শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকটির সঙ্গে 'ঝরনার গান' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর: পৃথিবীজুড়ে আনন্দের ধারা প্রবাহিত হচ্ছে যা মানবমনকেও আনন্দপিপাসু করে তুলছে- উ দীপকের এই ভাবটিই 'ঝরনার গান' কবিতাটির ভাবার্থের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। 'ঝরনার গান' কবিতায় কবি জীবনের উচ্ছ্বাস, আনন্দ ও গতিময়তার জয়গান গেয়েছেন। ঝরনার ঝিলমিল আলো, ছন্দময় শব্দ ও দৌড়ের ভঙ্গিতে কবি পেয়েছেন চিরনবীন সৃষ্টির স্পন্দন। 'ঝরনার গান' কবিতাটিতে ঝরনার পুলকের অন্তরালে মূলত কবির আনন্দময় চেতনারই প্রকাশ ঘটেছে। কবি নীরব-নির্জন-নৈসর্গিক প্রকৃতি অবলোকন করে মুগ্ধ। ঝরনার বয়ে চলার মাঝে কবি সংগীত শুনতে পান, নৃত্যের ঝংকার অনুভব করেন। সেই আনন্দময় অনুভব থেকেই তিনি কবিতা রচনা করে যান। অন্যদিকে উদ্দীপকে কবির এ আনন্দময় অনুভব থেকেই যে তাঁর নান্দনিক সৃষ্টিকর্মের সূচনা, এখানে সেই দিকটিই উদ্ভাসিত হয়েছে। আনন্দধারা ভুবনময় বইছে। সব মানুষই আনন্দপিপাসু। তবে যারা আনন্দকে উপভোগ করতে পারে তারাই হয়ে উঠতে পারে সৃষ্টিশীল। উদ্দীপকটিতেও মানবমনের সৌন্দর্য চেতনার দিকটিই ফুটে উঠেছে। সুতরাং পূর্বোল্লিখিত ভাবটিই উদ্দীপকটিকে 'ঝরনার গান' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ করে তুলেছে।

SSC বাংলা ১ম পত্র ঝর্ণার গান CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · বাংলা ১ম পত্র · ঝর্ণার গান · সৃজনশীল

উদ্দীপকটির সঙ্গে 'ঝরনার গান' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য বুঝিয়ে লেখো।

উদ্দীপক

'আনন্দ ধারা বহিছে ভুবনে'- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের এই কথাগুলিতে শিল্পকলার মূল সত্যটি প্রকাশ পেয়েছে। সব মানুষই জীবনের এই আনন্দকে পাওয়ার জন্যে কত রকম চেষ্টা করে যাচ্ছে। আনন্দ প্রকাশ জীবনীশক্তির প্রবলতারই প্রকাশ। আনন্দকে আমরা বুঝি রূপ-রস-শব্দ-স্পর্শ-গন্ধ ইত্যাদির সাহায্যে, ইন্দ্রিয়সকলের সাহায্যে। মানুষ যখন আনন্দ পায় তখন সে তার মনকে প্রকাশ করতে চায়- নানা রূপে। তাই সৃষ্টি হলো চিত্রশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, সংগীতশিল্পী, কবি, সাহিত্যিক।

উত্তর

ঝাঁঝি হচ্ছে একপ্রকার জলজ গুল্ম।

উত্তর

"বিজন দেশ কূজন নাই"- পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কলরবহীন জনশূন্য স্থানে যেখানে নীরব প্রকৃতির রাজত্ব সেখানকার নৈঃশব্দ্য-নিস্তব্ধতায় ঝরনার বয়ে চলাকে বুঝিয়েছেন। নীরব-নির্জন পাহাড়ি অঞ্চলে ঝরনার উৎপত্তি। প্রাণচঞ্চল আনন্দের উচ্ছ্বাস নিয়ে ঝরনা উপর থেকে নিচে প্রবাহিত হয়। গভীর অরণ্য, নির্জীব-নিস্তব্ধ-নৈঃশব্দ্য নীরব প্রকৃতির কোল ঘেঁষে ঝরনা এগিয়ে যায়। যেখানে নেই মানুষ, নেই কণ্ঠস্বর- শুধু নীরবতা আর প্রবাহিত জলের একটানা বয়ে চলার ঐকতান। এরূপ নিসর্গময় জায়গাটিকেই কবি প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তিটির মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন।

উত্তর

পৃথিবীজুড়ে আনন্দের ধারা প্রবাহিত হচ্ছে যা মানবমনকেও আনন্দপিপাসু করে তুলছে- উ দীপকের এই ভাবটিই 'ঝরনার গান' কবিতাটির ভাবার্থের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। 'ঝরনার গান' কবিতায় কবি জীবনের উচ্ছ্বাস, আনন্দ ও গতিময়তার জয়গান গেয়েছেন। ঝরনার ঝিলমিল আলো, ছন্দময় শব্দ ও দৌড়ের ভঙ্গিতে কবি পেয়েছেন চিরনবীন সৃষ্টির স্পন্দন। 'ঝরনার গান' কবিতাটিতে ঝরনার পুলকের অন্তরালে মূলত কবির আনন্দময় চেতনারই প্রকাশ ঘটেছে। কবি নীরব-নির্জন-নৈসর্গিক প্রকৃতি অবলোকন করে মুগ্ধ। ঝরনার বয়ে চলার মাঝে কবি সংগীত শুনতে পান, নৃত্যের ঝংকার অনুভব করেন। সেই আনন্দময় অনুভব থেকেই তিনি কবিতা রচনা করে যান। অন্যদিকে উদ্দীপকে কবির এ আনন্দময় অনুভব থেকেই যে তাঁর নান্দনিক সৃষ্টিকর্মের সূচনা, এখানে সেই দিকটিই উদ্ভাসিত হয়েছে। আনন্দধারা ভুবনময় বইছে। সব মানুষই আনন্দপিপাসু। তবে যারা আনন্দকে উপভোগ করতে পারে তারাই হয়ে উঠতে পারে সৃষ্টিশীল। উদ্দীপকটিতেও মানবমনের সৌন্দর্য চেতনার দিকটিই ফুটে উঠেছে। সুতরাং পূর্বোল্লিখিত ভাবটিই উদ্দীপকটিকে 'ঝরনার গান' কবিতার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ করে তুলেছে।

উত্তর

"উদ্দীভপকের পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, 'ঝরনার গান' কবিতায় কবির নিজস্ব সৌন্দর্যসচেতন মানসিকতাই ঝরনার রূপকে ফুটে উঠেছে"-কবিতার ভাববস্তু ও কবির মানসিকতা বিবেচনায় মন্তব্যটি যথার্থ। 'ঝরনার গান' কবিতায় ঝরনার নিরুদ্বেগ স্বভাব কবিকে মুগ্ধ করেছে। তার 'খিলখিল' হাসি ও দৌড় যেন শৈশবের আনন্দের স্মারক। যার মধ্য দিয়ে কবি নিজস্ব ভাবনা তথা জীবনের মুক্ত, নির্ভীক ও উদ্দাম দিকটি তুলে ধরেছেন। 'ঝরনার গান' কবিতাটিতে স্তব্ধ পাথরের বুকে আনন্দের পদচিহ্ন এঁকে যাওয়া ঝরনার চিত্রকল্প এঁকেছেন কবি। পাহাড় যেখানে দৈত্যের মতো ঘাড় ঘুরিয়ে ভয় দেখায়, যেখানে লোকজন নেই, যে জায়গা নীরব-নিভৃত সেখানে আনন্দময় পদধ্বনিতে নেমে আসে ঝরনার সেই সাদা জলরাশির ধারা। কবি তাঁর অনুভব দিয়ে ঝরনার আনন্দ টের পেয়েছেন এবং কবিতাটিতেও ঝরনার সেই আনন্দকেই প্রকাশ করেছেন। উদ্দীপকটিতে বিবৃত আনন্দের বহিঃপ্রকাশ মানুষের সৃষ্টিশীলতারই প্রকাশ। মানুষ আনন্দকে অনুভব করে রূপ-রস-শব্দ-স্পর্শ-গন্ধ ইত্যাদির সাহায্যে। আর মানুষ নিজের আনন্দ সবসময়ই প্রকাশ করতে চায়। মানুষের এই আনন্দের বিবিধ প্রকাশই ফুটে ওঠে নানা শিল্পকর্মে। উদ্দীপকটিতে মানুষের সৃষ্টিশীলতার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মানুষের ব্যক্তিগত আনন্দ উপভোগের প্রকাশই নান্দনিক ও অপূর্ব হয়ে ওঠে তাদের সৃষ্টিকর্মে। 'ঝরনার গান' কবিতায় ঝরনার সাদা জলরাশির যে আনন্দ প্রকাশ পেয়েছে, তা তো ভাষিকভাবে মানুষের কাছে পৌছানো সম্ভব নয়। কিন্তু কবি ঝরনার সেই আনন্দকে প্রকাশ করতে পেরেছেন, কারণ কবি নিজেই প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখে আনন্দে বিভোর হয়েছেন। তাই উদ্দীপকের পরিপ্রেক্ষিত থেকে এটা বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।
SSCবাংলা ১ম পত্রঝর্ণার গান
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'আনন্দ ধারা বহিছে ভুবনে'- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের এই কথাগুলিতে শিল্পকলার মূল সত্যটি প্রকাশ পেয়েছে। সব মানুষই জীবনের এই আনন্দকে পাওয়ার জন্যে কত রকম চেষ্টা করে যাচ্ছে। আনন্দ প্রকাশ জীবনীশক্তির প্রবলতারই প্রকাশ। আনন্দকে আমরা বুঝি রূপ-রস-শব্দ-স্পর্শ-গন্ধ ইত্যাদির সাহায্যে, ইন্দ্রিয়সকলের সাহায্যে। মানুষ যখন আনন্দ পায় তখন সে তার মনকে প্রকাশ করতে চায়- নানা রূপে। তাই সৃষ্টি হলো চিত্রশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, সংগীতশিল্পী, কবি, সাহিত্যিক।
ক
ঝাঁঝি কী?
খ
"বিজন দেশ, কূজন নাই"- পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?
গ
উদ্দীপকটির সঙ্গে 'ঝরনার গান' কবিতার ভাবার্থের সাদৃশ্য বুঝিয়ে লেখো।
ঘ
"উদ্দীপকের পরিপ্রেক্ষিত থেকে বলা যায়, 'ঝরনার গান' কবিতায় কবির নিজস্ব সৌন্দর্যসচেতন মানসিকতাই ঝরনার রূপকে ফুটে উঠেছে।"- মন্তব্যটি মল্যায়ন করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2."বিজন দেশ, কূজন নাই"- পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?

"বিজন দেশ, কূজন নাই"- পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.ঝাঁঝি কী?

ঝাঁঝি কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image মাধবকুন্ড জলপ্রপাতের সামনের জলমগ্ন স্থানে সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীরা আনন্দে মেতেছেন।
ক
শিলার গায় কীসের রং ধরে?
খ
'উপল-ঘায় দিই ঝিলিক,/ দুল দোলাই মন ভোলাই,/ ঝিলমিলাই দিগ্বিদিক।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার ঝরনার কোন প্রত্যাশার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে প্রতিফলিত সৌন্দর্য এবং 'ঝরনার গান' কবিতায় ঝরনার গতিময়তা ও নিজের রূপ বর্ণনা কি একই রক তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image মাধবকুন্ড জলপ্রপাতের সামনের জলমগ্ন স্থানে সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীরা আনন্দে মেতেছেন।
ক
শিলার গায় কীসের রং ধরে?
খ
'উপল-ঘায় দিই ঝিলিক,/ দুল দোলাই মন ভোলাই,/ ঝিলমিলাই দিগ্বিদিক।'- ব্যাখ্যা করো।
গ
উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার ঝরনার কোন প্রত্যাশার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
উদ্দীপকে প্রতিফলিত সৌন্দর্য এবং 'ঝরনার গান' কবিতায় ঝরনার গতিময়তা ও নিজের রূপ বর্ণনা কি একই রক তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.'উপল-ঘায় দিই ঝিলিক,/ দুল দোলাই মন ভোলাই,/ ঝিলমিলাই দিগ্বিদিক।'- ব্যাখ্যা করো।

'উপল-ঘায় দিই ঝিলিক,/ দুল দোলাই মন ভোলাই,/ ঝিলমিলাই দিগ্বিদিক।'- ব্যাখ্যা করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.শিলার গায় কীসের রং ধরে?

শিলার গায় কীসের রং ধরে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
কোথায় ডালিম ফাট দেখা যায়?
খ
ঝরনা কীভাবে পাহাড় থেকে নেমে আসে?
গ
উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার সঙ্গে কীভাবে সাদশ্যপর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার একটি বিশেষ দিকের প্রতিফলন মাত্র, সামগ্রিকতা নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

question image
ক
কোথায় ডালিম ফাট দেখা যায়?
খ
ঝরনা কীভাবে পাহাড় থেকে নেমে আসে?
গ
উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার সঙ্গে কীভাবে সাদশ্যপর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার একটি বিশেষ দিকের প্রতিফলন মাত্র, সামগ্রিকতা নয়।"- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.ঝরনা কীভাবে পাহাড় থেকে নেমে আসে?

ঝরনা কীভাবে পাহাড় থেকে নেমে আসে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.কোথায় ডালিম ফাট দেখা যায়?

কোথায় ডালিম ফাট দেখা যায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

বালিপাথর প্রবাল কিংবা জীববৈচিত্র্যের সমন্বয়ে ভ্রমণপিপাসুদের আকর্ষণীয় অবকাশ কেন্দ্র সেন্টমাটিন। আকাশের নাল আর সমুদ্রের নীল সেখানে মিলেমিশে একাকার, তীরে বাঁধা নৌকা, নান্দনিক নারিকেল বৃক্ষের সারি আর ঢেউয়ের ছন্দ, মৃদু বাতাসের কোমল ছোঁয়া। এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। মূল দ্বীপ ছাড়াও এখানে রয়েছে ক্ষুদ্রদ্বীপ যা ছেঁড়াদ্বীপ বা সিরাদিয়া নমে পরিচিত। সেন্টমার্টিনের সাগরের তলদেশে রয়েছে মনোমুগ্ধকর বিচিত্র প্রাণী ও হরেক রকম জীব। আরো আছে নানান আকারের পাথরের স্তূপ, দুর্লভ প্রবাল, দৃষ্টিনন্দন পাথরের ফুল। একমাত্র বাংলাদেশের সেন্টমার্টিনে প্রবাল জন্ম নেওয়ার মতো পরিবেশ বিরাজমান।.
ক
ছন্দের জাদুকর বলা হয় কোন কবিকে?
খ
ঝরনা কীভাবে ছুটে চলে?
গ
উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার কোন দিকটিকে নির্দেশ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ
"প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিচারে উদ্দীপকের সেন্টমার্টিন ও 'ঝরনার গান' কবিতার ঝরনার রূপবৈচিত্র্য একসূত্রে গাঁথা।" মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

"উদ্দীপকের পরিপ্রেক্ষিত থেকে বলা যায়, 'ঝরনার গান' কবিতায় কবির নিজস্ব সৌন্দর্যসচে"বিজন দেশ, কূজন নাই"- পঙ্ক্তিটি দ্বারা কবি কী বুঝিয়েছেন?ঝাঁঝি কী?উদ্দীপকে প্রতিফলিত সৌন্দর্য এবং 'ঝরনার গান' কবিতায় ঝরনার গতিময়তা ও নিজের রূপ বর্উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার ঝরনার কোন প্রত্যাশার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা ক'উপল-ঘায় দিই ঝিলিক,/ দুল দোলাই মন ভোলাই,/ ঝিলমিলাই দিগ্বিদিক।'- ব্যাখ্যা করো।শিলার গায় কীসের রং ধরে?"মিল থাকলেও উদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার একটি বিশেষ দিকের প্রতিফলন মাত্র, সামগ্রউদ্দীপকটি 'ঝরনার গান' কবিতার সঙ্গে কীভাবে সাদশ্যপর্ণ? ব্যাখ্যা করো।ঝরনা কীভাবে পাহাড় থেকে নেমে আসে?কোথায় ডালিম ফাট দেখা যায়?"প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বিচারে উদ্দীপকের সেন্টমার্টিন ও 'ঝরনার গান' কবিতার ঝরনার র

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।