শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের 'Q [গণিত] ইউনিয়নের 'M [গণিত] নেতার দাবিসমূহের অনুরূপ দাবিগুলোই ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকের 'Q [গণিত] ইউনিয়ন ও 'M [গণিত] নেতার মাধ্যমে যথাক্রমে পূর্ব পাকিস্তান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পায়। আর বঙ্গবন্ধু পেশকৃত ১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবি ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ বক্তব্যটি যথার্থ। ৬ দফা দাবি ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি। এটি ছিল বাঙালি জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং এর প্রতি সর্বস্তরের বাঙালির সমর্থন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। বাঙালি জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদের ধারণা উন্মেষ ঘটানোর ক্ষেত্রে ৬ দফা দাবির গুরুত্ব অসীম। আর এ জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। উদ্দীপকের ' ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজ এলাকার জনগণকে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বেশি সুযোগ দেয় এবং বাজেট বরাদ্দের বেশির ভাগ টাকা নিজ এলাকার উন্নয়নে খরচ করে। ফলে বঞ্চিত এলাকার জনগণের প্রাণপ্রিয় নেতা 'M [গণিত] নিজেদের ন্যায্য দাবি-সম্বলিত কয়েকটি প্রস্তাব চেয়ারম্যানের কাছে তুলে ধরেন। এরূপ ঘটনা পাকিস্তানি প্রশাসনের পূ র্বপাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যের চিত্র এবং তার প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দাবির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে। বঙ্গবন্ধু পেশকৃত এই ৬ দফা দাবি ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ। কারণ, বাংলাদেশ স্বাধীনতাপূর্ব শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে এটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছয় দফা দাবির বাস্তবায়নে বাংলার জনমানুষের ভাগ্য ফিরেছিল আর বিনিময়ে শেখ মুজিব পেয়েছিলেন রাষ্ট্রদ্রোহিতার মিথ্যা মামলা। কার্যত এই ৬ দফার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি ধাঁচের বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ভেঙে বাঙালির জাতীয় মুক্তির লক্ষ্য স্থির হয়। কেননা এ কর্মসূচিতে পাকিস্তানকে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার গঠন করার প্রস্তাব করা হয়। এ প্রস্তাবের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের স্বশাসন ও পূর্ণ মৌলিক অধিকারের শর্ত নিহিত ছিল। আবার, দুটি পৃথক রাজ্যের জন্য পৃথক রাজস্ব, আর্থিক নীতি ও আলাদা মুদ্রা দাবি করা হয়। এর মাঝে অর্থনৈতিকভাবে সক্ষমতা তৈরির পথ উন্মুক্ত করা হয়। দেশ রক্ষা ও পররাষ্ট্র ব্যতীত সরকারের অবশিষ্ট বিষয়গুলো প্রদেশসমূহের হাতে ন্যস্ত রাখার প্রস্তাবে বাঙালির অদম্য স্বাধীনচেতা ভাবটি পুনর্গঠিত হয়। আলোচনা পরিশেষে বলা যায়, ঐতিহাসিক ছয় দফা ছিল বাঙালির স্বায়ত্ত্বশাসনের ঐতিহাসিক দলিল। আর তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থই হয়েছে।

SSC পৌরনীতি ও নাগরিকতা পাঠ্যসূচি বহির্ভূত CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

SSC · পৌরনীতি ও নাগরিকতা · পাঠ্যসূচি বহির্ভূত · সৃজনশীল

উদ্দীপকের 'Q ইউনিয়নের 'M নেতার দাবিসমূহের অনুরূপ দাবিগুলোই ছিল বা…

উদ্দীপক

'P′P^{\prime} দেশটি উত্তর ও দক্ষিণ দুই অংশে বিভক্ত। দেশটির শাসকগোষ্ঠী উত্তরাংশের সংস্কৃতি দক্ষিণাংশের উপর চাপিয়ে দিলে দক্ষিণাংশের জনগণ প্রতিবাদী হয়ে উঠে এবং এর ফলে বিশেষ আন্দোলনের সৃষ্টি হয়। অপরদিকে 'Q′Q^{\prime} ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজ এলাকার জনগণকে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বেশি সুযোগ দেয় এবং বাজেট বরাদ্দের বেশির ভাগ টাকা নিজ এলাকার উন্নয়নে খরচ করে। ফলে বঞ্চিত এলাকার জনগণের প্রাণপ্রিয় নেতা 'M′M^{\prime} নিজেদের ন্যায্য দাবি-সম্বলিত কয়েকটি প্রস্তাব চেয়ারম্যানের কাছে তুলে ধরেন।

Comilla · 2023

উত্তর

আগরতলা মামলার আনুষ্ঠানিক নাম ছিল 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'।

উত্তর

২৫ মার্চ বাঙালির ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে দেশব্যাপী শুরু হয় পৃথিবীর ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসলীলা। ঘুমন্ত নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে হানাদার বাহিনী চালাতে থাকে পৈশাচিক হত্যাযজ্ঞ। তারা ঢাকাসহ অন্যান্য শহরেও হাজার হাজার নিরীহ, নিরস্ত্র বাঙালিকে নির্মমভাবে হত্যা করে। এ কারণে ২৫ মার্চকে ইতিহাসে কালরাত্রি হিসেবে অভিহিত করা হয়।

উত্তর

উদ্দীপকের 'P′P^{\prime} দেশটির আন্দোলন আমার পাঠ্যবইয়ের ১৯৫২ সালে সংঘটিত ভাষা আন্দোলনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। বাঙালির জাতীয় জীবনে যেসব ঘটনা সুদূরপ্রসারী প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন। পাকিস্তান সৃষ্টির শুরু থেকেই এ আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার্থে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে বাঙালির রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ। প্রিয় মাতৃভাষায় কথা বলার ন্যায্য দাবি আদায়ে আন্দোলন করাটা ছিল তাদের একমাত্র অপরাধ। উদ্দীপকের 'P′P^{\prime} দেশটি উত্তর ও দক্ষিণ দুই অংশে বিভক্ত। দেশটির শাসকগোষ্ঠী উত্তরাংশের সংস্কৃতি দক্ষিণাংশের উপর চাপিয়ে দিলে দক্ষিণাংশের জনগণ প্রতিবাদী হয়ে উঠে এবং এর ফলে বিশেষ আন্দোলনের সৃষ্টি হয়। এরূপ সংস্কৃতি আন্দোলন মূলত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে উপস্থাপন করে। ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটলেও আমাদের দেশে ভাষা আন্দোলনের দাবি প্রবল হয় যখন রেসকোর্স ময়দানে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর 'একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' ঘোষিত হয়। এরপর ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন আবার ঘোষণা করেন উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। এসময় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং উর্দুর বিরুদ্ধে ধর্মঘট পালিত হয়। সরকার কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারির আগের দিন ঢাকা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি প্রাদেশিক পরিষদের অধিবেশনকে সামনে রেখে মাতৃভাষা বাংলাকে প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও সর্বস্তরের জনগণ মিছিল বের করে এবং তাদের ওপর পুলিশ গুলি চালায়। ফলে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও নাম না জানা অনেকে শহিদ হন।

উত্তর

উদ্দীপকের 'Q′Q^{\prime} ইউনিয়ন ও 'M′M^{\prime} নেতার মাধ্যমে যথাক্রমে পূর্ব পাকিস্তান ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ পায়। আর বঙ্গবন্ধু পেশকৃত ১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবি ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ বক্তব্যটি যথার্থ। ৬ দফা দাবি ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি। এটি ছিল বাঙালি জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এবং এর প্রতি সর্বস্তরের বাঙালির সমর্থন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত। বাঙালি জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদের ধারণা উন্মেষ ঘটানোর ক্ষেত্রে ৬ দফা দাবির গুরুত্ব অসীম। আর এ জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে মুক্তিসংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। উদ্দীপকের ' ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিজ এলাকার জনগণকে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বেশি সুযোগ দেয় এবং বাজেট বরাদ্দের বেশির ভাগ টাকা নিজ এলাকার উন্নয়নে খরচ করে। ফলে বঞ্চিত এলাকার জনগণের প্রাণপ্রিয় নেতা 'M′M^{\prime} নিজেদের ন্যায্য দাবি-সম্বলিত কয়েকটি প্রস্তাব চেয়ারম্যানের কাছে তুলে ধরেন। এরূপ ঘটনা পাকিস্তানি প্রশাসনের পূ র্বপাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যের চিত্র এবং তার প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দাবির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে। বঙ্গবন্ধু পেশকৃত এই ৬ দফা দাবি ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ। কারণ, বাংলাদেশ স্বাধীনতাপূর্ব শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসে এটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছয় দফা দাবির বাস্তবায়নে বাংলার জনমানুষের ভাগ্য ফিরেছিল আর বিনিময়ে শেখ মুজিব পেয়েছিলেন রাষ্ট্রদ্রোহিতার মিথ্যা মামলা। কার্যত এই ৬ দফার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি ধাঁচের বৈষম্যমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ভেঙে বাঙালির জাতীয় মুক্তির লক্ষ্য স্থির হয়। কেননা এ কর্মসূচিতে পাকিস্তানকে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার গঠন করার প্রস্তাব করা হয়। এ প্রস্তাবের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের স্বশাসন ও পূর্ণ মৌলিক অধিকারের শর্ত নিহিত ছিল। আবার, দুটি পৃথক রাজ্যের জন্য পৃথক রাজস্ব, আর্থিক নীতি ও আলাদা মুদ্রা দাবি করা হয়। এর মাঝে অর্থনৈতিকভাবে সক্ষমতা তৈরির পথ উন্মুক্ত করা হয়। দেশ রক্ষা ও পররাষ্ট্র ব্যতীত সরকারের অবশিষ্ট বিষয়গুলো প্রদেশসমূহের হাতে ন্যস্ত রাখার প্রস্তাবে বাঙালির অদম্য স্বাধীনচেতা ভাবটি পুনর্গঠিত হয়। আলোচনা পরিশেষে বলা যায়, ঐতিহাসিক ছয় দফা ছিল বাঙালির স্বায়ত্ত্বশাসনের ঐতিহাসিক দলিল। আর তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থই হয়েছে।
SSCপৌরনীতি ও নাগরিকতাপাঠ্যসূচি বহির্ভূত
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. আজিজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত। ২০১৫ সালে তিনি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে গোলযোগপূর্ণ সুদানে শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অন্যদিকে মি. জহির বেসামরিক নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও অন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটি বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে কাজ করেছে।

Dinajpur · 2023

ক
কমনওয়েলথ প্রধান কে?
খ
অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
মি. আজিজ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে কর্মরত? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

মি. আজিজ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত। ২০১৫ সালে তিনি একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে গোলযোগপূর্ণ সুদানে শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। অন্যদিকে মি. জহির বেসামরিক নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও অন্য একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটি বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে কাজ করেছে।

Dinajpur · 2023

ক
কমনওয়েলথ প্রধান কে?
খ
অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।
গ
মি. আজিজ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে কর্মরত? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।

অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.কমনওয়েলথ প্রধান কে?

কমনওয়েলথ প্রধান কে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হামিদ সাহেব 'সন্তোশপুর' গ্রামের একজন রাজনৈতিক নেতা। তিনি বিভিন্ন সময়ে সমাজের নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। একসময় জনগণের দুঃখ লাঘবের আশায় তিনি বিভিন্ন দাবি সম্বলিত একটি প্রস্তাব বার্ষিক কাউন্সিলর অধিবেশনে পেশ করেন।

Dinajpur · 2023

ক
লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?
খ
দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?
গ
হামিদ সাহেবের দাবিটি ঐতিহাসিক কোন প্রস্তাবকে স্মরণ করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে বলা যায়, "ঐ প্রস্তাবেই ৭১-এর স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

হামিদ সাহেব 'সন্তোশপুর' গ্রামের একজন রাজনৈতিক নেতা। তিনি বিভিন্ন সময়ে সমাজের নিপীড়িত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতেন। একসময় জনগণের দুঃখ লাঘবের আশায় তিনি বিভিন্ন দাবি সম্বলিত একটি প্রস্তাব বার্ষিক কাউন্সিলর অধিবেশনে পেশ করেন।

Dinajpur · 2023

ক
লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?
খ
দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?
গ
হামিদ সাহেবের দাবিটি ঐতিহাসিক কোন প্রস্তাবকে স্মরণ করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
উদ্দীপকের আলোকে বলা যায়, "ঐ প্রস্তাবেই ৭১-এর স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল"- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?

দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?

লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' সংস্থার সভাপতি সংস্থাটির প্রশাসনিক প্রধান। সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শে তিনি সংস্থা পরিচালনা করেন। তার নামে সংস্থা পরিচালিত হলেও তিনি আনুষ্ঠানিক প্রধান। সাধারণ সম্পাদক সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান। তিনি সদস্যদের মাঝে কাজ বণ্টন করে দেন এবং তাদের কাজের তদারকি করেন। তিনিই সংস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি পদত্যাগ করলে সংস্থাটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।

Dinajpur · 2023

ক
বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
খ
এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
গ
'ক' সংস্থার সভাপতির সাথে বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কার কাজের মিল খুঁজে পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক

'ক' সংস্থার সভাপতি সংস্থাটির প্রশাসনিক প্রধান। সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শে তিনি সংস্থা পরিচালনা করেন। তার নামে সংস্থা পরিচালিত হলেও তিনি আনুষ্ঠানিক প্রধান। সাধারণ সম্পাদক সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান। তিনি সদস্যদের মাঝে কাজ বণ্টন করে দেন এবং তাদের কাজের তদারকি করেন। তিনিই সংস্থার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি পদত্যাগ করলে সংস্থাটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।

Dinajpur · 2023

ক
বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
খ
এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।
গ
'ক' সংস্থার সভাপতির সাথে বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কার কাজের মিল খুঁজে পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা কর।
ঘ
'ক' সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার আলোকে বিশ্লেষণ কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?

বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

মি. জহির যে আন্তর্জাতিক সংস্থার মহাসচিব তার সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিশ্লেষণ কর।মি. আজিজ কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার অধীনে কর্মরত? ব্যাখ্যা কর।অছি এলাকা কী? ব্যাখ্যা কর।কমনওয়েলথ প্রধান কে?উদ্দীপকের আলোকে বলা যায়, "ঐ প্রস্তাবেই ৭১-এর স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল"- উক্তিটি হামিদ সাহেবের দাবিটি ঐতিহাসিক কোন প্রস্তাবকে স্মরণ করিয়ে দেয়? ব্যাখ্যা কর।দ্বি-জাতি তত্ত্ব বলতে কী বোঝায়?লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?'ক' সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার আলোকে বিশ্লেষণ 'ক' সংস্থার সভাপতির সাথে বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কার কাজের মিল খুঁজে পাওয়া যায়এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।বাংলাদেশে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।