উদ্দীপকে 'খ' ও 'গ' দ্বারা যথাক্রমে অবস্থার ধ্রুবকতা বা সমতা এবং তূল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশল দুটিকে নির্দেশ করা হয়েছে। বাহ্যিক চল নিয়ন্ত্রণে এদের প্রভাব অতীব গুরুত্বপূর্ণ ।
সব চলকে সবসময় পরীক্ষণ পরিবেশ থেকে অপসারণ করা যায় না । এক্ষেত্রে অবস্থার ধ্রুবকতা কৌশলটি ব্যবহার করতে হয়। এ সকল চলকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে লক্ষ রাখতে হবে যে, পরীক্ষণে অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষণপাত্রের উপরই যেন এগুলো অপরিবর্তনশীলভাবে ক্রিয়াশীল থাকে । যেমন— পরীক্ষণপাত্রের প্রতি নির্দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত যার উপর পরীক্ষণের ফলাফল বহুলাংশে নির্ভর করে। নির্দেশনাবলি মুখে বলতে গেলে কোনো বিশেষ দিক বাদ পড়তে পারে বা বিভিন্ন পরীক্ষণপাত্রের নিকট নির্দেশনাবলি বলা হুবহু একই রকম নাও হতে পারে। তাই পরীক্ষণ পরিস্থিতির অপরিবর্তনশীলতা রক্ষা করার জন্য সকল পরীক্ষণপাত্রকে একই লিখিত নির্দেশনাবলি প্রদান করতে হবে।
আবার এমন কতগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয়। একটি দলকে পরীক্ষণ দল এবং অন্য দলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। এ দুটি দল সব শর্তের দিক থেকে সমান বা সমতুল্য থাকবে। পার্থক্য শুধু এই যে, পরীক্ষণ দলে অনির্ভরশীল চল প্রয়োগ করা হয় কিন্তু নিয়ন্ত্রিত দলে উক্ত চল প্রয়োগ করা হয় না।
সুতরাং যথার্থই বলা যায়, বাহ্যিক চল নিয়ন্ত্রণে 'খ' ও 'গ' তথা অবস্থার ধ্রুবকতা বা সমতা এবং তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি কৌশল দুটির প্রভাব অতীব গুরুত্বপূর্ণ।