অন্ধবধূর প্রবাসী স্বামী যদি তৌহিদের মতো হতো তবে অন্ধবধূকে এত বিড়ম্বনায় পড়তে হতো না।" উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।
উত্তর: বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের প্রতি সহানুভূতিশীল হলে তারা নতুনভাবে বাঁচতে শেখে বিধায় "অন্ধবধূর প্রবাসী স্বামী যদি তৌহিদের মতো হতো তবে অন্ধবধূকে এত বিড়ম্বনায় পড়তে হতো না" মন্তব্যটি যথার্থ। 'অন্ন্ধবধূ' কবিতাটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের মানবিক বেদনা, নিঃসঙ্গতা, আত্মমর্যাদা ও প্রকৃতির প্রতি বিশ্বাসের প্রতীক। জীবনের যন্ত্রণাকে সে স্পর্শ, শব্দ ও অনুভূতিতে সান্ত্বনা দেয়। চোখ না থাকলেও তার অনুভূতি জীবন্ত। এইভাবেই কবি এ কবিতায় দৃষ্টিহীনদের প্রতি ভালোবাসা ও সংবেদনশীলতা দেখিয়েছেন। উদ্দীপকে দুর্ঘটনায় দুই পা হারানোর পরও এক বধূ কীভাবে নিজেকে সমাজের স্বাভাবিক মানুষের মতো মনে করতে পারছে তার নেপথ্য বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। এখানে তৌহিদের সাহায্য-সহযোগিতা এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যদের সহানুভূতির মাধ্যমে নিশাত স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে সক্ষম হয়েছে। অসহায়-দুর্বলের প্রতি মানুষের সামান্য সহানুভূতি যে তাকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন বিভোর করে তার জ্বলন্ত প্রমাণ উদ্দীপকের নিশাতের জীবন। 'অন্ধবধূ' কবিতায় অন্ধবধূর প্রতি তার প্রবাসী স্বামীর অবজ্ঞা ও অবহেলা ফুটে উঠেছে। 'অন্ধবধূ' কবিতায় একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী গ্রাম্যবধূর অসহায় জীবনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে বধূটি ননদের সাথে চলতে গিয়ে দিঘির শ্যাওলাপড়া পিছল ঘাটে পড়ে গিয়ে ডুবে মরার আশঙ্কা করেছে। এভাবে তার অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যাওয়ার কথাও সে ভেবেছে। কারণ তার অন্ধত্বের কারণে স্বামী প্রবাসী হয়েছে। সে একাকী অসহায় জীবনযাপনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ। মৃত্যুর মধ্য দিয়েই সে ওই জীবন থেকে মুক্তি চায়। এখানে অন্ধবধূটির স্বামী যদি উদ্দীপকের তৌহিদের মতো স্ত্রীকে সহায়তা করত তাহলে তার নিজেকে এত অসহায় মনে হতো না, সংসার জীবনে তাকে এমন বিড়ম্বনায় পড়তে হতো না। এই বিচারে প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
SSC বাংলা ১ম পত্র অন্ধবধূ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · বাংলা ১ম পত্র · অন্ধবধূ · সৃজনশীল
অন্ধবধূর প্রবাসী স্বামী যদি তৌহিদের মতো হতো তবে অন্ধবধূকে এত বিড়ম্ব…
উদ্দীপক
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর