উদ্দীপকে উল্লিখিত আইনটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে কি দুনীতিমুক্ত করা সম্ভম্ব? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: উদ্দীপকে তথ্য অধিকার আইনের কথা বলা হয়েছে। হ্যা, এ আইনটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে অনেকাংশে দুর্নীতি মুক্ত করা সম্ভব। জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইন একটি যুগান্তকারী আইন। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক গৃহীত তথ্য অধিকার আইনটি ৫ এপ্রিল, ২০০৯ তারিখে রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভকরে এবং এ আইনটি সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হয়। এ আইনটি চালু হওয়ার পূর্বে যেসব তথ্য গোপন ছিল, এখন জনগণ তা জেনে নিজেদের অধিকার যেমন ভোগ করতে পারবে, তেমনি সেসব প্রতিষ্ঠানের কাজের ওপর নজরদারি স্থাপন করা দরকার তাদের কাজকে আরও নিয়মতান্ত্রিক ও সত্যনিষ্ঠ করে তোলা সম্ভব হবে। জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠায় তথ্য অধিকার আইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য অধিকার আইন বাংলাদেশের সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের কাজের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকল্পে প্রণীত যুগান্তকারী এক আইন। এর মাধ্যমে নাগরিকরা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য জানার আইনগত স্বীকৃতি লাভ করে। ফলে কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা তথ্য গোপন করে কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকবে। তথ্য সকলের সামনে উন্মুক্ত থাকার কারণে দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিরা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে বিরত থাকবে। ফলে প্রশাসনিক দুর্নীতি বহুগুণে হ্রাস পাবে। তথ্য অধিকার আইনের ফলে প্রতিষ্ঠানের কাজ হবে স্বচ্ছ, নিয়মতান্ত্রিক এবং সত্যনিষ্ট। যেটা দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে অপরিহার্য। সুতরাং বলা যায়, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রের দুর্নীতি অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব।
SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল
উদ্দীপকে উল্লিখিত আইনটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে কি দুনীতিমুক্…
উদ্দীপক
Chittagong · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর