উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ ড. ফাতেমা পরীক্ষণ পদ্ধতি ব্যবহার করেন। নিচে এ পদ্ধতির অসুবিধাগুলো তুলে ধরা হলো-
১. যেসব আচরণ ইচ্ছেমতো গবেষণাগারে তৈরি করা যায় না, সেসব আচরণের উপর পরীক্ষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায় না। যেমন ধরা যাক, বিবাহ বিচ্ছেদের কারণগুলো কী কী? বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটনাটি গবেষণাগারে সৃষ্টি করা সম্ভব নয়। সুতরাং, এ ধরনের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পরীক্ষণ পদ্ধতি অকার্যকর।
২. অনেক সময় পরীক্ষণ-কার্য পর্যবেক্ষণীয় আচরণের উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। যেমন- আমরা যদি শিক্ষণের উপর মনোযোগের প্রভাব নির্ণয় করতে চাই, তাহলে পরীক্ষণ পাত্রেরা শুধু পরীক্ষার সম্মুখীন হওয়ার দরুন বেশি মনোযোগী হয়ে পড়তে পারে। সেজন্য হয়তো পরীক্ষণের ফলাফল অস্পষ্ট হতে পারে।
৩. সাধারণত কৃত্রিম পরিবেশে স্বাভাবিক আচরণ ফুটে উঠে না। পরীক্ষণ পদ্ধতির পরীক্ষণ সাধারণত কৃত্রিম পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
৪. যেসব আচরণ বহু লোকের সমাবেশে সৃষ্টি হয়, সেসব আচরণ এ পদ্ধতিতে পরিমাপ করা অসুবিধাজনক। যেমন দলগত আচরণ, জনতার আচরণ, মিছিলের আচরণ ইত্যাদি গবেষণাগারের ভিতর সৃষ্টি করা সম্ভবপর হয় না।
৫. সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে যেসব আচরণ সৃষ্টি হয় (যেমন-জনমত, মনোভাব, বিশ্বাস, পূর্ব সংস্কার ইত্যাদি), সেসব আচরণ এ পদ্ধতিতে পরিমাপ করা অসুবিধাজনক হয়ে পড়ে।
৬. অনেক সময় পরীক্ষণ-পাত্র পরীক্ষণকারীকে সহযোগিতা নাও করতে পারে। ফলে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে অসুবিধা দেখা দেয়।