মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব সেটি হলো কমনওয়েলথ। কমনওয়েলথ-এর সাথে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক রয়েছে। কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৩। কমনওয়েলথ স্বাধীন উপনিবেশগুলোর সাথে ব্রিটেনের সম্পর্ক ধরে রাখার উদ্দেশ্যে গড়ে ওঠে। এর অন্যতম উদ্দেশ্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক উন্নয়নে কাজ করা। উদ্দীপকের মি. জহির বেসামরিক নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটি বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে কাজ করেছে। এরূপ বর্ণনায় কমনওয়েলথের সাদৃশ্য পাওয়া যায়। আর কমনওয়েলথের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বাংলাদেশ সৃষ্টির শুরু থেকেই কমনওয়েলথের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। কমনওয়েলথের মূল উদ্যোক্তা যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যমগুলো বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করেছিল। সেখানে গঠন করা হয়েছিল বাংলাদেশের জন্য সাহায্য তহবিল। কমনওয়েলথ ও এর অন্যান্য সদস্য দেশগুলোর সহায়তায় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ কলম্বো পরিকল্পনার সদস্য। বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী কমনওয়েলথ বৃত্তি নিয়ে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পায়। আলোচনা থেকে এটি তাই স্পষ্ট হয় যে, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর সর্বপ্রথম কমনওয়েলথ-এর সদস্যপদ লাভ করে। আর সদস্যপদ প্রাপ্তির আগে এবং পরবর্তীতে কমনওয়েলথ বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে। তাই কমনওয়েলথের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ট।
SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল
মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক…
উদ্দীপক
Dinajpur · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর