উদ্দীপকের শেষ লাইনটি বিজ্ঞানের প্রয়োগশীলতা বিষয় বা ঘটনাকে ইঙ্গিত করেছে। নিচে উক্তিটি মূল্যায়ন করা হলো-
কোনো বিষয়বস্তুর গবেষণালব্ধ ফলাফলের যথাযথ ব্যবহার উপযোগিতাই হলো প্রয়োগশীলতা যা কোনো বিষয়বস্তুকে বিজ্ঞানের মর্যাদা দান করে। যে জিনিস বা বিষয়কে বাস্তবে প্রয়োগ বা ব্যবহার করা যায় না তা বিজ্ঞান নয়! এ কারণে মনোবিজ্ঞানীগণ যেসব বিষয় আবিষ্কার করেছেন, তা জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগও করা হচ্ছে। অর্থাৎ শিক্ষাক্ষেত্রে, মানসিক রোগীর চিকিৎসায়, সমাজজীবন, ব্যক্তিজীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে মনোবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োগ করা হচ্ছে।
উদ্দীপকে ইসরাত ম্যাম একটি মনোবৈজ্ঞানিক পরীক্ষণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পরীক্ষণটি মনোবিজ্ঞানের জার্নালে প্রকাশিত হলে বিভিন্ন দেশের মনোবিজ্ঞানীরা সেটি পরীক্ষা করে একই সিদ্ধান্তে পৌঁছান। পরবর্তীতে ইসরাত ম্যাম পরীক্ষণটির ফলাফল শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে ব্যবহার করলে পরীক্ষণটি মনোবৈজ্ঞানিক মর্যাদা পায়। কেননা কোনো পরীক্ষণের ফলাফল যদি বাস্তবে প্রয়োগ করা না যায় তাহলে তাকে বিজ্ঞান বলা যায় না। এ কারণেই শিল্প কারখানা, শিক্ষা, চিকিৎসা, সমাজজীবন, ব্যক্তিগত জীবন, রাষ্ট্রীয় জীবন প্রভৃতি প্রায় সব ক্ষেত্রেই মনোবিজ্ঞানের বহুমুখী ব্যবহার লক্ষ করা যায়।
সুতরাং, উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, পরীক্ষণটির বিষয়বস্তু, গবেষণা ও ব্যবহার যোগ্যতার কথা বিবেচনা করে পরীক্ষণটিকে নিঃসন্দেহে মনোবিজ্ঞানের বিজ্ঞান বলা যায়।