উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার যে বিপরীত সত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের প্রতি অবজ্ঞার দিক দিয়ে বিপরীত সত্তার পরিচয় পাওয়া যায়। 'অন্ধবধূ' কবিতায় বধূটি বুঝে গেছে, তার নিজের দুঃখ শুধু সেই বুঝবে। কারও কাছে অভিযোগ বা কথা বলার কেউ নেই। তাই প্রকৃতির সাথে কথা বলেই সে বেঁচে থাকে। নদীর শীতলতা তাকে ব্যথা ভুলতে সাহায্য করে। স্বাভাবিক মানুষদের কাছ থেকে অবহেলা অবজ্ঞা পেয়ে সে প্রকৃতির মাঝে খুঁজে নিয়েছে নীরব আশ্রয়। 'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও অন্ধবধূর অনুভবের জগৎ স্বচ্ছ। সে তার অনুভূতি দিয়ে জগতের রূপ-রস-গন্ধ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে। তবু সে নিজেকে সমাজের কর্মময় জীবনের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারে না। প্রতিবন্ধিতাহীন মানুষের মতো নিজেকে স্বাভাবিক ভাবতে পারে না। অন্ধত্বের কারণে তার স্বামী প্রবাসী হয়েছে। তার একাকী জীবনযাপনের কথা ভেবে মৃত্যুর মধ্য দিয়ে জীবন থেকে ছুটি নিতে চায়। কবিতার এই অসহায় বধূটির বিপরীত সত্তার অধিকারী আলোচ্য উদ্দীপকের নিশাত। নিশাত দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়ে প্রতিবন্ধী। তার স্বামী তৌহিদ এবং তার পরিবারের লোকজনের আদর-যত্ন ও সহযোগিতার ফলে নিশাত নিজেকে আর অসহায় ভাবে না। সে নতুনভাবে বাঁচার স্বপ্ন দেখে। নিজেকে সে স্বাভাবিক মানুষের মতোই ভাবে। এভাবেই উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার বিপরীত সত্তার পরিচয় পাওয়া যায়।-
SSC বাংলা ১ম পত্র অন্ধবধূ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · অন্ধবধূ · সৃজনশীল
উদ্দীপকে 'অন্ধবধূ' কবিতার যে বিপরীত সত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তা ব্যাখ…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর