শেয়ারFacebookWhatsApp

তুমি কি মনে কর রমিজ ও রাফসানের সূত্রটি যে প্রস্তাবকে নির্দেশ করে তা দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে? বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: হ্যাঁ, আমি মনে করি রমিজ ও রাফসানের সূত্রটি যে প্রস্তাবকে নির্দেশ করে অর্থাৎ লাহোর প্রস্তাব দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ব্রিটিশ শাসন আমলে অবিভক্ত ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যেও স্বশাসনের চেতনা জাগ্রত হয়। আর এক্ষেত্রে মুসলিম স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মুসলিম লীগ। মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতের মুসলমানদেরকে একটি স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে ঘোষণা করেন। যার ফলে পরবর্তীকালে মুসলমান জনসাধারণের মধ্যে আলাদা-আবাসভূমির চিন্তা জাগ্রত হয়। এ চিন্তাধারার আলোকেই ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হক কর্তৃক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। মূলত লাহোর প্রস্তাবে ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দুটি অঞ্চলে দুটি পৃথক রাষ্ট্র গঠনের চিন্তা করা হয়। লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্যগুলো ছিল- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সংলগ্ন স্থানসমূহকে পৃথক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এসব অঞ্চল এমনভাবে গঠন করতে হবে যাতে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের জন্য 'স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ' গঠন করা যায়। এসব স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের ইউনিট বা অঙ্গরাজ্যগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম। অর্থাৎ আঞ্চলিক স্বাধিকার, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সার্বভৌমত্ব অর্জনই ছিল লাহোর প্রস্তাবের মূলনীতি। লাহোর প্রস্তাবের কোথাও 'পাকিস্তান' কথাটি ছিল না, যদিও এ প্রস্তাব 'পাকিস্তান প্রস্তাব' নামে পরিচিতি লাভ করে। লাহোর প্রস্তাবে কার্যত ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দুটি অঞ্চলে দুটি পৃথক রাষ্ট্র গঠনের চিন্তা করা হয়। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায়ও তাই হওয়ার কথা। ১৯৪৬ সালে জিন্নাহর নেতৃত্বে 'দিল্লি মুসলিম লেজিসলেটরস কনভেনশন'-এ মুসলমানদের একাধিক রাষ্ট্র-পরিকল্পনাকে বাদ দিয়ে এক পাকিস্তান পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সে অনুযায়ী ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট ভারত বিভক্ত হয়ে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়। ভারত উপমহাদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চল নিয়ে সৃষ্টি হয় পাকিস্তান ও বাকি অংশ নিয়ে ভারত ইউনিয়ন। আলোচনার পরিশেষে তাই বলা যায়- প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি সঠিক।

SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল

তুমি কি মনে কর রমিজ ও রাফসানের সূত্রটি যে প্রস্তাবকে নির্দেশ করে তা…

উদ্দীপক

রমিজ, রমেশ ও রাফসান যথাক্রমে 'ক', 'খ' ও 'গ' অঞ্চলে বাস করত। তাদের শাসন করত বিদেশি শক্তি। রমিজ ও রাফসান একটি সূত্রের মাধ্যমে তারা একই ভাবধারার বিধায় স্বতন্ত্র জাতির কথা প্রচার করে। এ সূত্রের ভিত্তিতে পরবর্তীতে দুটি রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়।

Mymensingh · 2024

উত্তর

মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন জেনারেল আইয়ুব খান।

উত্তর

গেরিলা যুদ্ধ হলো যুদ্ধের একটি বিশেষ কৌশল, যার মাধ্যমে শত্রুদের অপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাদের ঘায়েল করা হয়। গেরিলা যুদ্ধ এমন এক ধরনের যুদ্ধ পদ্ধতি যেখানে ভূমি এবং ভৌগোলিক সুবিধা ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের ওপরে প্রাধান্য বিস্তার করা হয়। গেরিলাযুদ্ধ অনেক সময়েই দুর্গম বনাঞ্চল এলাকায় হয়ে থাকে। গেরিলারা যুদ্ধ করার জন্য এবং সামরিক বাহিনীকে মোকাবিলা করার জন্য অনেক রকম সামরিক কৌশল যেমন, অতর্কিত হামলা, অন্তর্ঘাত, ইট ইত্যাদি ব্যবহার করে থাকে। বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা এ পদ্ধতিতেই শত্রুসেনাদের ঘায়েল করে।

উত্তর

রমিজ ও রাফসানের সূত্রটি লাহোর প্রস্তাবকে নির্দেশ করে। ১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ পাঞ্জাবের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হক উপমহাদেশের মুসলমানদের স্বার্থ-সম্বলিত একটি প্রস্তাব পেশ করেন। জিন্নাহর সভাপতিত্বে সভায় প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' বা 'পাকিস্তান প্রস্তাব' নামে পরিচিত। উদ্দীপকের রমিজ, রমেশ ও রাফসান যথাক্রমে ক, খ ও গ অঞ্চলে বাস করতো। তাদের শাসন করতো বিদেশি শক্তি। রমিজ ও রাফসান একটি সূত্রের মাধ্যমে তারা একই ভাবধারার বিধায় স্বতন্ত্র জাতির কথা প্রচার করে। এ সূত্রের ভিত্তিতে পরবর্তীতে দুটি রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়। এরূপ বর্ণনা স্পষ্টভাবে লাহোর প্রস্তাবকে উপস্থাপন করে। লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্য বা বৈশিষ্ট্য ছিল নিম্নরূপ- ১. ভৌগোলিক দিক থেকে সংলগ্ন এলাকাগুলোকে পৃথক অঞ্চল বলে গণ্য করতে হবে। ২. এসব অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমানা প্রয়োজনমত পরিবর্তন করে ভারতবর্ষের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের যে সকল স্থানে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেখানে 'স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ' প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ৩. এ সমস্ত স্বাধীন রাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হবে সার্বভৌম ও স্বায়ত্ত্বশাসিত। ৪. ভারতের ও নবগঠিত মুসলিম রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক, শাসনতান্ত্রিক ও অন্যান্য অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা করা হবে। ৫. দেশের যেকোনো ভবিষ্যৎ শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনায় উক্ত বিষয়গুলোকে মৌলিক নীতি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।

উত্তর

হ্যাঁ, আমি মনে করি রমিজ ও রাফসানের সূত্রটি যে প্রস্তাবকে নির্দেশ করে অর্থাৎ লাহোর প্রস্তাব দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করে। ব্রিটিশ শাসন আমলে অবিভক্ত ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যেও স্বশাসনের চেতনা জাগ্রত হয়। আর এক্ষেত্রে মুসলিম স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মুসলিম লীগ। মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতের মুসলমানদেরকে একটি স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে ঘোষণা করেন। যার ফলে পরবর্তীকালে মুসলমান জনসাধারণের মধ্যে আলাদা-আবাসভূমির চিন্তা জাগ্রত হয়। এ চিন্তাধারার আলোকেই ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ. কে. ফজলুল হক কর্তৃক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। মূলত লাহোর প্রস্তাবে ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দুটি অঞ্চলে দুটি পৃথক রাষ্ট্র গঠনের চিন্তা করা হয়। লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্যগুলো ছিল- ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সংলগ্ন স্থানসমূহকে পৃথক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। এসব অঞ্চল এমনভাবে গঠন করতে হবে যাতে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের জন্য 'স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ' গঠন করা যায়। এসব স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের ইউনিট বা অঙ্গরাজ্যগুলো হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম। অর্থাৎ আঞ্চলিক স্বাধিকার, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সার্বভৌমত্ব অর্জনই ছিল লাহোর প্রস্তাবের মূলনীতি। লাহোর প্রস্তাবের কোথাও 'পাকিস্তান' কথাটি ছিল না, যদিও এ প্রস্তাব 'পাকিস্তান প্রস্তাব' নামে পরিচিতি লাভ করে। লাহোর প্রস্তাবে কার্যত ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দুটি অঞ্চলে দুটি পৃথক রাষ্ট্র গঠনের চিন্তা করা হয়। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায়ও তাই হওয়ার কথা। ১৯৪৬ সালে জিন্নাহর নেতৃত্বে 'দিল্লি মুসলিম লেজিসলেটরস কনভেনশন'-এ মুসলমানদের একাধিক রাষ্ট্র-পরিকল্পনাকে বাদ দিয়ে এক পাকিস্তান পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। সে অনুযায়ী ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট ভারত বিভক্ত হয়ে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়। ভারত উপমহাদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চল নিয়ে সৃষ্টি হয় পাকিস্তান ও বাকি অংশ নিয়ে ভারত ইউনিয়ন। আলোচনার পরিশেষে তাই বলা যায়- প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি সঠিক।
SSCপৌরনীতি ও নাগরিকতাপাঠ্যসূচি বহির্ভূত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. আজিজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত। ২০১৫ সালে তিনি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে গোলযোগপূর্ণ সুদানে শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অন্যদিকে মি. জহির বেসামরিক নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও অন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটি বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে কাজ করেছে।

Dinajpur · 2023

ক
কমনওয়েলথ প্রধান কে?
খ
অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
মি. আজিজ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে কর্মরত? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. আজিজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত। ২০১৫ সালে তিনি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে গোলযোগপূর্ণ সুদানে শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অন্যদিকে মি. জহির বেসামরিক নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও অন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটি বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে কাজ করেছে।

Dinajpur · 2023

ক
কমনওয়েলথ প্রধান কে?
খ
অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
মি. আজিজ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে কর্মরত? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।

অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কমনওয়েলথ প্রধান কে?

কমনওয়েলথ প্রধান কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হামিদ সাহেব 'সন্তোশপুর' গ্রামের একজন রাজনৈতিক নেতা। তিনি বিভিন্ন সময়ে সমাজের নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। একসময় জনগণের দুঃখ লাঘবের আশায় তিনি বিভিন্ন দাবি সম্বলিত একটি প্রস্তাব বার্ষিক কাউন্সিলর অধিবেশনে পেশ করেন।

Dinajpur · 2023

ক
লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?
খ
দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?
গ
হামিদ সাহেবের দাবিটি ঐতিহাসিক কোন প্রস্তাবকে স্মরণ করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে বলা যায়, "ঐ প্রস্তাবেই ৭১-এর স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হামিদ সাহেব 'সন্তোশপুর' গ্রামের একজন রাজনৈতিক নেতা। তিনি বিভিন্ন সময়ে সমাজের নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। একসময় জনগণের দুঃখ লাঘবের আশায় তিনি বিভিন্ন দাবি সম্বলিত একটি প্রস্তাব বার্ষিক কাউন্সিলর অধিবেশনে পেশ করেন।

Dinajpur · 2023

ক
লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?
খ
দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?
গ
হামিদ সাহেবের দাবিটি ঐতিহাসিক কোন প্রস্তাবকে স্মরণ করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে বলা যায়, "ঐ প্রস্তাবেই ৭১-এর স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?

দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?

লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' সংস্থার সভাপতি সংস্থাটির প্রশাসনিক প্রধান। সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শে তিনি সংস্থা পরিচালনা করেন। তার নামে সংস্থা পরিচালিত হলেও তিনি আনুষ্ঠানিক প্রধান। সাধারণ সম্পাদক সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান। তিনি সদস্যদের মাঝে কাজ বণ্টন করে দেন এবং তাদের কাজের তদারকি করেন। তিনিই সংস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি পদত্যাগ করলে সংস্থাটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।

Dinajpur · 2023

ক
বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
খ
এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
গ
'ক' সংস্থার সভাপতির সাথে বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কার কাজের মিল খুঁজে পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' সংস্থার সভাপতি সংস্থাটির প্রশাসনিক প্রধান। সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শে তিনি সংস্থা পরিচালনা করেন। তার নামে সংস্থা পরিচালিত হলেও তিনি আনুষ্ঠানিক প্রধান। সাধারণ সম্পাদক সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান। তিনি সদস্যদের মাঝে কাজ বণ্টন করে দেন এবং তাদের কাজের তদারকি করেন। তিনিই সংস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি পদত্যাগ করলে সংস্থাটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।

Dinajpur · 2023

ক
বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
খ
এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
গ
'ক' সংস্থার সভাপতির সাথে বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কার কাজের মিল খুঁজে পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?

বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।মি. আজিজ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে কর্মরত? ব্যাখ্যা কর।অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।কমনওয়েলথ প্রধান কে?উদ্দীপকের আলোকে বলা যায়, "ঐ প্রস্তাবেই ৭১-এর স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল"- উক্তিটি হামিদ সাহেবের দাবিটি ঐতিহাসিক কোন প্রস্তাবকে স্মরণ করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?'ক' সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার আলোকে বিশ্লেষণ 'ক' সংস্থার সভাপতির সাথে বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কার কাজের মিল খুঁজে পাওয়া যায়এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।