চল নিয়ন্ত্রণে 'ই' ও 'ঈ' কৌশলগুলো হলো যথাক্রমে 'ভারসাম্য' ও 'প্রতিভারসাম্য'। নিচে এই কৌশল দুটির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হলো-এমন কতগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয়। একটি দলকে পরীক্ষণ দল এবং অন্যদলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। পরীক্ষণ দলে অনির্ভরশীল চল প্রয়োগ করা হয়, কিন্তু নিয়ন্ত্রিত দলে উক্ত চল প্রয়োগ করা হয় না।
অন্যদিকে কোনো পরীক্ষণে যখন একই পরীক্ষণপাত্রকে একাধিক পরীক্ষণমূলক অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়, তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরীক্ষণপাত্রের প্রথম অধিবেশনের অভিজ্ঞতা তার দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রতিক্রিয়ার উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে। ফলশ্রুতিতে ফলাফলে ভ্রান্তি দেখা দিতে পারে। প্রতিভারসাম্য পদ্ধতির সাহায্যে বিভিন্ন পরীক্ষামূলক অবস্থার প্রভাব সব পরীক্ষণপাত্রের মধ্যে সমানভাবে বিতরণ করা সম্ভব।.