চিত্রে 'খ' চিহ্নিত বন্দরটি হলো চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর।
চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর গড়ে ওঠার পেছনে বিভিন্ন ভৌগোলিক নিয়ামক কাজ করেছে। সমুদ্রবন্দর গড়ে ওঠার অন্যতম নিয়ামক হলো পোতাশ্রয়। চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের কাছাকাছি পোতাশ্রয় রয়েছে। এ পোতাশ্রয়ে জাহাজগুলো সহজেই ঝড় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে আশ্রয়গ্রহণ করতে পারে। এটি বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত বলে অনেক জাহাজ একসাথে পোতাশ্রয়ে অবস্থান করতে পারে। তাই বলা যায়, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর গড়ে ওঠার পেছনে পোতাশ্রয়ের প্রভাব রয়েছে। তাছাড়া এ বন্দরটি গড়ে ওঠার অন্যতম কারণ হলো এটি শৈলমুক্ত। চট্টগ্রাম বন্দরের অর্থাৎ চট্টগ্রাম উপকূল সমুদ্র বেশ গভীর। এতে সব ধরনের জাহাজ বন্দরে যাতায়াত করতে পারে। জাহাজ নির্মাণ, মালের গুদাম ইত্যাদি নির্মাণের জন্য এ বন্দরের বিশাল সমভূমি রয়েছে। এ বন্দরের সাথে পণ্য আনাচনেওয়ার জন্য ভালো পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। এ সকল ভৌগোলিক নিয়ামকের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর গড়ে উঠেছে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে 'খ' সমুদ্রবন্দরটি গড়ে ওঠার পেছনে যেসব নিয়ামক কাজ করছে তন্মধ্যে পোতাশ্রয়, পশ্চাদভূমি, ভগ্ন তটরেখা, শৈলমুক্ততা, উপকূলের গভীরতা, সুবিস্তৃত সমভূমি, জলবায়ু, উন্নত যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থা উল্লেখযোগ্য।