আরেফিন সাহেব প্রথমে যে পথটি ব্যবহার করেন তা হলো নৌপথ। নদীপথে সাধারণত নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার চলাচল করে। এ দেশে রয়েছে অসংখ্য নদী, খাল, বিল। কিন্তু দেশের সবগুলো নদীই নাব্য নয়। বাংলাদেশে প্রায় ৮,৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ নাব্য জলপথ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৫,৪০০ কিলোমিটার সারাবছর নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। অবশিষ্ট প্রায় ৩,০০০ কিলোমিটার শুধু বর্ষাকালে ব্যবহৃত হয়। নাব্য নৌপথগুলো অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার অধীনে রয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নদীপথে ছোট ছোট নৌকা থেকে আরম্ভ করে লঞ্চ, স্টিমার, সী ট্রাক, ফেরী, ট্যাঙ্কার, কোস্টার প্রভৃতি যানবাহন যাতায়াত করে।
উদ্দীপকে আরেফিন সাহেব কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত দেখার জন্য প্রথমে লঞ্চে করে পটুয়াখালী যান। ঢাকায় সাথে পটুয়াখালীসহ সমস্ত দক্ষিণবঙ্গ ভ্রমণে নৌপথ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পরিবহন মাধ্যম। তাই গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরগুলো এ অঞ্চলে অবস্থিত।