উদ্দীপকের 'ক' ও 'খ' কলামের স্থানসমূহের যোগাযোগের ধরণ হলো ব্রডগেজ ও মিটারগেজ রেলপথ। এ দুটি যোগাযোগ মাধ্যমের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে।
'ক' এর যোগযোগ স্থানসমূহে ব্রডগেজ রেলপথ গড়ে ওঠেছে। এ রেলপথে দুটি পাতের মধ্যে ব্যবধান ১.৮৪ মিটার। যমুনা নদীর পশ্চিমাংশের জেলা অর্থাৎ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমের জেলাগুলোতে ব্রডগেজ রেলপথ (৬৫৯ কি.মি.) চালু রয়েছে। এ পথের রেলগুলো প্রশস্ত হওয়ায় চলাচল আরামদায়ক। এ পথের কয়েকটি জংশন ও রেলস্টেশন হলো- খুলনা, যশোর, দর্শনা, পোড়াদহ, পার্বতীপুর, ঈশ্বরদী, রাজশাহী, সৈয়দপুর প্রভৃতি।
অন্যদিকে কলাম 'খ' এর যোগাযোগ স্থানসমূহে মিটারগেজ রেলপথ গড়ে ওঠেছে। এ পথের দুটি পাতের মধ্যে ব্যবধান থাকে ১ মিটার। যমুনা নদীর পূর্বাংশে অর্থাৎ দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে এ ধরনের রেলপথ চালু রয়েছে। বাংলাদেশে মিটারগেজ রেলপথের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি (১,৮০৮ কি.মি.)। এ পথের কয়েকটি জংশন ও রেলস্টেশন হলো- কমলাপুর, ভৈরব, ময়মনসিংহ, টঙ্গী, আখাউড়া, সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম প্রভৃতি।