আতিকের ব্যবহৃত গবেষণা পদ্ধতিটি হলো পরীক্ষণ পদ্ধতি।
মনোবিজ্ঞানের ব্যবহৃত পদ্ধতিসমূহের মধ্যে পরীক্ষণ পদ্ধতিকে সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি মনে করা হয় এবং মনোবিজ্ঞানিগণ অন্যান্য পদ্ধতির চেয়ে এ পদ্ধতিকে বেশি ব্যবহার করে থাকেন। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির যে সকল বৈশিষ্ট্য রয়েছে তা পরীক্ষণ পদ্ধতিতে বর্তমান রয়েছে। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে সুব্যবস্থিত ও সুপরিকল্পিত অবস্থায় সুনিয়ন্ত্রিত পরিবেশে উদ্দীপকের প্রতি পরীক্ষণ পাত্রের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে গবেষণা করা হয়।
পরীক্ষণ পদ্ধতির সাথে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির কিছু পার্থক্য রয়েছে, যেমন- পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণকারী অনির্ভরশীল চলের ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন কিন্তু পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে পর্যবেক্ষণকারী কোনো ধরনের চলের পরিবর্তন করতে পারেন না। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে একটি কৃত্রিম পরিবেশে পরীক্ষণীয় ঘটনাটি তৈরি করা হয় কিন্তু পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে ঘটনাটি প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘটে থাকে। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে চলের মধ্যে কার্য-কারণ সম্পর্ক নির্ধারণ করা সম্ভব হয় কিন্তু পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না। পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে পরীক্ষণের ফলাফল যাচাই করা সম্ভব হয় কিন্তু পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে পুনরাবৃত্তির কোনো সুযোগ নেই। আবার সকল ধরনের ঘটনা পরীক্ষণ পদ্ধতিতে তৈরি করা সম্ভব হয় না কিন্তু প্রায় সকল পদ্ধতির সহায়ক হিসেবে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির ব্যবহৃত হতে পারে।