জনাব আফজাল তার খামারে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য সুষম আকারে খাওয়ান। তিনি যেভাবে সুষম খাদ্য তৈরি করলেন তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো—
১. খড় ছোট ছোট করে কাটেন এবং এক কেজি খড়ের সাথে ২০০ গ্রাম চিটাগুড় মিশিয়ে গবাদি পশুকে খাওয়ান ।
২. কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে গাভীকে খাওয়ান ।
৩. কাঁচা ঘাস দিয়ে সাইলেজ ও হে তৈরি করে গাভীকে খাওয়ান ।
৪. হে তৈরির জন্য কাঁচা ঘাস শুকিয়ে এবং সাইলেজ তৈরির জন্য কাঁচা ঘাস বায়ু নিরোধক স্থানে রেখে সুষম খাদ্য তৈরি করেন।
৫. ১টি দুগ্ধবতী গাভীর দানাদার সুষম খাদ্য হিসেবে চালের কুঁড়া ২ কেজি, গমের ভুসি ৫ কেজি, খেসারি ভাঙা ১.৮ কেজি, তিল বা বাদামের খৈল ১ কেজি, লবণ ০.১ কেজি, খনিজ মিশ্রণ ০.১ কেজি। মোট ১০ কেজি মিশ্রণ তৈরি করেন ।
৬. খৈল গুঁড়ো করে দানাদার খাদ্যগুলোর সাথে ভালো করে মেশান এবং গাভীকে খাওয়ান ।
৭. মিশ্রিত খাদ্য শুকনো অথবা পানি দিয়ে মিশিয়ে গাভীকে খাওয়ান ।
৮. এছাড়া খড় ১০ কেজি, চিটাগুড় ২ কেজি, ইউরিয়া সার ৩০০ গ্রাম ও পানি ৬ লিটার একত্রে মিশিয়ে সুষম খাদ্য তৈরি করেন ।
৯. চিটাগুড় ভুসি ও ইউরিয়া দিয়ে ইউরিয়া মোলাসেস ব্লক নামক সুষম খাদ্য তৈরি করেন যা খাওয়ালে গাভী বেশি দুধ উৎপাদন করে ।
উপরোক্ত নিয়মাবলি অনুসরণ করে জনাব আফজাল তার গাভীর জন্য সুষম খাদ্য তৈরি করেন ।