অনির্ভরশীল চল নিয়ন্ত্রণের কৌশলসমূহ আলোচনা কর ।
উত্তর: পরীক্ষণ কার্যের প্রয়োজন অনুসারে চল নিয়ন্ত্রণের কতগুলো কৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে। অপসারণ : যে সকল অবাঞ্ছিত চল নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন, পরীক্ষণ পরিস্থিতি থেকে সেগুলোকে বর্জন বা অপসারণ করে নির্ভরশীল চলকে ঐ চলের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা হয়। যেমন, গবেষণা করার সময় বাইরের আওয়াজ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার সম্ভাবনা থাকলে পরীক্ষণটি শব্দ নিয়ন্ত্রণ কক্ষে করা দরকার। অবস্থার ধ্রুবকতা বা সমতা : সব চলকে সব সময় পরীক্ষণ পরিবেশ থেকে অপসারণ করা যায় না। এ সকল চলকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে লক্ষ রাখতে হবে যে, পরীক্ষণে অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষণপাত্রের উপরই যেন এগুলো অপরিবর্তনশীলভাবে ক্রিয়াশীল থাকে। তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি : এমন কতগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা । এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয়। একটি দলকে পরীক্ষণ দল এবং অন্যদলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। প্রতি তুল্যমূল্যায়ন বা প্রতিভারসাম্য সৃষ্টি : কোনো পরীক্ষণে যখন একই পরীক্ষণপাত্রকে একাধিক পরীক্ষণমূলক অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়, তখন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরীক্ষণপাত্রের প্রথম অধিবেশনের অভিজ্ঞতা তার দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রতিক্রিয়ার উপর প্রভাব বিস্তার করে থাকে । প্রতিভারসাম্য পদ্ধতির সাহায্যে বিভিন্ন পরীক্ষামূলক অবস্থার প্রভাব সব পরীক্ষণপাত্রের মধ্যে সমানভাবে বিতরণ করা সম্ভব। দৈবচয়ন : এমন কিছু অবাঞ্ছিত চল আছে যা সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায় না এবং পূর্বোক্ত পদ্ধতিগুলোর সাহায্যে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, সেক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।
HSC Psychology 2nd Paper Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Psychology 2nd Paper · Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ · সৃজনশীল
অনির্ভরশীল চল নিয়ন্ত্রণের কৌশলসমূহ আলোচনা কর ।
উদ্দীপক
ঢাকা কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


