চল নিয়ন্ত্রণের জন্য শিক্ষক কর্তৃক ব্যবহৃত কৌশলসমূহ বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: পরীক্ষণ পরিচালনার সময় যে সকল অবাঞ্ছিত চল নির্ভরশীল চলের ওপর প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা থাকে, সেসব চলের প্রভাব থেকে পরীক্ষণকে মুক্ত রাখার কতগুলো ব্যবস্থা বা কৌশল রয়েছে। চল নিয়ন্ত্রণের একটি কৌশল হলো অপসারণ। যে সকল অবাঞ্ছিত চল নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন, পরীক্ষণ পরিস্থিতি থেকে সেগুলোকে বর্জন বা অপসারণ করে নির্ভরশীল চলকে ওই চলের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা হয়। উদ্দীপকে একটি কক্ষে মাইক, মিছিলের শব্দ প্রবেশ করে এজন্য যে কক্ষে এ শব্দগুলো প্রবেশ করে সে কক্ষটি বর্জন বা অপসারণ করতে হবে। চল নিয়ন্ত্রণের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হলো তুল্যমূল্যায়ন বা ভারসাম্য সৃষ্টি। এ পদ্ধতিতে সকল বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে সমান সমান দুটি দল গঠন করা হয়। একটি দলকে পরীক্ষণ ও অন্য দলকে নিয়ন্ত্রিত দল বলা হয়। এদুটি দল সব শর্তের দিক থেকে সমান বা সমতুল্য থাকবে । উদ্দীপকের বর্ণনায় দেখা যায়, মনোবিজ্ঞানের শিক্ষক ২৫ জন বালক ও ২৫ জন বালিকা নিয়ে দুটি দল গঠন করেন । এ দুটি দলকে তিনি পরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রিত দলে সমভাবে গঠন করার মাধ্যমে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করেন। চল নিয়ন্ত্রণের একটি সহজ ও উত্তম পদ্ধতি হলো দৈবচয়ন। দৈবচয়নের ক্ষেত্রে পরীক্ষণপাত্রের নিয়োগ প্রত্যেক পর্যায়ে এমনভাবে নির্দিষ্ট করা হয় যাতে প্রত্যেক পর্যায়ে প্রত্যেক পরীক্ষণপাত্রের নির্বাচিত হবার সমান এবং নিরপেক্ষ সম্ভাবনা থাকে। পরীক্ষণে পরীক্ষণকারীর পক্ষপাতিত্ব একটি অবাঞ্ছিত চল। এ অবাঞ্ছিত চল নিয়ন্ত্রণের জন্য দৈবচয়ন পদ্ধতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
HSC Psychology 2nd Paper Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Psychology 2nd Paper · Chapter 7 : মনোবিজ্ঞানে গবেষণার পদ্ধতিসমূহ · সৃজনশীল
চল নিয়ন্ত্রণের জন্য শিক্ষক কর্তৃক ব্যবহৃত কৌশলসমূহ বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপক
Dhaka · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর


