উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসহাকের খামারের গাভী হলো দুগ্ধবতী গাভী। নিচে দুগ্ধবতী গাভীর যত্ন সম্পর্কে বর্ণনা করা হলো-
১. দুগ্ধবতী গাভীর বাসস্থান সব সময় শুকনা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং মেঝে জমিতল হতে ১-২ ফুট উঁচু হতে হবে।.
২. দুগ্ধবতী গাভীর শরীর পরিষ্কার করা, প্রতিদিন একই সময়ে খাদ্য খাওয়ানো দুধ দোহন ইত্যাদি যথাযথভাবে করতে হবে।
৩. প্রতিদিন ভোরে গাভীর ঘরের মেঝে, দেয়াল, নালা ইত্যাদি ফিনাইল/ডেটল/গরম পানি দিয়ে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
৪. গাভীর খাবার পাত্র ও পানি সরবরাহের নালা প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে এবং কোনো ময়লা বা আগের দিনের খাবারের অংশ থাকা চলবে না। তবে পাত্র শুকিয়ে নেওয়া স্বাস্থ্যসম্মত।
৫. গাভীকে প্রদানকৃত খাবার টাটকা থাকতে হবে, পানি বিশুদ্ধ হতে হবে এবং খাবার সুষম হতে হবে।
৬. গাভীর ঘরের মেঝেতে শুকনো খড় বিছিয়ে দিতে হবে, ঘরে বৃষ্টির ঝাপটা ঠেকানোর জন্য চটের পর্দা থাকতে হবে।
৭. প্রতিদিন দুধ দোহনের আগে ও পরে ওলান, বাঁট ও গাভীর পিছনের অংশ পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ধুয়ার পর পরিষ্কার শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিতে হয়। এমনকি দুধ দোহনকারীর হাতও ধুয়ে-মুছে নিয়ে দুধ দোহন করতে হবে।
৮. গাভীর স্বাস্থ্য নিয়মিত পরীক্ষা করা, সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক টিকা দেওয়া এবং গরম হলে প্রজননের ব্যবস্থা করতে হবে।
৯. দুগ্ধবতী গাভীকে পিঠে আলতোভাবে চাপড়ে দিয়ে শরীর ব্রাশ করে দিলে দুধ সরবরাহের পরিমাণ বেড়ে যায়।
১০. গাভীর রোগ হলে সাথে সাথে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।