ক্রীড়া শিক্ষক দল গঠন করার ক্ষেত্রে দৈবায়ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল। এর মাধ্যমে পরীক্ষণে পক্ষপাতহীনভাবে নমুনা বা পরীক্ষণপাত্র নির্বাচন করা হয়। কোনো মনোবৈজ্ঞানিক পরীক্ষণ বা গবেষণায় পরীক্ষণপাত্রের শিক্ষণ, অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত পরিচিতি; প্রেষণার মাত্রা ইত্যাদি অবাঞ্ছিত চলের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
উদ্দীপকে উল্লেখিত ক্রিড়া শিক্ষক খেলোয়াড় নির্বাচন বা দল গঠনে দৈবায়ন পদ্ধতির একটি কার্যক্রম ব্যবহার করে, যা জোড় বা বিজোড় পদ্ধতি নামে পরিচিত। সাধারণত পক্ষপাতহীন তথা বিক্ষিপ্তভাবে নমুনা নির্বাচনের ক্ষেত্রে জোড় বা বিজোড় পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। ৩০ জন খেলোয়াড়কে ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত ক্রমিক মান দিয়ে সাজানো হয় এবং জোড় ও বিজোড় সংখ্যার ভিত্তিতে খেলোয়াড়দের দুটি দলে ভাগ করা হয় । অর্থাৎ ৩০ জন খেলোয়াড়-এর মধ্যে
জোড় দলে : ২, ৪, ৬, ৮, ১০, ১২, ১৪, ১৬, ১৮, ২০, ২২, ২৪, ২৬, ২৮, ৩০
বিজোড় দলে : ১, ৩, ৫, ৭, ৯, ১১, ১৩, ১৫, ১৭, ১৯, ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯