃতি, প্রত্যক্ষণ প্রভৃতি প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অভাব অনটন যেমন গরিবকে ভাগিয়ে তোলে প্রাচুর্যের আতিশয্যও তেমনি ধনীর দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ক্লাসে প্রথম হবার দুর্নিবার আকাঙ্ক্ষা ছাত্রের চোখের ঘুম কেড়ে নেয়, আর নাওয়া খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে বিজ্ঞানী সদা ব্যস্ত থাকেন তার নিত্য নতুন আবিষ্কারের সাধনায়। এমনই করে নিরন্তর চলছে মানসিক প্রক্রিয়ার কার্যকলাপ। অর্থাৎ মানসিক প্রক্রিয়া বলতে এরূপ সকল মানসিক কার্যকলাপকে বোঝায় যেগুলো সরাসরি বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায় না। চিন্তা বা চিন্তন প্রাণীর এমন মানসিক কার্যকলাপ যা বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, চিন্তন একটি মানসিক প্রক্রিয়া'।
উদ্দীপকে বর্ণিত রবিনের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মনোবিজ্ঞানের শাখাটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত রবিনের সমস্যার সাথে সম্পর্কিত মনোবিজ্ঞানের শাখাটি হলো নির্দেশনা মনোবিজ্ঞান। নিচে শাখাটি বর্ণনা করা হলো - দৈনন্দিন জীবনে আমরা নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হই। যদি এই সমস্যাগুলো সঠিকভাবে সমাধান করতে না পারি তাহলে আমাদের মধ্যে দেখা দেয় হতাশা। তখন আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। এমনিতর মৃদু আচরণ সমস্যার সমাধানের নিমিত্তে গড়ে উঠেছে নির্দেশনা মনোবিজ্ঞান। নির্দেশনা হলো একটি সেবামূলক প্রক্রিয়া। জীবন ধারণের জন্য যে সকল বিষয়গুলো প্রয়োজন তা নির্ধারণের জন্য নির্দেশনার প্রয়োজন। শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে নির্দেশনা গভীরভাবে সম্পর্কিত। কোনো একজন শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার ক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে অগ্রসর হলে সাফল্য লাভ করবে তা নির্ধারণের জন্য নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা উদ্দীপকে দেখতে পাই রবিন বুয়েট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে, সে কোথায় ভর্তি হবে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে। পরিশেষে একজন মনোবিজ্ঞানের পরামর্শে সে ভর্তি হলো। এক্ষেত্রে রবিন যে মনোবিজ্ঞানের পরামর্শ গ্রহণ করেছে তিনি একজন নির্দেশনা মনোবিজ্ঞানী। কেননা একজন নির্দেশনা মনোবিজ্ঞানী ব্যক্তিকে এ সকল সমস্যার সমাধানের সহায়তা করে থাকে।
রাকিব এবং তার বাবার বিষয়গুলো মনোবিজ্ঞানের একাধিক শাখায় আলোচিত হয়- বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

রাকিব ও তার বাবার বিষয়গুলো মনোবিজ্ঞানের একাধিক শাখায় আলোচিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- রাকিবের বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান, অপরদিকে তার বাবার বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শাখায় আলোচিত হয়। মনোবিজ্ঞানের একটি অতীব জরুরি শাখা হলো শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান। শিল্প কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করার জন্য মনোবিজ্ঞানের এ শাখার উদ্ভব হয়েছে। শিল্প কারখানায় কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী উপযুক্ত লোক নির্বাচন, তাদের প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি ও মূল্যায়ন প্রভৃতি শিল্প মনোবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু। এছাড়াও উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে কর্মচারীদের দক্ষতা, মনোবল ও কর্ম সন্তুষ্টি অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। তাই শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক-কর্মচারী, শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নতিকরণে শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান কাজ করে থাকে। অপরদিকে মনোবিজ্ঞানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞান। মানুষের শিক্ষা সংক্রান্ত আচরণের এই বিজ্ঞানই হলো শিক্ষা মনোবিজ্ঞান। মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা শাখায় মানুষের শিক্ষা সম্পর্কিত আচরণের বিভিন্ন সমস্যার ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং এগুলোর সমাধানে মনোবিজ্ঞানের মূলনীতিসমূহ কীভাবে প্রয়োগ করা যায় সে সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। উদ্দীপকে দেখা যায় রাকিব সাহেবের শিল্প প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক কর্মচারী সুসম্পর্ক বজায় থাকলেও প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। তার শিল্প প্রতিষ্ঠানের এ বিষয়টি শিল্প ও সাংগঠনিক মনোবিজ্ঞান, অপরদিকে তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটির এসএসসি পরীক্ষার ফল আগের মতো ভালো হচ্ছে না, এ বিষয়টি মনোবিজ্ঞানের শিক্ষা মনোবিজ্ঞান শাখার সাথে সম্পর্কিত।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো