ব্যবসায়-বাণিজ্যে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দরের তুলনামূলক আলোচনা কর।
উত্তর: চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর উভয়ই অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তবে মংলা সমুদ্রবন্দর অপেক্ষা চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এক্ষেত্রে বেশী অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত চট্টগ্রাম বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর। প্রায় সমগ্র বাংলাদেশ এ বন্দরের পশ্চাদভূমি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বেশিরভাগ মালামাল এ বন্দরের মাধ্যমেই আমদানি ও রপ্তানি করা হয়। চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। এ বন্দর না থাকলে বাংলাদেশ বিশ্ববাজার হতে বিচ্ছিন্ন থাকত এবং এ দেশের সব ধরনের উন্নতি বন্ধ হয়ে যেত। সমুদ্রপথের সুবিধা হলো যে, এ পথে পরিবহন ব্যয় সর্বাপেক্ষা কম। আবার ভারী ও বৃহদাকার দ্রব্যাদি পরিবহনে সমুদ্রপথ সর্বাপেক্ষা বেশি উপযোগী। এ বন্দরের সাথে কলকাতা, মাদ্রাজ, ইয়াংগুন, কলম্বো, সিঙ্গাপুর, জাকার্তা, মুম্বাই, করাচি, জেদ্দা, এডেন, এথেন্স, জেনোয়া, লিসবন, নিউইয়র্ক, হামবুর্গ, লিভারপুল, লন্ডন, সিডনি, ম্যানিলা, হংকং, সাংহাই ও টোকিংসহ বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরের যোগাযোগ রয়েছে। পক্ষান্তরে, মংলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান সমুদ্রবন্দর। ১৯৫৪ সালে মংলা ও পশুর নদীর মিলনস্থলে বাগেরহাট জেলার মংলা নামক স্থানে এ বন্দরটি গড়ে ওঠে। এ বন্দরের মাধ্যমেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ ও পূর্ব-এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সাথে এ বন্দরের যোগাযোগ রয়েছে। তবে বিশ্ব বাণিজ্যে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের ভূমিকাই বেশি।
HSC Geography 2nd Paper অধ্যায়-৭ : পরিবহন ও যোগাযোগ CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Geography 2nd Paper · অধ্যায়-৭ : পরিবহন ও যোগাযোগ · সৃজনশীল
ব্যবসায়-বাণিজ্যে চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দরের তুলনামূলক আলোচনা কর।
উদ্দীপক

উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর
