উদ্দীপকের কাজলের মধ্যে বুদ্ধি প্রতিবন্ধকতার প্রকাশ বিদ্যমান। আর এই সমস্যা নিরসনে তার বাবা মা যে ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন তা আলোচনা করা হলো-
১. চিকিৎসা : কিছু কিছু বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতার সাথে শারীরিক ব্যাধি ও ত্রুটি জড়িত রয়েছে। এগুলোকে চিকিৎসার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করে রোগের গতি রোধ করা যায়। ক্রেটিনিজম, ফিনাইলকেটোনিউরিয়া প্রভৃতি রোগে ডাক্তারি চিকিৎসা ফলপ্রসূ বলে প্রমাণিত হয়েছে।
২.কাউন্সেলিং : কাউন্সেলিং পর্যায়ে কাউন্সেলার নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন—
i.বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা নির্ণয়,
ii.পিতামাতার অনুভূতি, চিন্তা, আচরণ বিষয়ক পরামর্শ দান,
iii. বুদ্ধি প্রতিবন্ধী, শিশুর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক পরামর্শ দান,
iv. শিশুর আচরণগত সমস্যা বিষয়ক নির্দেশনা দান ।
৩.ফিজিওথেরাপি : শারীরিক সমস্যা, শারীরিক সমস্যার জন্য ফিজিওথেরাপি প্রদান, শারীরিক উন্নয়নে শিক্ষক ও পিতা-মাতাদের নির্দেশনা দান— এ কাজগুলো ফিজিওথেরাপিস্ট করে থাকেন।
৪. স্পিচথেরাপি : স্পিচথেরাপির কাজ হলো— কথা ও ভাষাগত সমস্যা নির্ণয়, কথা ও ভাষাগত সমস্যার জন্য স্পিচথেরাপি প্রদান, কথা ও ভাষা উন্নয়নের জন্য শিক্ষক ও পিতামাতাদের নির্দেশনা দান ।
৫. বিশেষ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ : দৈনন্দিন জীবনে মৌলিক দক্ষতা, লেখাপড়া ও বৃত্তিমূলক শিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ দেয়া, যাতে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিটি তুলনামূলকভাবে স্বনির্ভর জীবনযাপন করতে পারে।