বিশুদ্ধ দুধ বলতে ক্ষতিকর জীবাণু ও রাসায়নিক পদার্থ মুক্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন দুর্গন্ধমুক্ত দুধকে বোঝায়। বিশুদ্ধভাবে দুধ দোহন করে দুধের গুণাগুণ মান রক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন। বিশুদ্ধ দুধ উৎপাদনে করণীয় বিষয়সমূহ নিম্নরূপ:
১. দুধ দোহনের পূর্বে গাভীর পশ্চাৎভাগ ও ওলান, বাঁট, লেজ ও মলদ্বারের চারপাশ ভালোভাবে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে ও মুছে পরিষ্কার করতে হবে।
২. দোহনের পূর্বে দুধ দোহনকারীর হাত, আঙ্গুল, নখসহ শরীরের অন্যান্য অংশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
৩. দোহনের পূর্বে গাভীর শরীরের আলগা পশম ও ময়লা ব্রাশ দ্বারা আঁচড়িয়ে শরীর পরিষ্কার করে নিতে হবে।
৪. দোহন পাত্রটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়।
৫. দোহনের স্থানটি সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও মশামাছি মুক্ত রাখতে হবে।
৬. প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে, নির্দিষ্ট, স্থানে, নির্দিষ্ট লোক দিয়ে, নির্দিষ্ট পাত্রে দুধ দোহন করতে হবে।
৭. দোহনকারীকে অবশ্যই হাঁচি, কাশি ও রোগমুক্ত থাকতে হবে।
৮. দোহনের পূর্বে বাছুরের দ্বারা ওলানের প্রতিটি বাঁটে মুখ দিয়ে সামান্য কিছু দুধ চেটে নিতে হবে যাতে বাঁটে কোনো জীবাণু থাকলে তা পরিষ্কার হয়ে যায়।
৯. দোহনের পরপরই দুধ ঠান্ডা করে নিতে হবে।
১০. দুধ দোহনকালে কুকুর, বিড়াল, মশামাছি আশপাশে না আসতে পারে বা পাত্র শুঁকতে ও চাটতে না পারে সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে।
১১. প্রতিদিন একই ব্যক্তি, একই পোশাকে, একই পাত্রে, একই সময়ে, একই স্থানে দুধ দোহন করলে দুধ বিশুদ্ধ থাকার সম্ভাবনা থাকে।