মনোবিজ্ঞানকে কী বিজ্ঞান বলা যায়? কেন?
উত্তর: যেকোনো শ্রেণির বস্তু বা ঘটনা সম্পর্কে যথাযথ ও সুসংবদ্ধ জ্ঞানকে বলা হয় বিজ্ঞান। যেমন পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান প্রভৃতি। বিজ্ঞানের এই শাখাসমূহ জগতের এবং একটি বিশেষ বিভাগের বিভিন্ন বস্তু বা ঘটনা সম্বন্ধে সুশৃঙ্খল ও সুসংবদ্ধ জ্ঞানের সমাহার। বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য বিভিন্ন বস্তু ও ঘটনাকে বিশ্লেষণ করে সাধারণ নিয়ম আবিষ্কার করা। প্রতিটি প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন বস্তু বা ঘটনা সম্বন্ধে সাধারণ নিয়ম আবিষ্কার করা, সেগুলো সুশৃঙ্খলভাবে সংঘবদ্ধ করা এবং ঐ সব নিয়মের সাহায্যে বস্তু ও ঘটনার ব্যাখ্যা করা। মনোবিজ্ঞানও এর ব্যতিক্রম নয়। মনোবিজ্ঞানের উদ্দেশ্য হলো মানুষের আচরণ বিশ্লেষণ করে কতকগুলো সাধারণীকরণসহ নিয়ম আবিষ্কার করা এবং ঐ সব নিয়মের দ্বারা মানুষের আচরণকে ব্যাখ্যা করা। বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার বিষয়বস্তু নয় তার পদ্ধতি। তেমনিভাবে মনোবিজ্ঞানে আচরণকে বিশ্লেষণ করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে পরীক্ষণ পদ্ধতি বা পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়। একজন মনোবিজ্ঞানী যখন কোন আচরণ পর্যবেক্ষণ করেন। তখন তিনি গবেষণাগারে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশেই তা করে থাকেন। মনোবিজ্ঞানীর উদ্দেশ্য হলো আচরণের কার্যকারণ আবিষ্কার করা। এই কার্যকারণ আবিষ্কার করতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ওপর জোর দেওয়া হয়। অন্যান্য প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের মতো মনোবিজ্ঞানেও সকল ধরনের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে গবেষণা করা হয়। তাই মনোবিজ্ঞানকে বিজ্ঞান বলা যায়।
HSC Psychology 2nd Paper Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Psychology 2nd Paper · Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ · সৃজনশীল
মনোবিজ্ঞানকে কী বিজ্ঞান বলা যায়? কেন?
উদ্দীপক
চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ · 2025
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


