Chapter 3 : পশু পালন কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র

HSC কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এর Chapter 3 : পশু পালন অধ্যায়ের বোর্ড প্রশ্ন ও MCQ অনুশীলন করো।

৪৩১

প্রশ্ন

কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র

বিষয়

HSC

ক্লাস

সাম্প্রতিক প্রশ্ন

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি মাংস উৎপাদনকারী গরুর খামার গড়ে তোলেন। কিছুদিন পর তিনি দেখতে পেলেন একটি গরুর মুখ দিয়ে ফেনাযুক্ত লালা ঝরছে, পা দিয়ে মাটি খুরছে সেই সাথে উত্তেজিত অবস্থায় অন্য পশুকে আক্রমণ করছে। তাছাড়া আক্রান্ত পশু ঘন ঘন প্রস্রাব করছে এবং পানি পান করতে পারছে না। করিম দ্রুত স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তার খামারে আদর্শ প্রতিপালন পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলেন।

Jessore · 2025

ষাঁড় কী?

উত্তর

ষাঁড় হলো প্রজননক্ষম পুরুষ গরু, যা দুধ দেয় না বরং শ্রম ও প্রজননে ব্যবহৃত হয়।
পাস্তুরিত দুধ নিরাপদ কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পাস্তুরিত দুধ নিরাপদ কারণ- এতে রোগ উৎপাদনকারী জীবাণু ধ্বংস হয়। দুধের এনজাইম নষ্ট হয়ে যায় বলে দুধ দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে। অধিকাংশ ক্ষতিকর জীবাণু পাস্তুরিকরণের মাধ্যমে বিনষ্ট হয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় দুধের পুষ্টিমান ঠিক থাকে। কোনো বিম্বাদের সৃষ্টি হয় না।
করিমের খামারে কোন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে? উক্ত রোগের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

করিমের খামারে জলাতঙ্ক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। নিচে জলাতঙ্ক রোগের কারণ ব্যাখ্যা করা হলো- গরুর জলাতঙ্ক রোগের মূল কারণ হলো রেবিস ভাইরাস (Rabies Virus)। কুকুর, বিড়াল, বাদুড় ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী এ ভাইরাসের জীবাণু বহন করে। এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রাণীর লালার মাধ্যমে গবাদিপশু আক্রান্ত হয়। কখনো কখনো ক্ষতস্থানে আক্রান্ত প্রাণীর লালা লাগলেও সংক্রমণ হতে পারে। আক্রান্ত হওয়ার ৭-১০ দিনে লক্ষণ প্রকাশ পায়। কখনো ১৪ দিন, ৩ মাস, ৬ মাস বা ৬ বছর পরে লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী করিমের খামারে উক্ত রোগের প্রতিকার কীভাবে করা যায় তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

করিমের খামারের রোগটি হলো জলাতঙ্ক রোগ। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী জলাতঙ্ক রোগের প্রতিকার নিম্নলিখিতভাবে করা যায়- ১. রোগ প্রতিরোধের জন্য পোষা কুকুর, বিড়ালকে নিয়মিত প্রতিরোধী টিকা দিতে হবে। ২. গরুর জন্য Rabies Vaccine দিতে হবে। সাধারণত বছরে একবার এ টিকা দেওয়া হয়। ৩. গরুকে কামড় বা আঁচড় দিলে তৎক্ষণাৎ ক্ষতস্থানে প্রচুর পানি ও সাবান দিয়ে ১৫ মিনিট ধুয়ে দিতে হবে। ৪. সন্দেহভাজন বা আক্রান্ত গরুকে অবিলম্বে অন্য পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। ৫. খামারের আশপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি মাংস উৎপাদনকারী গরুর খামার গড়ে তোলেন। কিছুদিন পর তিনি দেখতে পেলেন একটি গরুর মুখ দিয়ে ফেনাযুক্ত লালা ঝরছে, পা দিয়ে মাটি খুরছে সেই সাথে উত্তেজিত অবস্থায় অন্য পশুকে আক্রমণ করছে। তাছাড়া আক্রান্ত পশু ঘন ঘন প্রস্রাব করছে এবং পানি পান করতে পারছে না। করিম দ্রুত স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তার খামারে আদর্শ প্রতিপালন পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলেন।

Jessore · 2025

ষাঁড় কী?

উত্তর

ষাঁড় হলো প্রজননক্ষম পুরুষ গরু, যা দুধ দেয় না বরং শ্রম ও প্রজননে ব্যবহৃত হয়।
পাস্তুরিত দুধ নিরাপদ কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পাস্তুরিত দুধ নিরাপদ কারণ- এতে রোগ উৎপাদনকারী জীবাণু ধ্বংস হয়। দুধের এনজাইম নষ্ট হয়ে যায় বলে দুধ দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে। অধিকাংশ ক্ষতিকর জীবাণু পাস্তুরিকরণের মাধ্যমে বিনষ্ট হয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় দুধের পুষ্টিমান ঠিক থাকে। কোনো বিম্বাদের সৃষ্টি হয় না।
করিমের খামারে কোন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে? উক্ত রোগের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

করিমের খামারে জলাতঙ্ক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। নিচে জলাতঙ্ক রোগের কারণ ব্যাখ্যা করা হলো- গরুর জলাতঙ্ক রোগের মূল কারণ হলো রেবিস ভাইরাস (Rabies Virus)। কুকুর, বিড়াল, বাদুড় ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী এ ভাইরাসের জীবাণু বহন করে। এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রাণীর লালার মাধ্যমে গবাদিপশু আক্রান্ত হয়। কখনো কখনো ক্ষতস্থানে আক্রান্ত প্রাণীর লালা লাগলেও সংক্রমণ হতে পারে। আক্রান্ত হওয়ার ৭-১০ দিনে লক্ষণ প্রকাশ পায়। কখনো ১৪ দিন, ৩ মাস, ৬ মাস বা ৬ বছর পরে লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী করিমের খামারে উক্ত রোগের প্রতিকার কীভাবে করা যায় তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

করিমের খামারের রোগটি হলো জলাতঙ্ক রোগ। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী জলাতঙ্ক রোগের প্রতিকার নিম্নলিখিতভাবে করা যায়- ১. রোগ প্রতিরোধের জন্য পোষা কুকুর, বিড়ালকে নিয়মিত প্রতিরোধী টিকা দিতে হবে। ২. গরুর জন্য Rabies Vaccine দিতে হবে। সাধারণত বছরে একবার এ টিকা দেওয়া হয়। ৩. গরুকে কামড় বা আঁচড় দিলে তৎক্ষণাৎ ক্ষতস্থানে প্রচুর পানি ও সাবান দিয়ে ১৫ মিনিট ধুয়ে দিতে হবে। ৪. সন্দেহভাজন বা আক্রান্ত গরুকে অবিলম্বে অন্য পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। ৫. খামারের আশপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Jessore · 2025

সাইলেজ কী?

উত্তর

রসাল অবস্থায় ফুল আসার সময় সবুজ ও সতেজ ঘাসকে কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করাই হলো সাইলেজ।
"ছাগল গরিবের গাভী"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয় মূলত অর্থনৈতিক ও ব্যবহারিক কারণে। দরিদ্র জনগোষ্ঠী স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ছাগল পালনের 'মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারে। ছাগল পালনে খরচ ও খাদ্য উভয়ই কম লাগে অধিকন্তু উল্লেখযোগ্য হারে বাচ্চা দেয়। ছাগল ভূমিহীন কৃষক ও দুঃস্থ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য উপায়। এসব কারণে ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয়।
চিত্র-১ এর প্রাণীটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-১ এর প্রাণীটি হচ্ছে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল। নিচে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ১. গায়ের রং কালো, তবে সাদা ও বাদামি হতে পারে। ২. এদের পা খাটো, কান খাড়া, শিং আকারে ছোট ও কালো। ৩. গায়ের লোম খাটো, সুবিন্যস্ত ও কোমল হয়। ৪. এরা ১৩-১৪ মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা প্রসব করে। ৫. একটি ছাগী বছরে দুইবার এবং প্রতিবারে দুই থেকে চারটি বাচ্চা প্রসব করে। ৬. চামড়া কোমল ও উন্নতমানের হয়। ৭. এরা দৈনিক সর্বোচ্চ ১ লিটার দুধ দিতে পারে। ৮. এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু ও চঞ্চল প্রকৃতির হয়।
চিত্র-১ ও চিত্র-২ এর মধ্যে কোনটি পালন করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

চিত্র-১ হচ্ছে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল এবং চিত্র-২ হচ্ছে যমুনাপাড়ি জাতের ছাগল। উভয় জাতের ছাগল পালনই লাভজনক। তবে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে, বেশি লাভজনক। নিচে আমার মতামত ব্যক্ত করা হলো- আমাদের দেশে অধিকাংশ গ্রামের বাড়িতেই ছাগল পালন করা হয়, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল। ব্ল্যাক বেঞ্চাল জাতের ছাগল তুলনামূলকভাবে কম দামে ক্রয় করা যায় এবং স্বল্প ব্যয়ে অথবা কোনো খরচ ছাড়াই পালন করা যায়। তাছাড়া প্রতিদিন কিছু দুধ পাওয়া যায়। যমুনাপাড়ি ছাগল যেখানে বছরে একবার বাচ্চা প্রসব করে, সেখানে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বছরে দুইবার বাচ্চা প্রসব করে এবং প্রতিবারে ২ - ৪টি বাচ্চা প্রসব করে যা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। এছাড়া যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের চামড়া ও মাংস উন্নতমানের এবং বাজারে এদের যথেস্ট চাহিদা রয়েছে। যেকোনো পরিবেশে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা যায়। এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু হয় এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা কম খরচে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা যায়। পরিশেষে বলা যায়, যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Jessore · 2025

সাইলেজ কী?

উত্তর

রসাল অবস্থায় ফুল আসার সময় সবুজ ও সতেজ ঘাসকে কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করাই হলো সাইলেজ।
"ছাগল গরিবের গাভী"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয় মূলত অর্থনৈতিক ও ব্যবহারিক কারণে। দরিদ্র জনগোষ্ঠী স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ছাগল পালনের 'মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারে। ছাগল পালনে খরচ ও খাদ্য উভয়ই কম লাগে অধিকন্তু উল্লেখযোগ্য হারে বাচ্চা দেয়। ছাগল ভূমিহীন কৃষক ও দুঃস্থ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য উপায়। এসব কারণে ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয়।
চিত্র-১ এর প্রাণীটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-১ এর প্রাণীটি হচ্ছে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল। নিচে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ১. গায়ের রং কালো, তবে সাদা ও বাদামি হতে পারে। ২. এদের পা খাটো, কান খাড়া, শিং আকারে ছোট ও কালো। ৩. গায়ের লোম খাটো, সুবিন্যস্ত ও কোমল হয়। ৪. এরা ১৩-১৪ মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা প্রসব করে। ৫. একটি ছাগী বছরে দুইবার এবং প্রতিবারে দুই থেকে চারটি বাচ্চা প্রসব করে। ৬. চামড়া কোমল ও উন্নতমানের হয়। ৭. এরা দৈনিক সর্বোচ্চ ১ লিটার দুধ দিতে পারে। ৮. এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু ও চঞ্চল প্রকৃতির হয়।
চিত্র-১ ও চিত্র-২ এর মধ্যে কোনটি পালন করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

চিত্র-১ হচ্ছে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল এবং চিত্র-২ হচ্ছে যমুনাপাড়ি জাতের ছাগল। উভয় জাতের ছাগল পালনই লাভজনক। তবে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে, বেশি লাভজনক। নিচে আমার মতামত ব্যক্ত করা হলো- আমাদের দেশে অধিকাংশ গ্রামের বাড়িতেই ছাগল পালন করা হয়, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল। ব্ল্যাক বেঞ্চাল জাতের ছাগল তুলনামূলকভাবে কম দামে ক্রয় করা যায় এবং স্বল্প ব্যয়ে অথবা কোনো খরচ ছাড়াই পালন করা যায়। তাছাড়া প্রতিদিন কিছু দুধ পাওয়া যায়। যমুনাপাড়ি ছাগল যেখানে বছরে একবার বাচ্চা প্রসব করে, সেখানে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বছরে দুইবার বাচ্চা প্রসব করে এবং প্রতিবারে ২ - ৪টি বাচ্চা প্রসব করে যা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। এছাড়া যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের চামড়া ও মাংস উন্নতমানের এবং বাজারে এদের যথেস্ট চাহিদা রয়েছে। যেকোনো পরিবেশে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা যায়। এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু হয় এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা কম খরচে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা যায়। পরিশেষে বলা যায়, যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আলিম সাহেবের খামারে ৬টি গরু আছে। তিনি নিয়মিত খামার পরিদর্শন করেন। একদিন সকালবেলা খামারের একটি গরুর দেহের লোম খাড়া হয়ে কাঁপুনি দিয়ে উঠে। গরুটি কিছুক্ষণ পর হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে মারা যায়।

Dhaka · 2025

বেবি কাফ কী?

উত্তর

৬-৭ সপ্তাহ পর্যন্ত বয়সের বাছুরকে বেবি কাফ বলে।
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ব্ল্যাক বেঙ্গল মূলত দেশি জাতের ছাগল। এটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত জাত। ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল অল্প বয়সে ১৩-১৪ মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা দেয়। ৭-৮ মাস বয়স হলেই এরা প্রজননের জন্য উপযুক্ত হয়। এদের চামড়া কোমল ও উন্নতমানের হয়। এদের মাংস উন্নতমানের। একটি উন্নত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল হতে দৈনিক সর্বোচ্চ ১ লিটার দুধ পাওয়া যায়। এছাড়া এরা প্রতিকূল অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে। এসব কারণে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা হয়।
আলিম সাহেবের গরুটি মারা যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

আলিম সাহেবের গরুটি তড়কা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। নিচে গরুর তড়কা রোগের কারণ ও প্রতিকার ব্যাখ্যা করা হলো- কারণ: Bacillus anthracis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে তড়কা রোগ হয়। গ্রীষ্মপ্রধান দেশে ও রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। মাংস, দূষিত পানি, ঘাস, খড় প্রভৃতির মাধ্যমে রোগজীবাণু সংক্রমিত হয়ে থাকে। প্রতিকার: ১. এ রোগের কোনো কার্যকরী চিকিৎসা নেই বলে রোগাক্রমণের পূর্বেই সুদ্ধ পশুকে প্রতিষেধক টিকা দিতে হয়। ২. আক্রান্ত পশুর ব্যবহার্য দ্রব্যাদি জীবাণুনাশক ওষুধ দ্বারা ধুয়ে ফেলতে হবে। ৩. এ রোগ ছোঁয়াচে বলে আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। ৪. মৃত পশুকে মাটিতে ২ মিটার গভীরে পুতে ফেলতে হবে। ৫. ডিপোমাইসিন ইনজেকশন বড়ো পশুর জন্য ১০ মিলি মাংস পেশিতে ১২ ঘণ্টা পরপর ৩-৫ দিন দিতে হবে। পশুর ছয় মাস বয়সে প্রথম এ টিকা দিতে হয় এবং প্রতি বছর একবার করে এ টিকা প্রয়োগ করতে হয়।
উদ্দীপকের আলোকে আলিম সাহেবের খামারের গরুর রোগ-প্রতিরোধে করণীয় বিষয়াদি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আলিম সাহেবের খামারে ছয়টি গরু রয়েছে। এই গরুগুলোর সুস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগ প্রতিরোধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় বিষয় অনুসরণ করা প্রয়োজন। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- গরুর বাসস্থান ও খামারটি সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে যাতে রোগ জীবাণুর বিস্তার না ঘটে। প্রতিদিন গরুর মল-মূত্র পরিষ্কার করে পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখতে হবে। গরুকে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য যেমন- ঘাস, খৈল, ভুসি, খড়, খনিজ লবণ এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে। নিয়মিত পশু চিকিৎসকের পরামর্শে ক্ষুরা, বাদলা, তড়কা, গলা ফোলাসহ বিভিন্ন রোগের টিকা দিতে হবে। গরুর দেহে বাহ্যিক পরজীবী যেমন উকুন বা পোকা হলে নিয়মিত গোসল করানো ও ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া, অন্তঃপরজীবী বা কৃমি দমনের জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর ডিওয়ারমিং করানো জরুরি। খামারে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখ্য উচিত এবং রোগাক্রান্ত গরুকে অন্য গরু থেকে আলাদা রাখা বাঞ্ছনীয়। এইসব ব্যবস্থাগুলো অনুসরণ করলে আলিম সাহেব তাঁর গরুগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবেন এবং রোগের বিস্তার প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

আলিম সাহেবের খামারে ৬টি গরু আছে। তিনি নিয়মিত খামার পরিদর্শন করেন। একদিন সকালবেলা খামারের একটি গরুর দেহের লোম খাড়া হয়ে কাঁপুনি দিয়ে উঠে। গরুটি কিছুক্ষণ পর হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে মারা যায়।

Dhaka · 2025

বেবি কাফ কী?

উত্তর

৬-৭ সপ্তাহ পর্যন্ত বয়সের বাছুরকে বেবি কাফ বলে।
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ব্ল্যাক বেঙ্গল মূলত দেশি জাতের ছাগল। এটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত জাত। ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল অল্প বয়সে ১৩-১৪ মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা দেয়। ৭-৮ মাস বয়স হলেই এরা প্রজননের জন্য উপযুক্ত হয়। এদের চামড়া কোমল ও উন্নতমানের হয়। এদের মাংস উন্নতমানের। একটি উন্নত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল হতে দৈনিক সর্বোচ্চ ১ লিটার দুধ পাওয়া যায়। এছাড়া এরা প্রতিকূল অবস্থায় বেঁচে থাকতে পারে। এসব কারণে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা হয়।
আলিম সাহেবের গরুটি মারা যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

আলিম সাহেবের গরুটি তড়কা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। নিচে গরুর তড়কা রোগের কারণ ও প্রতিকার ব্যাখ্যা করা হলো- কারণ: Bacillus anthracis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে তড়কা রোগ হয়। গ্রীষ্মপ্রধান দেশে ও রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি। মাংস, দূষিত পানি, ঘাস, খড় প্রভৃতির মাধ্যমে রোগজীবাণু সংক্রমিত হয়ে থাকে। প্রতিকার: ১. এ রোগের কোনো কার্যকরী চিকিৎসা নেই বলে রোগাক্রমণের পূর্বেই সুদ্ধ পশুকে প্রতিষেধক টিকা দিতে হয়। ২. আক্রান্ত পশুর ব্যবহার্য দ্রব্যাদি জীবাণুনাশক ওষুধ দ্বারা ধুয়ে ফেলতে হবে। ৩. এ রোগ ছোঁয়াচে বলে আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। ৪. মৃত পশুকে মাটিতে ২ মিটার গভীরে পুতে ফেলতে হবে। ৫. ডিপোমাইসিন ইনজেকশন বড়ো পশুর জন্য ১০ মিলি মাংস পেশিতে ১২ ঘণ্টা পরপর ৩-৫ দিন দিতে হবে। পশুর ছয় মাস বয়সে প্রথম এ টিকা দিতে হয় এবং প্রতি বছর একবার করে এ টিকা প্রয়োগ করতে হয়।
উদ্দীপকের আলোকে আলিম সাহেবের খামারের গরুর রোগ-প্রতিরোধে করণীয় বিষয়াদি বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে আলিম সাহেবের খামারে ছয়টি গরু রয়েছে। এই গরুগুলোর সুস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগ প্রতিরোধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় বিষয় অনুসরণ করা প্রয়োজন। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো- গরুর বাসস্থান ও খামারটি সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে যাতে রোগ জীবাণুর বিস্তার না ঘটে। প্রতিদিন গরুর মল-মূত্র পরিষ্কার করে পরিবেশ স্বাস্থ্যকর রাখতে হবে। গরুকে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য যেমন- ঘাস, খৈল, ভুসি, খড়, খনিজ লবণ এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে। নিয়মিত পশু চিকিৎসকের পরামর্শে ক্ষুরা, বাদলা, তড়কা, গলা ফোলাসহ বিভিন্ন রোগের টিকা দিতে হবে। গরুর দেহে বাহ্যিক পরজীবী যেমন উকুন বা পোকা হলে নিয়মিত গোসল করানো ও ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া, অন্তঃপরজীবী বা কৃমি দমনের জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর ডিওয়ারমিং করানো জরুরি। খামারে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখ্য উচিত এবং রোগাক্রান্ত গরুকে অন্য গরু থেকে আলাদা রাখা বাঞ্ছনীয়। এইসব ব্যবস্থাগুলো অনুসরণ করলে আলিম সাহেব তাঁর গরুগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবেন এবং রোগের বিস্তার প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবেন।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Dhaka · 2025

সংকরজাত গরু কী?

উত্তর

উন্নত জাতের ষাঁড়ের সাথে দেশি জাতের বকনা বা গাভীর মিশ্রণে যে বাচ্চা হয় সেটাই হলো সংকর জাতের গরু।
সাইলেজ কেন পশুখাদ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুনিরোধক স্থানে সংরক্ষিত সবুজ ঘাসকে সাইলেজ বলে। এতে প্রাথমিক অবস্থায় যে পরিমাণ খাদ্য উপাদান ঘাসে বিদ্যমান থাকে সংরক্ষণের পরও সেই পরিমাণ খাদ্যোপাদান থাকে। পশুখাদ্য হিসেবে সাইলেজ গুরুত্বপূর্ণ কারণ সাইলেজে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকে, যা গবাদিপশুর শক্তি বৃদ্ধি, তাপ উৎপাদন ও সংরক্ষণ করে। তাছাড়া বর্ষাকালের আগে কাঁচা ঘাস দিয়ে সাইলেজ তৈরি করে সংরক্ষণ করা হয়। যা বর্ষাকালে যখন ঘাসের অভাব হয়, তখন ব্যবহৃত হয়। এ কারণেই সাইলেজ পশুখাদ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
চিত্র খ এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-খ এর গরুটি হলো হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের। নিচে হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ১. এ জাতের গরুর গায়ের রং সাদা-কালো মিশানো। ২. এদের মাথা লম্বাটে ও বড় হয়। অন্যান্য জাতের গরুর ন্যায় এদের কুঁজ হয় না। ৩. একটি গাভী দিনে প্রায় ৪০ লিটার পর্যন্ত দুধ দিয়ে থাকে। ৪. এ জাতের বকনা দেড় থেকে দুই বছর বয়সে প্রথম বাচ্চা দেয়। ৫. এদের শরীর বেশ পুষ্ট পিছনের অংশ ভারী এবং ওলানগ্রন্থি বেশ বড়। ৬. গাভী শান্ত প্রকৃতির কিন্তু ষাঁড়গুলো বদমেজাজি। ৭. গাভী পরবর্তী বাচ্চা দেওয়ার আগ পর্যন্ত দুধ দেয়।
চিত্র-ক ও চিত্র-খ এর মধ্যে দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য কোনটি অধিক উপযোগী? তোমার উত্তরের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র-ক ও চিত্র-খ হচ্ছে যথাক্রমে দেশি জাতের গরু ও উন্নত জাতের গরু। দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য দেশি গরুর চেয়ে উন্নত জাতের গরু অধিক উপযোগী। নিচে এর যথার্থতা বিশ্লেষণ করা হলো- গরু প্রধানত দুধ উৎপাদনের জন্যই পালন করা হয়। তাই যেসব গরু বেশি দুধ দেয় সেসব গরু পালন করা বেশি লাভজনক। উন্নত জাতের গরু অনেক বেশি দুধ দেয়। যেমন- হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান দৈনিক ৩৫ লিটার পর্যন্ত দুধ দিয়ে থাকে এবং বাচ্চা প্রদানের পর থেকে পরবর্তী বাচ্চা প্রদান পর্যন্ত একটানা দুধ দিতে থাকে। এদের দুধ প্রদানকাল ৭-৮ মাস। তাই সঠিকভাবে পালন করলে দ্রুত লাভবান হওয়া সম্ভব। অপরদিকে দেশি গরুর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা কম, দৈনিক ১-৩ লিটার, দুধে চর্বির পরিমাণও কম। এ কারণে দুধ বিক্রি করে তেমন কোনো লাভ হয় না। অতএব বলা যায়, বাংলাদেশের জনগণের জন্য অধিক পরিমাণে দুগ্ধ উৎপাদনে উন্নত জাতের গরু পালন করা যৌক্তিক ও অধিক লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর এবং সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Dhaka · 2025

সংকরজাত গরু কী?

উত্তর

উন্নত জাতের ষাঁড়ের সাথে দেশি জাতের বকনা বা গাভীর মিশ্রণে যে বাচ্চা হয় সেটাই হলো সংকর জাতের গরু।
সাইলেজ কেন পশুখাদ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

বায়ুনিরোধক স্থানে সংরক্ষিত সবুজ ঘাসকে সাইলেজ বলে। এতে প্রাথমিক অবস্থায় যে পরিমাণ খাদ্য উপাদান ঘাসে বিদ্যমান থাকে সংরক্ষণের পরও সেই পরিমাণ খাদ্যোপাদান থাকে। পশুখাদ্য হিসেবে সাইলেজ গুরুত্বপূর্ণ কারণ সাইলেজে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকে, যা গবাদিপশুর শক্তি বৃদ্ধি, তাপ উৎপাদন ও সংরক্ষণ করে। তাছাড়া বর্ষাকালের আগে কাঁচা ঘাস দিয়ে সাইলেজ তৈরি করে সংরক্ষণ করা হয়। যা বর্ষাকালে যখন ঘাসের অভাব হয়, তখন ব্যবহৃত হয়। এ কারণেই সাইলেজ পশুখাদ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
চিত্র খ এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-খ এর গরুটি হলো হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের। নিচে হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের গরুর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ১. এ জাতের গরুর গায়ের রং সাদা-কালো মিশানো। ২. এদের মাথা লম্বাটে ও বড় হয়। অন্যান্য জাতের গরুর ন্যায় এদের কুঁজ হয় না। ৩. একটি গাভী দিনে প্রায় ৪০ লিটার পর্যন্ত দুধ দিয়ে থাকে। ৪. এ জাতের বকনা দেড় থেকে দুই বছর বয়সে প্রথম বাচ্চা দেয়। ৫. এদের শরীর বেশ পুষ্ট পিছনের অংশ ভারী এবং ওলানগ্রন্থি বেশ বড়। ৬. গাভী শান্ত প্রকৃতির কিন্তু ষাঁড়গুলো বদমেজাজি। ৭. গাভী পরবর্তী বাচ্চা দেওয়ার আগ পর্যন্ত দুধ দেয়।
চিত্র-ক ও চিত্র-খ এর মধ্যে দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য কোনটি অধিক উপযোগী? তোমার উত্তরের যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

উদ্দীপকে প্রদর্শিত চিত্র-ক ও চিত্র-খ হচ্ছে যথাক্রমে দেশি জাতের গরু ও উন্নত জাতের গরু। দুগ্ধ উৎপাদনের জন্য দেশি গরুর চেয়ে উন্নত জাতের গরু অধিক উপযোগী। নিচে এর যথার্থতা বিশ্লেষণ করা হলো- গরু প্রধানত দুধ উৎপাদনের জন্যই পালন করা হয়। তাই যেসব গরু বেশি দুধ দেয় সেসব গরু পালন করা বেশি লাভজনক। উন্নত জাতের গরু অনেক বেশি দুধ দেয়। যেমন- হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান দৈনিক ৩৫ লিটার পর্যন্ত দুধ দিয়ে থাকে এবং বাচ্চা প্রদানের পর থেকে পরবর্তী বাচ্চা প্রদান পর্যন্ত একটানা দুধ দিতে থাকে। এদের দুধ প্রদানকাল ৭-৮ মাস। তাই সঠিকভাবে পালন করলে দ্রুত লাভবান হওয়া সম্ভব। অপরদিকে দেশি গরুর দুধ উৎপাদন ক্ষমতা কম, দৈনিক ১-৩ লিটার, দুধে চর্বির পরিমাণও কম। এ কারণে দুধ বিক্রি করে তেমন কোনো লাভ হয় না। অতএব বলা যায়, বাংলাদেশের জনগণের জন্য অধিক পরিমাণে দুগ্ধ উৎপাদনে উন্নত জাতের গরু পালন করা যৌক্তিক ও অধিক লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি মাংস উৎপাদনকারী গরুর খামার গড়ে তোলেন। কিছুদিন পর তিনি দেখতে পেলেন একটি গরুর মুখ দিয়ে ফেনাযুক্ত লালা ঝরছে, পা দিয়ে মাটি খুরছে সেই সাথে উত্তেজিত অবস্থায় অন্য পশুকে আক্রমণ করছে। তাছাড়া আক্রান্ত পশু ঘন ঘন প্রস্রাব করছে এবং পানি পান করতে পারছে না। করিম দ্রুত স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তার খামারে আদর্শ প্রতিপালন পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলেন।

Jessore · 2025

ষাঁড় কী?

উত্তর

ষাঁড় হলো প্রজননক্ষম পুরুষ গরু, যা দুধ দেয় না বরং শ্রম ও প্রজননে ব্যবহৃত হয়।
পাস্তুরিত দুধ নিরাপদ কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পাস্তুরিত দুধ নিরাপদ কারণ- এতে রোগ উৎপাদনকারী জীবাণু ধ্বংস হয়। দুধের এনজাইম নষ্ট হয়ে যায় বলে দুধ দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে। অধিকাংশ ক্ষতিকর জীবাণু পাস্তুরিকরণের মাধ্যমে বিনষ্ট হয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় দুধের পুষ্টিমান ঠিক থাকে। কোনো বিম্বাদের সৃষ্টি হয় না।
করিমের খামারে কোন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে? উক্ত রোগের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

করিমের খামারে জলাতঙ্ক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। নিচে জলাতঙ্ক রোগের কারণ ব্যাখ্যা করা হলো- গরুর জলাতঙ্ক রোগের মূল কারণ হলো রেবিস ভাইরাস (Rabies Virus)। কুকুর, বিড়াল, বাদুড় ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী এ ভাইরাসের জীবাণু বহন করে। এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রাণীর লালার মাধ্যমে গবাদিপশু আক্রান্ত হয়। কখনো কখনো ক্ষতস্থানে আক্রান্ত প্রাণীর লালা লাগলেও সংক্রমণ হতে পারে। আক্রান্ত হওয়ার ৭-১০ দিনে লক্ষণ প্রকাশ পায়। কখনো ১৪ দিন, ৩ মাস, ৬ মাস বা ৬ বছর পরে লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী করিমের খামারে উক্ত রোগের প্রতিকার কীভাবে করা যায় তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

করিমের খামারের রোগটি হলো জলাতঙ্ক রোগ। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী জলাতঙ্ক রোগের প্রতিকার নিম্নলিখিতভাবে করা যায়- ১. রোগ প্রতিরোধের জন্য পোষা কুকুর, বিড়ালকে নিয়মিত প্রতিরোধী টিকা দিতে হবে। ২. গরুর জন্য Rabies Vaccine দিতে হবে। সাধারণত বছরে একবার এ টিকা দেওয়া হয়। ৩. গরুকে কামড় বা আঁচড় দিলে তৎক্ষণাৎ ক্ষতস্থানে প্রচুর পানি ও সাবান দিয়ে ১৫ মিনিট ধুয়ে দিতে হবে। ৪. সন্দেহভাজন বা আক্রান্ত গরুকে অবিলম্বে অন্য পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। ৫. খামারের আশপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

করিম যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি মাংস উৎপাদনকারী গরুর খামার গড়ে তোলেন। কিছুদিন পর তিনি দেখতে পেলেন একটি গরুর মুখ দিয়ে ফেনাযুক্ত লালা ঝরছে, পা দিয়ে মাটি খুরছে সেই সাথে উত্তেজিত অবস্থায় অন্য পশুকে আক্রমণ করছে। তাছাড়া আক্রান্ত পশু ঘন ঘন প্রস্রাব করছে এবং পানি পান করতে পারছে না। করিম দ্রুত স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তার খামারে আদর্শ প্রতিপালন পদ্ধতি অনুসরণ করতে বলেন।

Jessore · 2025

ষাঁড় কী?

উত্তর

ষাঁড় হলো প্রজননক্ষম পুরুষ গরু, যা দুধ দেয় না বরং শ্রম ও প্রজননে ব্যবহৃত হয়।
পাস্তুরিত দুধ নিরাপদ কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

পাস্তুরিত দুধ নিরাপদ কারণ- এতে রোগ উৎপাদনকারী জীবাণু ধ্বংস হয়। দুধের এনজাইম নষ্ট হয়ে যায় বলে দুধ দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকে। অধিকাংশ ক্ষতিকর জীবাণু পাস্তুরিকরণের মাধ্যমে বিনষ্ট হয়ে যায়। এ প্রক্রিয়ায় দুধের পুষ্টিমান ঠিক থাকে। কোনো বিম্বাদের সৃষ্টি হয় না।
করিমের খামারে কোন রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে? উক্ত রোগের কারণ ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

করিমের খামারে জলাতঙ্ক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। নিচে জলাতঙ্ক রোগের কারণ ব্যাখ্যা করা হলো- গরুর জলাতঙ্ক রোগের মূল কারণ হলো রেবিস ভাইরাস (Rabies Virus)। কুকুর, বিড়াল, বাদুড় ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী এ ভাইরাসের জীবাণু বহন করে। এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রাণীর লালার মাধ্যমে গবাদিপশু আক্রান্ত হয়। কখনো কখনো ক্ষতস্থানে আক্রান্ত প্রাণীর লালা লাগলেও সংক্রমণ হতে পারে। আক্রান্ত হওয়ার ৭-১০ দিনে লক্ষণ প্রকাশ পায়। কখনো ১৪ দিন, ৩ মাস, ৬ মাস বা ৬ বছর পরে লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।
প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী করিমের খামারে উক্ত রোগের প্রতিকার কীভাবে করা যায় তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর

করিমের খামারের রোগটি হলো জলাতঙ্ক রোগ। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী জলাতঙ্ক রোগের প্রতিকার নিম্নলিখিতভাবে করা যায়- ১. রোগ প্রতিরোধের জন্য পোষা কুকুর, বিড়ালকে নিয়মিত প্রতিরোধী টিকা দিতে হবে। ২. গরুর জন্য Rabies Vaccine দিতে হবে। সাধারণত বছরে একবার এ টিকা দেওয়া হয়। ৩. গরুকে কামড় বা আঁচড় দিলে তৎক্ষণাৎ ক্ষতস্থানে প্রচুর পানি ও সাবান দিয়ে ১৫ মিনিট ধুয়ে দিতে হবে। ৪. সন্দেহভাজন বা আক্রান্ত গরুকে অবিলম্বে অন্য পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। ৫. খামারের আশপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অবলম্বন করতে হবে।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Jessore · 2025

সাইলেজ কী?

উত্তর

রসাল অবস্থায় ফুল আসার সময় সবুজ ও সতেজ ঘাসকে কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করাই হলো সাইলেজ।
"ছাগল গরিবের গাভী"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয় মূলত অর্থনৈতিক ও ব্যবহারিক কারণে। দরিদ্র জনগোষ্ঠী স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ছাগল পালনের 'মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারে। ছাগল পালনে খরচ ও খাদ্য উভয়ই কম লাগে অধিকন্তু উল্লেখযোগ্য হারে বাচ্চা দেয়। ছাগল ভূমিহীন কৃষক ও দুঃস্থ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য উপায়। এসব কারণে ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয়।
চিত্র-১ এর প্রাণীটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-১ এর প্রাণীটি হচ্ছে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল। নিচে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ১. গায়ের রং কালো, তবে সাদা ও বাদামি হতে পারে। ২. এদের পা খাটো, কান খাড়া, শিং আকারে ছোট ও কালো। ৩. গায়ের লোম খাটো, সুবিন্যস্ত ও কোমল হয়। ৪. এরা ১৩-১৪ মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা প্রসব করে। ৫. একটি ছাগী বছরে দুইবার এবং প্রতিবারে দুই থেকে চারটি বাচ্চা প্রসব করে। ৬. চামড়া কোমল ও উন্নতমানের হয়। ৭. এরা দৈনিক সর্বোচ্চ ১ লিটার দুধ দিতে পারে। ৮. এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু ও চঞ্চল প্রকৃতির হয়।
চিত্র-১ ও চিত্র-২ এর মধ্যে কোনটি পালন করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

চিত্র-১ হচ্ছে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল এবং চিত্র-২ হচ্ছে যমুনাপাড়ি জাতের ছাগল। উভয় জাতের ছাগল পালনই লাভজনক। তবে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে, বেশি লাভজনক। নিচে আমার মতামত ব্যক্ত করা হলো- আমাদের দেশে অধিকাংশ গ্রামের বাড়িতেই ছাগল পালন করা হয়, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল। ব্ল্যাক বেঞ্চাল জাতের ছাগল তুলনামূলকভাবে কম দামে ক্রয় করা যায় এবং স্বল্প ব্যয়ে অথবা কোনো খরচ ছাড়াই পালন করা যায়। তাছাড়া প্রতিদিন কিছু দুধ পাওয়া যায়। যমুনাপাড়ি ছাগল যেখানে বছরে একবার বাচ্চা প্রসব করে, সেখানে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বছরে দুইবার বাচ্চা প্রসব করে এবং প্রতিবারে ২ - ৪টি বাচ্চা প্রসব করে যা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। এছাড়া যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের চামড়া ও মাংস উন্নতমানের এবং বাজারে এদের যথেস্ট চাহিদা রয়েছে। যেকোনো পরিবেশে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা যায়। এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু হয় এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা কম খরচে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা যায়। পরিশেষে বলা যায়, যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো

HSCকৃষি শিক্ষা ২য় পত্রসৃজনশীল

উদ্দীপক

নিচের চিত্র দুটি লক্ষ কর এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও: question image

Jessore · 2025

সাইলেজ কী?

উত্তর

রসাল অবস্থায় ফুল আসার সময় সবুজ ও সতেজ ঘাসকে কেটে টুকরা করে সেগুলো বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ করাই হলো সাইলেজ।
"ছাগল গরিবের গাভী"- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয় মূলত অর্থনৈতিক ও ব্যবহারিক কারণে। দরিদ্র জনগোষ্ঠী স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে ছাগল পালনের 'মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারে। ছাগল পালনে খরচ ও খাদ্য উভয়ই কম লাগে অধিকন্তু উল্লেখযোগ্য হারে বাচ্চা দেয়। ছাগল ভূমিহীন কৃষক ও দুঃস্থ নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের একটি উল্লেখযোগ্য উপায়। এসব কারণে ছাগলকে গরিবের গাভী বলা হয়।
চিত্র-১ এর প্রাণীটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা কর।

উত্তর

চিত্র-১ এর প্রাণীটি হচ্ছে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল। নিচে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করা হলো- ১. গায়ের রং কালো, তবে সাদা ও বাদামি হতে পারে। ২. এদের পা খাটো, কান খাড়া, শিং আকারে ছোট ও কালো। ৩. গায়ের লোম খাটো, সুবিন্যস্ত ও কোমল হয়। ৪. এরা ১৩-১৪ মাস বয়সে প্রথম বাচ্চা প্রসব করে। ৫. একটি ছাগী বছরে দুইবার এবং প্রতিবারে দুই থেকে চারটি বাচ্চা প্রসব করে। ৬. চামড়া কোমল ও উন্নতমানের হয়। ৭. এরা দৈনিক সর্বোচ্চ ১ লিটার দুধ দিতে পারে। ৮. এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু ও চঞ্চল প্রকৃতির হয়।
চিত্র-১ ও চিত্র-২ এর মধ্যে কোনটি পালন করা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক? তোমার মতামত দাও।

উত্তর

চিত্র-১ হচ্ছে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল এবং চিত্র-২ হচ্ছে যমুনাপাড়ি জাতের ছাগল। উভয় জাতের ছাগল পালনই লাভজনক। তবে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে, বেশি লাভজনক। নিচে আমার মতামত ব্যক্ত করা হলো- আমাদের দেশে অধিকাংশ গ্রামের বাড়িতেই ছাগল পালন করা হয়, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল। ব্ল্যাক বেঞ্চাল জাতের ছাগল তুলনামূলকভাবে কম দামে ক্রয় করা যায় এবং স্বল্প ব্যয়ে অথবা কোনো খরচ ছাড়াই পালন করা যায়। তাছাড়া প্রতিদিন কিছু দুধ পাওয়া যায়। যমুনাপাড়ি ছাগল যেখানে বছরে একবার বাচ্চা প্রসব করে, সেখানে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বছরে দুইবার বাচ্চা প্রসব করে এবং প্রতিবারে ২ - ৪টি বাচ্চা প্রসব করে যা অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। এছাড়া যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের চামড়া ও মাংস উন্নতমানের এবং বাজারে এদের যথেস্ট চাহিদা রয়েছে। যেকোনো পরিবেশে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা যায়। এরা বেশ কষ্টসহিষ্ণু হয় এবং প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা কম খরচে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন করা যায়। পরিশেষে বলা যায়, যমুনাপাড়ি ছাগল অপেক্ষা ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভজনক।

সম্পূর্ণ প্রশ্ন দেখো