উদ্দীপকে রহমান পরীক্ষণ পদ্ধতির সাহায্যে তার পরীক্ষণ পরিচালনা করেছেন। নিচে এই পদ্ধতির বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্লেষণ করা হলো-
পরীক্ষণ পদ্ধতির একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সমস্যা শনাক্তকরণ ও ধারণা গঠন। কারণ সমস্যা শনাক্তকরণ ও ধারণা গঠনের মধ্য দিয়ে পরীক্ষণ পদ্ধতির সূচনা হয়। পুনরাবৃত্তি পরীক্ষণ পদ্ধতির আরেকটি বৈশিষ্ট্য, পরীক্ষণের পুনরাবৃত্তি বা ব্যবহার পরীক্ষণকার্য পরিচালনার মধ্য দিয়ে পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণের ফলাফলের সত্যতাকে যাচাই করা যায়। বস্তুনিষ্ঠতা পরীক্ষণের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এখানে ব্যক্তির পছন্দ- অপছন্দ, ইচ্ছা-অনিচ্ছার স্থান নেই। এ পদ্ধতিতে বস্তুনিষ্ঠভাবে অনুসন্ধানকার্য পরিচালনা করা হয়। পরীক্ষণ পদ্ধতির বৈজ্ঞানিক নিয়ম- নীতি অনুসরণ করায় পরীক্ষণের ফলাফল ব্যক্তির প্রভাবমুক্ত হয়ে থাকে । পরীক্ষণ পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো চলের নিয়ন্ত্রণ। কারণ, পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণের ফলাফলকে বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ধারণযোগ্য করার জন্য পরীক্ষণ বা গবেষণায় প্রভাব বিস্তারকারী বিভিন্ন অবাঞ্ছিত চলের প্রভাব অপসারণ করা, ধ্রুব রাখা বা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। যথার্থতা পরীক্ষণের আর একটি বৈশিষ্ট্য। কারণ বারবার পরীক্ষণ কার্য পরিচালনার মধ্য দিয়ে পরীক্ষণ পদ্ধতিতে পরীক্ষণের ফলাফলের যথার্থতা যাচাই করা যায়।