'নিজাম সাহেব তার গবেষণা পরিচালনায় চল নিয়ন্ত্রণের একাধিক কৌশল ব্যবহার করেছেন।'— উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: নিজাম সাহেব পরীক্ষণ পরিচালনায় চল নিয়ন্ত্রণের যে যে কৌশল অবলম্বন করেছেন তার মধ্যে তুলনামূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি এবং দৈবচয়ন উল্লেখযোগ্য । নিচে তা আলোচনা করা হলো— তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি : এমন কতগুলো অবাঞ্ছিত চল আছে যেগুলোকে অপসারণ বা অবস্থার সমতাকরণের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার অন্যতম কৌশল হলো ভারসাম্য সৃষ্টি করা। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুইটি দল গঠন করা হয়। একটি দলকে পরীক্ষণ দল অন্যদলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। এ দুইটি দল সব শর্তের দিক থেকে সমান বা সমতুল্য থাকবে; পার্থক্য শুধু এই যে, পরীক্ষণ দলে অনির্ভরশীল চল প্রয়োগ করা হয় কিন্তু নিয়ন্ত্রিত দলে উক্ত চল প্রয়োগ করা হয় না। তাই দুইটি দলের নির্ভরশীল চলের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হলে সেজন্য শুধুমাত্র অনির্ভরশীল চলকেই দায়ী করা হয়। নির্ভরশীল চলের পার্থক্য তুলনার জন্য নিয়ন্ত্রিত চল ব্যতীত অন্যসব দিক থেকে পরীক্ষণ দল ও নিয়ন্ত্রিত দলকে সমমানে গঠন করার মাধ্যমেই ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। দৈবচয়ন : এমন কিছু অবাঞ্ছিত চল আছে যা সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা যায় না এবং পূর্বোক্ত পদ্ধতিগুলোর সাহায্যেও নিয়ন্ত্রণ করা যায় না । সেক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পরীক্ষণে পরীক্ষণকারীর 'পক্ষপাতিত্ব' একটি অবাঞ্ছিত চল। পরীক্ষণপাত্র নির্বাচন, পরীক্ষণপাত্রদের বিভিন্ন দলে বণ্টন, উদ্দীপক উপস্থাপনের ধারা ইত্যাদি ক্ষেত্রে পরীক্ষণকারীর পক্ষপাতিত্ব ঘটতে পারে। এ সকল পরিস্থতিতে অবাঞ্ছিত চল নিয়ন্ত্রণের জন্য দৈবচয়ন পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উদ্দেশ্যবিহীন কৌশলে নমুনা নির্বাচনের পা অবলম্বনকেই দৈবচয়ন পদ্ধতি বলে। ঠিক যেমন উক্ত পরীক্ষণে ইসমাইল সাহেব জোড়-বিজোড় রোল নম্বরের ভিত্তিতে সমান সংখ্যক ছাত্রদের দুইটি চলে ভাগ করে পরীক্ষণ পরিচালনা করেন।
HSC Psychology 2nd Paper Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Psychology 2nd Paper · Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ · সৃজনশীল
'নিজাম সাহেব তার গবেষণা পরিচালনায় চল নিয়ন্ত্রণের একাধিক কৌশল ব্যব…
উদ্দীপক
রাজশাহী কলেজ · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


