উদ্দীপকে অপ্রচলিত পণ্যের কথা বলা হয়েছে।
অপ্রচলিত পণ্য বলতে সেসব পণ্যদ্রব্যকে বোঝায় সাধারণত যেসব পণ্য পূর্বে রপ্তানি হতো না কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের রপ্তানি 'জনশক্তি রপ্তানি বাংলাদেশে রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস'- উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর।বাজারের সিংহভাগ প্রতিনিধিত্ব করছে। যেমন- হিমায়িত চিংড়ি, ইলিশ, তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস, ওষুধ, মাংস, কাঁচাপাট, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য, হিমায়িত খাদ্য প্রভৃতি। আমাদের এসব রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২২ অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে অপ্রচলিত পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক (১৪৩০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), কাঁচাপাট (২১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), হস্তশিল্পজাত দ্রব্য (১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), নিটওয়্যার (১৭০৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), জুতা (৩১৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) প্রভৃতি খাতে রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে, পাটজাত দ্রব্য (৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), চামড়া (৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), চা (১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), হিমায়িত খাদ্য (৩১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), কৃষিজাত পণ্য (৩৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) প্রভৃতি পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অপ্রচলিত পণ্যের ভূমিকা ব্যাপক।