উদ্দীপকে মানহার এর বৈশিষ্ট্যের আলোকে তাকে মেধাবী ও সৃজনশীল বলা যায়। নিচে মেধাবী ও সৃজনশীলতা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো-
কিছু কিছু মানুষের আচরণ স্বাভাবিক মানের নয়, স্বাভাবিক গড় মানের চেয়ে অনেক উপরে অর্থাৎ বুদ্ধির দিক থেকে এরা মেধাবী। মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা একাডেমিক, বৈজ্ঞানিক, সামাজিক ও সাহিত্যিক দক্ষতার ক্ষেত্রে বিশেষ অবস্থান গ্রহণ করে থাকে। এরা বিদ্যালয়ের বয়স শুরু হওয়ার সাথে সাথে নির্দিষ্ট শ্রেণির শিক্ষার প্রয়োজনীয় যাবতীয় নৈপুণ্য আয়ত্ত করে ফেলে যা শিখতে তাদের সহপাঠীদের সারা বছর লেগে যায়।
মেধার সাথে সৃজনশীলতা জড়িত। সৃজনশীলতাকে মেধার চূড়ান্ত অভিব্যক্তি বলা যায়। কাজের অদম্য স্পৃহা, অধ্যবসায়সহ যাবতীয় প্রেষণা এবং মেজাজ সম্পর্কিত গুণাবলি বহু সৃজনশীল লোকের ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য। যেসব শিশু সমস্যা বুঝতে পারে, সমস্যা সমাধানের নানা রকম পন্থা উদ্ভাবন করতে সক্ষম, প্রয়োজনীয় বিষয়ের পুঙ্খানুপুঙ্খ জ্ঞান রাখে এবং এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বা সম্ভাবনাময় বিষয় নিয়ে কাজ করে তাকে সৃজনশীল হিসেবে শনাক্ত করা যায়। সৃজনশীল হতে হলে এবং একটি শিশুর পরিস্থিতিকে বুঝতে হলে অবশ্যই কিছু জ্ঞান থাকতে হবে। বিভিন্ন পন্থায় এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে, সমালোচনার দৃষ্টিতে এর ফলাফল বিশ্লেষণ করতে হবে এবং তার ধারণাসমূহ প্রকাশে সক্ষম হতে হবে।