উদ্দীপকে শাহীন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বলতে পরীক্ষণ পদ্ধতির কথা বলেছে।
শাহীনের মতে, পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির চেয়ে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনেক বেশি ভালো। সুতরাং এ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিটি পরীক্ষণ পদ্ধতিকে নির্দেশ করে । নিচে পরীক্ষণ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কা হলো-
মনোবিজ্ঞানে ব্যবহৃত মূল পদ্ধতি হলো পরীক্ষণ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে সুপরিকল্পিত অবস্থার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অনুসন্ধানকার্য পরিচালনা করা হয়। প্রায়োগিক সংজ্ঞা প্রদান, বস্তুনিষ্ঠতা, প্রয়োজন অনুযায়ী চলে পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ প্রভৃতি এ পদ্ধতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য ।
পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বস্তুনিষ্ঠভাবে অনুসন্ধানকার্য পরিচালনা করা হয় এবং নির্দিষ্ট বিষয়কে সহজে ও স্পষ্টভাবে পর্যবেক্ষণযোগ্য ভাষায় সংক্ষেপে নির্ণয় করা হয়। পরীক্ষণ পদ্ধতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এখানে পরীক্ষক তার ইচ্ছানুযায়ী চল নিয়ন্ত্রণ মাত্র, পরিমাণ বা শক্তি পরিবর্তন করে গবেষণাকার্য পরিচালনা করতে পারে। এ পদ্ধতিতে পরিসংখ্যানিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রাপ্ত ফলাফলের মাধ্যমে সাধারণীকরণ তথা ফলাফল সকলের জন্য সত্য ও প্রযোজ্য মনে করা হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সকল বৈশিষ্ট্য উপস্থিত থাকার কারণে পরীক্ষণ পদ্ধতিকে বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি বলা হয়ে থাকে।