“উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট"। উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: হ্যাঁ, আমি মনে করি, পরিবেশগত দুর্যোগ মোকাবিলা সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট হলেও নাগরিকের সচেতনতা জরুরি। বাংলাদেশের উন্নয়নে পরিবেশ সংরক্ষণ একান্ত জরুরি। বেশি জনসংখ্যার কারণে পরিবেশ দূষণ দ্বারা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বিপুলভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বল্প আয়তন ও জনসংখ্যার উচ্চ ঘনত্বের কারণে বাংলাদেশের জন্য এসব সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। এসব ভয়াবহ সমস্যা থেকে পরিত্রাণের জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। যেমন- ১. অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা কলকারখানা বন্ধ ঘোষণা করা। ২. মানুষের বসতি রয়েছে এমন এলাকায় শিল্প-কারখানা স্থাপনের অনুমতি না দেওয়া। ৩. যে শিল্পগুলো পরিবেশ দূষণের জন্য সর্বাধিক দায়ী, সেগুলো চিহ্নিত করে এর মধ্যে পরিবেশ দূষণের জন্য সর্বাধিক ক্ষতিকারক শিল্পগুলো বন্ধ ঘোষণা করা। ৪. ইটের ভাটার জ্বালানি কাঠ পোড়ানো বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। ৫. অধিকমাত্রায় সার ও কীটনাশক ব্যবহার বন্ধ করে জৈবসার ব্যবহারে উৎসাহিত করা। ৬. যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলা। ৭. পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে জনগণকে উৎসাহিত ও সচেতন করা। সর্বোপরি, সরকার পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কঠোর আইন প্রণয়ন এবং আইন ভঙ্গকারীকে কঠিন শাস্তির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে একথাও সত্য, নাগরিক হিসেবে আমরা সচেতন না হলে পরিবেশ সংরক্ষণ সম্ভব নয়। তাই আমাদের উচিত এ ব্যাপারে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।
SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা অধ্যায়-৯ : নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয় (Full Syllabus) CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · অধ্যায়-৯ : নাগরিক সমস্যা ও আমাদের করণীয় (Full Syllabus) · সৃজনশীল
“উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট"। উত্তরে…
উদ্দীপক
Jessore · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
