উদ্দীপকে 'গ' ও 'ঘ' চিহ্নিত দুটি চল হলো যথাক্রমে মধ্যবর্তী চল ও বাহ্যিক চল । নিচে এদের গুরুত্ব তুলে ধরা হলো-
মধ্যবর্তী বা অন্তবর্তী চল : এ চল অনির্ভরশীল ও নির্ভরশীল চলের মধ্যে সংযোগ বা সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে। আমরা জানি, ব্যক্তির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্যের ফলেও আচরণের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। ব্যক্তির শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে যে সব চলের উদ্ভব হয়, তাকে মধ্যবর্তী চল বলে । এটা অন্তর্বর্তী বা জৈবিক চল নামেও পরিচিত। যেমন, বয়স, লিঙ্গ, অভ্যাস, অভিজ্ঞতা, প্রেষণা ইত্যাদি মধ্যবর্তী চল । উপরোক্ত উদাহরণে কবিতা আবৃতির ক্ষেত্রে ৬০ বছরের বৃদ্ধের তা মুখস্থ করতে যে সময় লাগবে,, ২৫ বছরের যুবকের তা নাও লাগতে পারে। আবার লিঙ্গভেদে অর্থাৎ বালক ও বালিকার ক্ষেত্রেও মুখস্থ করার সময়ের তারতম্য হতে পারে।
বাহ্যিক চল : যেসব চলের প্রভাব পরীক্ষণ পরিবেশে দেখতে চাওয়া হয় সেগুলো বাদে অন্য যেসব চল পরীক্ষণের ফলাফলের প্রভাব বিস্তার করে সেগুলোকে বাহ্যিক চল বলা হয়। খুব সাধারণ কথায় বলা যায় যে, কোনো পরীক্ষণে অনির্ভরশীল চল ও নির্ভরশীল চল ব্যতীত অন্যান্য চল যেগুলো কোনো না কোনো উপায়ে নির্ভরশীল চলকে প্রভাবিত করতে পারে সেগুলোকে বলা হয় বাহ্যিক চল ।
বাহ্যিক চল যত ভালোভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে পরীক্ষণের ফলাফল ততো বেশি নির্ভুল হবে। বাইরের পরিবেশের কোনো উদ্দীপক যেমন, গণ্ডগোল, আলো, তাপ ব্যক্তির উপস্থিতি ইত্যাদি বাহ্যিক চলের উদাহরণ।